Thursday, January 30, 2025

ক্যান্সার

মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যান্সার উধাও!

ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।
তার মতে, মাত্র দুটি উপায় vঅনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-
১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।
২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।
মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।
৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।
চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।
উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।
সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
তিনি বলেছেন-
“আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।”
সংগৃহীত

==============

ক্যান্সার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার সহজ উপায়-
১) প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যায়।
২) প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন থেকে চার চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান ক্যান্সার সেরে যাবে।
৩) এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে রস বের করে মিশিয়ে নিন। সকালে খাবারের আগে প্রতিদিন নিয়ম করে তিন মাস খালি পেটে লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন।


Tuesday, January 28, 2025

Razib Ahamed- সবার আগে সুস্থতা : আসুন, সুস্থ থাকি

সবার আগে সুস্থতা : আসুন, সুস্থ থাকি

প্রকৃতি থেকে প্রকৃত খাবারটা জোগাড় করতে না পারলে অন্য কোনো উপায়ে আমাদের রোগ থেকে মুক্তিলাভ তথা সুস্থভাবে বাঁচার আশা নাই!
ঘরের টিনের চাল ফুটো হয়ে বৃষ্টির পানি পড়তে থাকলে ক্রমাগত মেঝের পানি মুছে লাভ হবে না, সবার আগে ছিদ্র বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা আমাদেরকে ক্রমাগত পানি মুছে যাওয়ার বৃথা কৌশলে পরিচালিত করে।
আমরা মুখ দিয়ে যা কিছুই খাই না কেন, লক্ষ-কোটি কোষ দিয়ে তৈরি মানবদেহের প্রত্যেকটি কোষের মূল খাবার অক্সিজেন, পানি ও পুষ্টি। খাবারের অন্য কোনো রূপ (চেহারা) কোষের কাছে পরিচিত নয়।
আপনার যখন ইচ্ছে মুখ দিয়ে খাবার ঢোকাতেই পারেন, কিন্তু কোষ প্রয়োজন ছাড়া হুটহাট খাবার খায় না! কোষের চিকিৎসার দায়িত্ব/অধিকারও দুনিয়ার কোনো চিকিৎসককে দেওয়া হয়নি!
খালি চোখে পানি দেখতে স্বচ্ছ হলেই সেটাকে বিশুদ্ধ ভেবে নেওয়ার কোনো কারণ নাই। পানি পানের ভুলে মানবদেহে অনেক জটিল রোগ-বালাই হতে পারে। আবার সঠিক নিয়মে পানি পান করলে (জলচিকিৎসা) ৭২% রোগ থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।
যখনই পানি পানের প্রয়োজন হবে, হালকা কুসুম গরম পানি পানের অভ্যাস করতে পারলে পেটের কোনো সমস্যা থাকবে না।
আমাদের সব সময় রক্তের তাপমাত্রার সঙ্গে মিলিয়ে হালকা কুসুম গরম পানি (লালা মেশাতে মেশাতে) পান করা উচিত। পানির পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে প্রস্রাবের রং বিশ্লেষণ করে।
আমাদের শরীর সেরা ঔষধালয়- মানবদেহের প্রয়োজন অনুযায়ী ঔষধ তৈরি করে নিতে পারে, কিন্তু মহাপ্রকৃতি থেকে সঠিক কাঁচামাল বেছে নিয়ে আমাদেরকেই মুখ দিয়ে ঢোকাতে হবে।
আমরা বাড়ি তৈরির সময় কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীকে সার্বক্ষণিক দাঁড় করিয়ে রাখি, কিন্তু তারচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার খাদ্যগ্রহণের সময় নূন্যতম বাছ-বিচার করি না!
জিহবাকে ক্ষণিকের পরিতৃপ্তি দিতে গিয়ে আমরা দেহের 'বারোটা' বাজিয়ে ফেলি! যত দামি খাবারই খান না কেন, গলাধঃকরণের পরে তার ভিন্ন কোনো স্বাদ থাকে না!
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হলো নিজেকে সুস্থ রাখার ক্রমাগত প্রচেষ্টা চালানো আর শরীরকে আজীবন সুস্থ রাখতে পারাটাই শ্রেষ্ঠ ব্যবসা! খাদ্যগ্রহণ ইবাদত-তূল্য, কিন্তু আমরা এর গুরুত্ব বুঝি না, বোঝার চেষ্টাও করি না।
আমাদের প্রতিদিনকার খাদ্য-তালিকার ৭০% ক্ষারীয় এবং বাকি ৩০% আম্লীয় হতে হবে।
হজম প্রক্রিয়ার ৬০% মুখে আর বাকি ৪০% পেটে সম্পন্ন হয়। সে কারণে খাবার যথাসম্ভব চিবিয়ে, লালা মিশিয়ে, ধীরে-সুস্থে খেতে হবে।
