আমি আমেরিকা থাকি তাই আমেরিকারটা জানি। অন্য দেশের গুলো জানিনা।
এগুলো ছাড়া অন্য ব্রান্ড কিনবেন না। ধরা খাবেন।
কমন উদাহারনস্বরুপ :
https://www.facebook.com/groups/640300336592016/user/100092176732009/
==========
আমার বাসায় যে কয়টা সাপ্লিমেন্ট ৩৬৫ দিন থাকে। আমি ও পুরো পরিবার খায়। বাচ্চা সহ। এই পুস্টির উসিলায় ড্রাগ ইন্ডাস্ট্রিকে ৩ তালাক মেরেছি। ডাক্তারও চেহারা দেখিনা অনেক বছর।
১ ভিটামিন ডি৩ ৫০ হাজার সাথে কে২ ৫০০ মাইক্রোগ্রাম
২ ডক্টরস বেস্ট ম্যাগনেসিয়াম গ্লাইসিনেট ৪২০ এমজি
৩ জিংক গ্লাইসিনেট ৫০ এমজি সাথে কপার গ্লাইসিনেট
৪ ওমেগা ৩ EPA DHA মিলে ১০০০ এমজি
৫ নিয়াসিন ১০০০ এমজি
৬ বায়োটিন ২০ এমজি
৭ ডাইজেস্টিভ এনজাইমস প্লাস প্রোবায়টিকস ১০০ বিলিয়ন
৮ ভিটামিন বি১ বেনফোটিয়ামিন ৩০০ এমজি
৯ Triquetra B Complex Liquid (শুধু বাচ্চা খায় এটা)
বলদদের উত্তর দিয়ে দেই। একদল বলবে এত সাপ্লিমেন্ট খেলে কিডনী লিভার পচে কবরে যাবে। আপনাদের বিষাক্ত ক্যামিক্যাল বিষ গিলে ১০/২০/৩০ বছরে কবরে গেলো না। আর যেই পুস্টি দিয়ে শরীর তৈরী। তা খেলে কবরে যাবো? আচ্ছা গেলাম।
অনেক বাসায় ৫-১০ পদ ছাড়া খাইতেই পারে না। এত পদের খাবার খেয়ে যদি কিডনী লিভার না পচে। তাইলে সাপ্লিমেন্ট মানেও খাবার পুস্টি। এটা খেলেও ক্ষতি দুরের কথা অসুস্থতা ও দুর্বলতা কে ৩ তালাক মারা যাবে।
https://www.facebook.com/sabila.arfan.2025
==========
অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ভাইয়া 🙏💚
আপনার পরামর্শে D-balance 50000,
Menaquin 200 Mcg,
Doctor's Best Magnesium,
Trumega 1000,
Xinc OT দিয়ে শুরু করেছিলাম আজ ১৪তম দিন হবে শুরু করেছি আগের থেকে অনেক অনেক বেটার ফিল করেছি। আমি বেশ কয়েক জায়গার ঘাটাঘাটি করে তারপর দেখলাম ভাইয়া সঠিক পরামর্শই দিয়েছেন। অনেকেই অনেক কথা বলবে সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে হবে।
Arfan Hossain ভাইয়াকে কৃতজ্ঞতা জানানো জায়গায় থেকেই লেখাগুলো। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে ভালো কাজের জন্য উত্তর প্রতিদান দিক।
==========
জে কে লাইফস্টাইল কোন ওজন কমানোর প্রোগ্রাম না। পরিপুর্ন সুস্থ ও শক্তিশালী মুমিন মুমিনাহ হবার প্রোগ্রাম।
বর্তমান সময় কাপড়েও জে কে লাইফস্টাইল ফলো করতে হবে। কাপড় বা ফ্যাব্রিকের সাথেও সুস্থতা জড়িত।
বিষাক্ত কাপড় গুলো হচ্ছে Polyester, Nylon, Acrylic, Spandex, Rayon, Acetate, Viscose, Polyamide
ন্যাচারাল কাপড়গুলো হচ্ছে 100% Organic Cotton, Linen, Wool, Silk, Hemp, Bamboo, Leather, Cashmere
আপনি যদি বিষাক্ত ফ্যাব্রিক পড়েন তাহলে আপনার হরমোন নস্ট হবে। শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিক ঢুকবে। স্কিনে জ্বালাপোড়া হবে। আপনি যখন ঘামবেন তখন বিষাক্ত ক্যামিক্যাল যেমন Formaldehyde, PFAS, Phthalates, Heavy Metal শরীরে ঢুকবে। যা ক্যান্সাক্যর হতে সাহায্য করবে।
আপনি ভাবছেন দাজ্জাল খালি খাবার সরাইছে? এই যে স্যার প্রতিদিন সেমিনারে বলে আগের খাবার সরিয়েছে। অলরেডি কাপড়ও সরিয়ে ফেলছে। আমেরিকার দোকানে বিষাক্ত পলিএস্টার কাপড় দিয়ে সয়লাব করে ফেলেছে। একটা ১০০% কটন কাপড় খুজতে খুজতে ঘন্টা লেগে যায়। দাম তিনগুন। আপনারা বাংলাদেশের মানুষ সৌভাগ্যবান। ১০০% কটন সস্তায় পাবেন। তবে কটনেও প্রচুর ক্যামিকেল স্প্রে মারে। তাই পারলে অর্গানিক কটন ব্যাবহার করেন। না পেলে তো নাই। এজন্য গতবার বাংলাদেশ থেকে ১০০% কটন লেখা জামা কাপড় কিনে আনছি।
==========
Micro Ingredients এর সব প্রোডাক্ট ভালো না। এর বাইরের গুলো এভয়েড করবেন। যেগুলো ভালো সেগুলো হচ্ছে