১০ গ্রাম বিষ সরাসরি পেটে চালান করে দিলে বিষক্রিয়ায় তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু সেই বিষ কিছুক্ষণ মুখে রেখে লালা মেশালে ক্ষতি অপেক্ষাকৃত কম হবে। লালা এতোটাই শক্তিশালী হজমিকারক!
সমগ্র পৃথিবীর ৪০% মানুষ রাসূলুল্লাহ (সা.) নির্দেশিত খাদ্যগ্রহণের ১/৩ সূত্র (খাওয়ার সময় পাকস্থলীর এক তৃতীয়াংশ পানি দিয়ে, এক-তৃতীয়াংশ খাবার দিয়ে এবং বাকি অংশ বাতাসের জন্য খালি রাখা) অনুসরণ করেন। এদের মাত্র ২% মুসলমান ধর্মাবলম্বী; বাকি ৯৮% অন্যান্য ধর্মানুসারী।
মানুষসহ সকল প্রাণীকূলের রোগজীবাণুর মধ্যেই বসবাস, তবু মানুষ সুস্থভাবে বেঁচে থাকে শারীরিক রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতার (immunity) কারণে। ভুলভাল জীবনযাপন আর উল্টাপাল্টা খাদ্যাভ্যাসের কুপ্রভাবে immunity কমে গেলে সুস্থতা বজায় রাখা কঠিন।
আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা মূলত অসুস্থ মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে ব্যবসা ছাড়া কিছুই নয়! সমগ্র বিশ্বজুড়ে অস্ত্র আর ড্রাগস ব্যবসা মাফিয়াদের কব্জায়; দিনকে দিন পরিস্থিতি আরো ভয়াল রূপ ধারণ করছে।
কোনো মানুষই অসুস্থ থাকতে চায় না, আবার ড্রাগস সেবন ছাড়তেও পারেন না। তাহলে সুস্থ থাকবেন/হবেন কিভাবে? নিয়মিত ড্রাগস সেবন শরীরের কোষগুলোকে দুর্বল করে দেয়।
অসুস্থ রোগীরা চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেবা নিতে গিয়ে চিকিৎসা-ব্যবসার শিকার হচ্ছেন। দ্রুত মরতে যদি চাও, চিকিৎসা ব্যবসায়ীদের কাছে ধরনা দাও!
শরীরের ব্যথা-বেদনা, জ্বর-সর্দি-কাশি, বমি ইত্যাদি মূলত কোষের কান্না বা রোগের সিগনালও বলা চলে। টের পাওয়া মাত্র সতর্ক হলে রোগ-বালাই মোটেও সুবিধা করতে (জেঁকে বসতে) পারবে না।
আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার নামে মুঠোভরে ড্রাগস সেবন করলে মস্তিষ্কের সঙ্গে সমগ্র দেহের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে ব্যথার অনুভূতি টের পাওয়া যায় না। এটাকেই (লক্ষণ ধামাচাপা দেওয়া) আমরা রোগের নিরাময় মনে করি (যদিও সেটা ক্ষণিকের উপশম মাত্র)
মৃত্যু অবধারিত; সেটা নিয়ে ভাবনা (দুশ্চিন্তা করা) অহেতুক। আমাদের ভাবতে হবে সুস্বাস্থ্যচর্চার প্রাকৃতিক উপায়গুলো নিয়ে।
১০০০ বছর বেঁচে থাকার সামর্থ্য নিয়ে এই দুনিয়াতে মানুষের (আদম) যাত্রা শুরু হয়েছিল, কিন্তু সেই মানুষ এখন শত বছর পেরুতে পারছে না। এমনকি বয়স ৪০ না পেরোতেই শরীরের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ damage হয়ে যাচ্ছে।
মায়ের যোনিপথে অগণিত জীবাণু গিজগিজ করে। সেই সকল জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে যোনিপথে নবজাতক পৃথিবীর আলো-বাতাস দেখবে- এটাই সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত প্রাকৃতিক বিধান। এর ফলে শিশু জন্মলগ্নেই রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে শিখে যায়। কিন্তু এখন যে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নবজাতকদের আগমন ঘটছে- এটা নানাবিধ জটিলতা সৃষ্টি করছে। এভাবে জন্ম নেওয়া শিশুগুলো আজীবন রোগে ভুগছে।
মানুষের প্রয়োজনীয় খাবারগুলো তার নাগালের মধ্যেই দেওয়া থাকে (স্থায়ীভাবে বসবাসের জায়গার চারপাশে ২০ মাইল এর মধ্যেই উৎপাদিত হয়), কিন্তু মানবদেহের জন্য বিশেষভাবে উপকারী কিছু খাবার পাওয়া যায় সাগরের তলদেশে, সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়ায় অথবা দুর্গম বনাঞ্চলে। এর উদ্দেশ্য মানুষ যেন কষ্টসাধন করে ভালো খাবারগুলো জোগাড় করে (গুরুত্ব বুঝতে পেরে) খেয়ে নিজেদেরকে রোগমুক্ত করতে/রাখতে পারে।
পৃথিবীতে মানুষ ছাড়া এমন কোনো প্রাণী নাই- যারা মাটির সংস্পর্শে থাকে না। এজন্যই তাদের রোগ-বালাই হয় না!
মানুষকে যতদিনের হায়াত ও রিজিক দেওয়া হয়, সেই অনুপাতে তার দেহে ইন্সুলিন তৈরির ব্যবস্থাও বিদ্যমান থাকে। কিন্তু আমরা যখন প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খেতে থাকি, তখন ইন্সুলিনের অপব্যবহার হয়; পরিণামে দেহ আগেভাগেই ইন্সুলিন তৈরির সক্ষমতা হারায়। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে নিষ্কৃতি চাইলে মহাপ্রকৃতি থেকে সঠিক খাবার বেছে নেওয়ার পাশাপাশি খাদ্যগ্রহণের পরিমাণ কমাতে হবে।
শরীরে খাদ্য যত কম ঢুকাবেন, তত বেশি সুস্থ ও নিরোগ থাকতে পারবেন।

================

এক গ্লাস/মগ হালকা কুসুম গরম পানির মধ্যে চিয়া বীজ, তুলসি বীজ, ইসুবগুলের ভুষি ও এলকুলি (হামদর্দ-এর) অল্প পরিমাণে মিশিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তারপর ধীরে-সুস্থে কমপক্ষে তিন শ্বাসে পান করুন। সকালে নাস্তা খাওয়ার আগে এটা হতে পারে চমৎকার একটি উপকারী পানীয়।
হাতের নাগালে সহজেই পাওয়া যায়- এমন প্রাকৃতিক খাবার নিয়মিত খেয়ে আজীবনের সুস্থতা সুনিশ্চিত করুন।

============

রোগ যত ভয়ংকরই হোক না কেন, সঠিক প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাসে তা নির্মূল করা সম্ভব- খাদ্য যখন পথ্য হয় রোগ তখন দূরে রয়। আল্লাহতায়ালা পৃথিবীতে এমন কোনো রোগ দেননি, যার সমাধান মহাপ্রকৃতিতে রাখেননি? নিজেদের ভুলে অসুস্থ হলে মানুষের উচিত সঠিক খাবারটা খুঁজে নেওয়া। না জেনে, না বুঝে অন্যদের দেখাদেখি সিন্থেটিক ড্রাগসের পিছনে দৌড়িয়ে পকেট শূন্য হওয়া ছাড়া বিশেষ কোনো ফায়দা হবে না!
দেশবরেণ্য ঔষধি খাদ্য বিশেষজ্ঞ চুয়াডাঙ্গা জেলার কৃতিসন্তান (আলমডাঙ্গা উপজেলার বন্ডবিল নিবাসী) Shahid Ahmed দাদাভাইয়ের তত্ত্বাবধানে প্রাকৃতিক নিয়মে সুস্থতা ফিরে পাওয়ার আরো একটি সাফল্যের গল্প শুনুন...
দৈনন্দিন জীবনযাপনের ভুল শুধরানোর পাশাপাশি শুধুমাত্র আঁশযুক্ত ঢেকিছাঁটা লালচালের পান্তাভাত, দেশি গরুর দুধ দিয়ে ঘরে পাতা টকদই আর আধা সিদ্ধ শাকপাতা নিয়মিত খেয়ে হৃৎপিন্ডের ব্লকেজ দূর করেছেন ময়মনসিংহের চিরঞ্জন কুমার সাহা (৫৮); চাকরি করেন ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে। উনার মুঠোফোন নম্বর ০১৬৮২২৫৫২৩৮।
চিরঞ্জন কুমার সাহা এখন আগের চাইতে অনেক বেশি প্রাণবন্ত, আত্মবিশ্বাসী এবং স্বাস্হ্য সচেতন। উনি পারলে আপনিও প্রাকৃতিক নিয়মে সুস্থতা ফিরে পাবেন ইনশাআল্লাহ...
=========

নিজ দায়িত্বে সুস্থতা সুনিশ্চিত করুন!
মানুষ যখন কোনো রোগে আক্রান্ত হবে, সবার আগে তাঁকে মুখ দিয়ে খাদ্যগ্রহণ বন্ধ করে দিতে হবে। কারণ ওই মুহূর্তে পরিপাকতন্ত্রের খাদ্যকে হজম করার মতো শক্তি অবশিষ্ট থাকে না। ওই সময় খাবার ঢোকালে সেটা হজম করতে গিয়ে শরীরের শক্তি অযথা ব্যয় হবে, ফলে ইমিউন সিস্টেম রোগ নিরাময়ে কাজ করতে পারবে না।
মানবদেহে সেই পরিমাণ শক্তি সব সময় সঞ্চিত থাকে- যা দিয়ে খাদ্যগ্রহণ ছাড়াও অনায়াসে ২০ থেকে ২৫ দিন পর্যন্ত অতিবাহিত করা সম্ভব। তবে সেই সময় তাকে পানি পান অব্যাহত রাখতে হবে। যদি কেউ পানি পান করাও ছেড়ে দেয়, সেক্ষেত্রে ৭ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত অনায়াসে অতিবাহিত করতে পারবেন। এটাই হলো মহান সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত শরীরের নিজস্ব প্রাকৃতিক ক্ষমতা।
রোগাক্রান্ত অবস্থায় শরীরের খাদ্যের প্রয়োজন হয় না। শরীরের প্রয়োজন রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা। সেই শক্তি সে আগে থেকেই সঞ্চয় করে রেখেছে। সুতরাং দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নাই!
রোগাক্রান্ত অবস্থায় সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ভারী খাবার না খেয়ে এক দুই ঘণ্টা বিরতি দিয়ে হালকা কুসুম গরম পানির সঙ্গে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট লেবুর রস, ভিনেগার আর যৎসামান্য মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। তাতেই শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি পেয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। এর বাইরে অন্য কোনোকিছুই খাওয়া যাবে না।
উপরোক্ত নির্দেশনা পুরোপুরি মেনে চললে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার বেশি কেউ গুরুতর অসুস্থ থাকতেই পারবেন না। সেক্ষেত্রে চিকিৎসা ব্যবসায়ীদের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রয়োজন হবে না!

===============


ব্যায়াম করা নিয়ে কিছু প্রচলিত ধারণা আছে

ব্যায়াম করা নিয়ে কিছু প্রচলিত ধারণা আছে, যা আসলে আপনার ক্ষতি করে।

এই রকম কয়েকটার উদাহরণ আজকে দেইঃ
১। ব্যায়াম করার সময় যত বেশি ঘাম হয়, তত ভালো।
ভুউউউললল!!!
ঘাম যত বেশি হবে আমাদের শরীর থেকে তত বেশি ইলেক্ট্রোলাইট (সোডিয়াম, পটাসিয়াম) বের হয়ে যাবে। যা আসলে আমাদের জন্য ভালো নয়।
২। প্রতি সেটের মাঝে যত পারা যায় কম রেস্ট নিতে হবে।
এইটাও ভুল।
রেস্ট কম নিলে প্রতি সেটের মাঝে মাসেল রিকভার হবার সুযোগ পায় না। ফলে পারফর্ম্যান্স খারাপ হয়। প্রতি সেটের মাঝে অন্তত ১.৫ মিনিট রেস্ট রাখা উচিত।
৩। পেটের ব্যায়াম করলে আপনি পেট কমাতে পারবেন।
আরেকটা কমন ভুল।
পেটের ব্যায়াম করলে পেটের পেশি শক্তিশালী হয়, কিন্তু এতে পেটের চর্বি কমে না। পেট কমাতে চাইলে ডায়েটের দিকে নজর দিতে হবে এবং দরকারবোধে কার্ডিও করতে হবে।
৪। মাসেল বিল্ড করতে চাইলে সপ্তাহে মিনিমাম ৫ দিন জিম করতে হবে।
এইটা পুরোপুরি ভুল নয় অবশ্য। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষের জন্য এটা খাটে না।
১৫%-২০% মানুষের জন্য এটা সত্যি। বাকি ৮০%-৮৫% এর জন্য সপ্তাহে ৩-৪ দিন জিম করা ভালো রেজাল্ট আনে।
৫। মাসেলে যত বেশি পাম্প আসবে, তত ভালো।
এইটা মনে হয় সবচেয়ে কমন মিসটেইক।
পাম্প আসা আর না আসার ওপর আপনার মাসেল বিল্ডিং ডিপেন্ড করে না। একটা মাসেলের এক্সারসাইজ করলে সেই মাসেলে গিয়ে কিছু রক্ত জমা হয়, একেই আমরা পাম্প বলি।
এই রক্ত আবার কিছুক্ষণ পরে আগের জায়গায় ফেরত যাবে। পাম্প বেশি আসলেই বেশি মাসেল বিল্ড হবে ব্যাপারটা এমন নয়।
এখন বলেন দেখি, এর মধ্যে কয়টা ভুল ধারণা আপনার ছিল?

===========

৩০ বছরের পরে বেশিরভাগ মানুষেরই সেইম কমপ্লেইন থাকেঃ
১। সহজে ফ্যাট লস হচ্ছে না।
২। লো এনার্জি আর মোটিভেশন।
৩। ঘাড়/পিঠ/কোমর/লোয়ার ব্যাক পেইন।
৫ টা হ্যাবিট শেয়ার করি, যা ৩০ এর পরে আপনার ফিটনেস জার্নিকে কিছুটা হলেও সহজ করে তুলবেঃ
১। সকালে কিছু খালি পেটে কিছু মুভমেন্ট করেন।
খালি পেটে এড্রেনালিন বাড়ানো ফ্যাট লসে হেল্প করে। সো কিছু খাবার আগে ওয়েটলিফটিং, ওয়াকিং, রানিং, সাইক্লিং এই সব ভালো অপশন।
(মাসেল বিল্ড করার জন্য খালি পেটে ওয়েটলিফটিং ইজ নট এ গুড অপশন।)
২। এনিম্যাল প্রোটিন প্রায়োরাটাইজ করেন। সব মিলে এনিম্যাল পোটিন রাখার ট্রাই করবেন।
৩। সকালে রোদে হাঁটাহাঁটি করেন। শুধু ভিটামিন ডি এর জন্য নয়। ইনফ্ল্যাম্যাশন কমাতে, ইনসুলিন সেন্সিভিটি বাড়াতে, সার্কাডিয়ান রিদম ঠিক করতেও এর ভালো ভূমিকা আছে।
৪। ইনফ্ল্যাম্যাটরি ফুড এভয়েড করেন। বেশিরভাগ মানুষের জন্যই ডেইরি প্রোডাক্ট, সুগার, ভেজিটেবল অয়েল ইনফ্ল্যাম্যাশন ক্রিয়েট করে। এইসব লিমিট করে আনা ভালো একটা বুদ্ধি।
৫। বড় মিলের পরে ১০ মিনিট হাঁটবেন।
এই ৫ টা পয়েন্ট ফলো করেন, ইনশাআল্লাহ লাইফের কোয়ালিটি বহুগুণে বাড়বে।

=============



Thursday, January 23, 2025

রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেলের ব্যবহার

রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেলের ব্যবহার এর কথা উল্লেখ আছে আয়ুর্বেদ এ। সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে গরমে নারিকেল তেল ও শীতে সরিষার তেল এর ব্যবহার উল্লেখযোগ্য!
১) এতে রাতে ঘুম ভাল হয়, ২) চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়, ৩) শরীরে রুক্ষতা ভাব থাকে না, ৪) অবসাদগ্রস্থতা কম থাকে ও রিলাস্কিন হরমোন নি:সরণ হয়, ৫ ) শরীরের বল বৃদ্ধি পায় ও ৬) পায়ে সহজে ফাটল হয় না।
রেফারেন্স
বই: স্বাস্থ্য দর্পন, অধ্যায় ১৭, নিয়মিত শরীরে তেল মর্দণ
লেখক: দেবজ্যোতি দত্ত
আয়ুর্বেদাচার্য ও এপিজেনেটিক্স বিশারদ

==========

পায়ের তলায় তেল লাগানোর উপকারিতা
১। একজন মহিলার নানার ৮৭ বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু তার পিঠ বাঁকা হয়নি, গাঁটে ব্যথা হয়নি, মাথা ব্যথা বা দাঁতের সমস্যা হয়নি। তিনি বলেছিলেন, "কলকাতায় রেললাইনের কাজ করার সময় একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি আমাকে শিখিয়েছিলেন যে, ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল লাগালে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকে।"
২। একজন ছাত্র জানিয়েছে, তার মায়ের পরামর্শে সে তেল লাগানোর অভ্যাস করেছিল। তার মায়ের দৃষ্টিশক্তি একসময় কমে গিয়েছিল, কিন্তু তেল লাগানোর মাধ্যমে ধীরে ধীরে তা স্বাভাবিক হয়ে যায়।
৩। এক ব্যবসায়ী চিত্রালে একবার ঘুমাতে না পারায় এক বৃদ্ধ রাত্রিকালীন প্রহরী তাকে পায়ের তলায় তেল লাগানোর পরামর্শ দেন। ফলস্বরূপ, তিনি গভীর ঘুমে ঢলে পড়েন।
৪। ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল লাগালে ক্লান্তি দূর হয় এবং গভীর ঘুম আসে।
৫। আমার পেটের সমস্যাও পায়ের তলায় তেল লাগানোর মাধ্যমে দুই দিনের মধ্যে সেরে গেছে।
৬। তেল লাগানোর এই অভ্যাসে সত্যিই জাদুর মতো কাজ করে!
৭। আমি ১৫ বছর ধরে এটি করছি। আমার সন্তানদেরও পায়ের তলায় তেল লাগাই, এতে তারা সুস্থ থাকে।
৮। পায়ে ব্যথা ছিল, তেল লাগিয়ে ব্যথা দূর হয়েছে।
৯। পায়ের ফোলাভাবও মাত্র দুই দিনে কমে গেছে।
১০। এটি ঘুমের ওষুধের থেকে ভালো কাজ করে।
১১। একজন থাইরয়েড রোগী তেল লাগানোর অভ্যাসে ধীরে ধীরে সুস্থতা লাভ করেছেন।
১২। বয়স ৯০-এর এক হাকিম আমাকে বাওয়াসিরের চিকিৎসায় তেল লাগানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। এটি শুধু বাওয়াসিরই নয়, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং শরীরের ক্লান্তিও দূর করেছে।
পদ্ধতি
রাতে ঘুমানোর আগে সরিষার তেল, জলপাই তেল বা যে কোনো তেল পায়ের তলায় ২-৩ মিনিট ধরে ভালোভাবে মালিশ করুন। শিশুদেরও এই অভ্যাস গড়ে তুলুন।
প্রাচীন চীনা চিকিৎসা মতে, পায়ের নিচে প্রায় ১০০টি এক্যুপ্রেশার পয়েন্ট রয়েছে, যেগুলো মালিশের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন।
মুফতী মুহাম্মাদ আলী কাসেমী


হাঁটুর যত্নে বিভিন্ন খাবারের তালিকা

হাঁটুর যত্নে বিভিন্ন খাবারের তালিকাঃ
=====================
মনের জোরে লাগামহীন দৌড় দিয়ে হাঁটুর তরুনাস্থির উপর উল্টা পাল্টা চাপ ফেলবেন না। হাড়ের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খান যদি আপনি Long Distance দৌড়াতে চান।
যেমনঃ হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস এতে বড় ভূমিকা পালন করে। সপ্তাহে ৩.৫-৫ লিটার দুধ এবং ৫-৬ কাপ টক দই খাওয়া ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
🥦এছাড়া, পালং শাক এর মতো শাকসবজি থেকে ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিন K পাওয়া যায়, যা হাড়ের জন্য খুবই উপকারী। প্রতি সপ্তাহে ২-৩ বার শাক খাওয়া উচিত।
🍏কমলা, আমলকী, এবং কলা ফলগুলো ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পটাসিয়ামে সমৃদ্ধ। সপ্তাহে ৫-৭টি কমলা, ১০-১২টি আমলকী এবং ৭-১০টি কলা খাওয়া ভালো। কাঠবাদাম এবং তিল ক্যালসিয়াম ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট সরবরাহ করে।
প্রতি সপ্তাহে ৩৫-৪০টি কাঠবাদাম এবং ২-৩ টেবিল চামচ তিল খাওয়া উচিত।
✅এছাড়া, ইলিশ বা স্যাডিন এর মতো মাছ থেকে ওমেগা-৩ এবং ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, এবং সপ্তাহে ৩-৪ বার এ ধরনের মাছ খাওয়া যেতে পারে। এই পুষ্টিকর খাবারগুলো খাদ্যতালিকায় যোগ করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান এবং অতিরিক্ত ক্যাফেইন এড়িয়ে চললে হাড়ের শক্তি ও স্বাস্থ্য অনেকাংশে ভালো রাখা সম্ভব।


ডায়বেটিসে কালোজিরা

ডায়বেটিসে কালোজিরা : Clinical Nutritionist Sajal 

ডায়বেটিক প্যাশেন্টদের আমি কালোজিরা খেতে বলি কেন? কারন ডায়বেটিস হওয়ার মূল কারনগুলোর একটা হচ্ছে প্যানক্রিয়াসে ইনফ্ল্যামেশন ঘটে সেখানে চর্বি জমা। এই চর্বি কাটাতে হলে একই সাথে লিভার আর প্যানক্রিয়াসকে ফ্ল্যাশ করতে হয়, ভিসেরাল ফ্যাট কমাতে হয়।

এই ফ্ল্যাশিংয়ে সাহায্য করে কালোজিরা। সঠিক ডায়েটের সঙ্গে দিনে ১-২ চা চামচ কালোজিরা ৬ মাস খেয়ে গেলে প্যানক্রিয়াটিক ইনফ্ল্যামেশন কমে ইনসুলিনের উৎপাদন স্বাভাবিক হবে।
আবার, কালোজিরার থাইমোকুইনোন এবং লাইমোনিন কিন্তু আমাদের কোষের ইন্সুলিন রেস্পন্সও বাড়ায়।(1)
অতএব, ডায়বেটিসে কালোজিরাকে কিন্তু একটা দোধারী তলোয়ারের মত কাজে লাগানো সম্ভব

Monday, January 20, 2025

গ্যাস্ট্রিক ও লিভারের রোগীদের খাদ্য তালিকা

গ্যাস্ট্রিক ও লিভারের রোগীদের খাদ্য তালিকা:-
খেতে পারবেন:-
০১। নরম ভাত ও যাউ ভাত, নরম রুটি।
০২। পেপে, লাউ, কোমড়া সহ সবধরনের সবজি।
০৩। কম ঝাল ও কম তেল দিয়ে রান্না করা তরকারি।
০৪। শিং, রুই, কাতলা, পুঁটি, টেংরা, পাবদা ইত্যাদি মাছ খেতে পারবেন।
০৫। দেশি মুরগী বা কক মুরগী খেতে পারবেন।
০৬। আম, পেয়ারা, আপেল, পেপে, জাম, নাশপাতি, আনার খেতে পারবেন।
খাওয়া নিষেধ:
০১। দুধ ও দুধের তৈরি যে কোন খাবার।
০২। যে কোন ধরনের শাক পাতা।।
০৩। ভাজা, পোড়া অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার
০৪। ভুনা, কষা, ঝাল, মসলা জাতীয় খাবার।
০৫। গরু ও খাসির মাংস জাতীয় খাবার।
০৬। ইলিশ, পাঙ্গাস, গলদা চিংড়ি নিষেধ।
০৭। ভর্তা, শুটকি, আচার, চাটনি খাওয়া নিষেধ।
০৮। যে কোন ধরনের ধুমপান, জর্দা, পান, তামাক, সাদা পাতা, মদ পান নিষেধ।
০৯। বাহিরের বা হোটেলে তৈরি যে কোন খাবার নিষেধ।
১০। কাঁঠাল খাওয়া নিষেধ।
১১। চা, কফি নিষেধ
বিশেষ নিয়ামাবলী:
১। খাবার সাথে সাথে পানি পান করবেন না। (খাবার আধাঘন্টা পর পানি পান করবেন।)
২। খাবার পর বিছানায় শুবেন না। (খাবার একঘন্টা পর বিছানায় শুবেন।)
৩। খাবার পর ভারি কাজ করা নিষেধ এবং নিচু হয়ে বা ঝুকে কাজ করা নিষেধ। (খাওয়ার আগে নামাজ পরবেন।)
৪। নিয়মিত খাবার খাবেনঃ সকালের নাস্তা ৮.০০টার মধ্যে দুপুরের খাবার ২.০০টার মধ্যে এবং রাত্রের খাবার রাত ১০.০০টার মধ্যে।

শিশুর সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য

শিশুর সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য!

🥦🍎
শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সঠিক পুষ্টি অত্যন্ত জরুরি। মায়ের দুধ, স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, শর্করা, শাকসবজি, এবং দেশি সিজনাল ফল—সবই শিশুর জন্য অপরিহার্য। 💪💚
আপনার শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন:
✔️ মায়ের দুধ ও টক দই
✔️ দেশি ডিম-মাছ-মাংস
✔️ লাল চাল, হোল গ্রেইন ওটস
✔️ পালং, গাজর, ব্রকলি
✔️ মধু ও নারিকেলের চিনি
✔️ আপেল, পেয়ারা, পেঁপে
মায়ের সুস্থ জীবনযাত্রা শিশুর জন্য সবচেয়ে বড় উপহার। 💕


সুগারের ক্ষতি

 "সুগারের ক্ষতিকর দিকগুলো জানুন!

🍬 অতিরিক্ত চিনি শুধু মিষ্টি নয়, এটি আপনার শরীরের জন্য বিষ হতে পারে। 🛑 ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হরমোনাল সমস্যা থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করা—সুগারের ক্ষতি সীমাহীন। 🌿 আজই প্রাকৃতিক খাবার বেছে নিন এবং সুস্থ জীবনযাপন করুন।


সঠিক শ্বাস-প্রশ্বাসে সুস্থ জীবন

সঠিক শ্বাস-প্রশ্বাসে সুস্থ জীবন শুরু করুন! 🌬️
প্রতিদিন মাত্র কয়েকটি সহজ ব্যায়াম আপনাকে এনে দিতে পারে প্রশান্তি ও শক্তি।

=====

সঠিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করুন, জীবনীশক্তি অর্জন করুন! 🌱
শ্বাস-প্রশ্বাস শুধু একটি প্রক্রিয়া নয়, এটি আমাদের শক্তি, মানসিক স্থিতি, এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের মূল চাবিকাঠি। 🌿
✅ সঠিক শ্বাস-প্রশ্বাসে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে।
✅ শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
✅ মানসিক চাপ কমায় এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
প্রকৃতির সাথে সংযোগ স্থাপন করুন, গভীর শ্বাস নিন, এবং আপনার জীবনের গতি পরিবর্তন করুন। 💖




ফাস্টিং

১৭ ঘন্টার ফাস্টিং: স্বাস্থ্য ও পুনরুজ্জীবনের চাবিকাঠি!
আপনার শরীরের কোষগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করুন এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন অটোফেজি সক্রিয় করে। 🕒
ফাস্টিং শুধু উপবাস নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক পরিষ্কার প্রক্রিয়া যা আপনাকে ভেতর থেকে সতেজ করে তোলে। ✨




সাপ্লিমেন্ট

  আমি আমেরিকা থাকি তাই আমেরিকারটা জানি। অন ্য দেশের গুলো জানিনা। Doctors Best (Overall Best) Triquetra (Any B Vitamins and B Complex) Now ( ...