Vitamin d3 50K K2 200mcg
Vitamin d3 10K K2 200mcg
Benfotiamine
Biotin 10mg (10K mcg)
Mega Probiotics
Women Probiotics
Zinc Carnosine
Super Enzymes
Astaxanthin 24mg
Magnesium Glycinate 350mg
Blood Booster
Methylated Multivitamin Men
Methylated Multivitamin Women
Liposoman NAD + Women Complex
Myo and D Chiro Inositol
D Ribose Powder
আশা করি বাংলাদেশে এগুলো আনবেন ইম্পোটাররা
==========
ভিটামিন ই ভেতর দুইটা অংশ থাকে। Tocopherol আর Tocotrienol. এই দুটো মিলে হয় ভিটামিন ই। আবার এই দুটার ভেতরই Alpha, Beta, Delta, Gama আছে। মানে ভিটামিন ই টোটাল ৮টা অংশ আছে। এই ৮টা মিলে হয় পরিপুর্ন ভিটামিন ই কমপ্লেক্স। প্রথমেই একটা কথা মাথায় ড্রিল দিয়ে ঢুকান। ভিটামিন ই চুল পড়ার জন্য না। যারা চুল পড়ার জন্য ই খান তারা চরম প্রতারিত হচ্ছেন। ই চুলের অন্য উপকার আছে। তবে পড়া বন্ধের জন্য লাগে বায়োটিন ১০। ই নয়।
ভিটামিন ই সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন গুন এটা রক্তনালীর জমাট বাধা রোধ করে বা থাকলে ক্লিয়ার করে। আর এই জমাট বাধা হার্ট এট্যাক স্ট্রোকের জন্য দায়ী। ই ঘাটতি হলে বুকে ব্যাথা করবে। হার্টের ক্ষতি হবে। ইনফেকশন রোধে ইর ভুমিকা আছে। গ্যংরিন রোধ করে। প্রদাহ কমায়। স্কিন বার্ন হিল করে। স্টেচ মার্ক বা স্কার দাগ কমায়। যেই বাচ্চারা বিছানায় বেশি পেশাব করে তার ই ঘাটতি আছে। ক্যান্সার রোধ করে। ভিটামিন ই কেনার সময় মাস্ট দেখবেন Tocopherol প্লাস Tocotrienol লেখা আছে কি না। শুধু Tocopherol না। সেই হিসাবে বাংলাদেশে মাত্র একটা ভিটামিন ই অথেনটিক আছে যার নাম Tocosoft. বাকি সব ভুয়া। আপনারা যারা অন্যগুলা খান তারা এভাবেই প্রতারিত হচ্ছেন। আমি সেগুলোর নাম বললাম না।
Tocosoft সব বয়সের সবাই খেতে পারবে। ৩-৪টা খেতে পারবে ডেইলি। এগুলো পুস্টি। কোন মেডিসিন নয়।
==========
প্রবাসীরা কিভাবে অথেনটিক ওলিভ ওয়েল কিনবেন?
সবসময় পিছনে লেখা দেখবেন
Ingredients :
Cold Pressed Extra Virgin Olive Oil
আর কিছু লেখা থাকা যাবেনা
❌❌Blend
❌❌Pomace
❌❌Light
❌❌Refined/Smooth
❌❌Classic
==========
doctors Best magnesium ২৪০ পিসটা বাংলাদেশে ৪৫০০ ছিলো প্রথমে। আমার পোস্টের পর একেতো সবখানে Stockout. যাদের আছে তারা নাকি সেটা ৬৫০০ চাচ্ছে। এর নাম অসভ্য লোভী চোরের দেশ বাংলাদেশ। আমি কিনি ২০০০ দিয়ে। এটাই অরজিনাল প্রাইস।
ভাবছিলাম আমার পোস্ট আপনাদের উপকার হচ্ছে। এখন দেখি বাটপারির আরেক ববসা শুরু করে দিছে। ==========
হার্টের রোগীদের জন্য মাস্ট সাপ্লিমেন্ট।
বেশির ভাগই বাংলাদেশের স্কয়ারের
ResQ 200mg
Tocosoft
Trumega
Ridel ER অথবা Niacin 1000mg
Doctors Best Magnesium Glycinate 420mg
Citra K
Levocar
যদি Statin গ্রুপের ওষুধ খান তাহলে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। নইলে কাজ করবে না। অবশই ফাস্টিং ইনসুলিন ৩/৪ এ আনতে হবে।
==========
যদি বাংলাদেশে জিংক না পান, তাহলে এই জিংক খাবেন, এটা বাংলাদেশে পাওয়া যায়।
আমার এখানে এটার দাম ৯০ পিস ১১০০ টাকা
Now এর উপরোক্ত প্রডাক্ট লো কোয়ালিটির।
Zinc Orotate এবং Zinc Sulfate দুটোই জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট হলেও, Zinc Orotate শরীর বেশি সহজে শোষণ করতে পারে এবং পেটের জন্যও তুলনামূলকভাবে সহনীয়, তবে দাম বেশি। অন্যদিকে, Zinc Sulfate সস্তা ও সহজলভ্য হলেও কিছু ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা করতে পারে। তাই যাদের পেট সংবেদনশীল বা ভালো শোষণযোগ্যতা চান, তাদের জন্য Zinc Orotate বেটার; আর সাধারণ জিঙ্ক ঘাটতি পূরণের জন্য Zinc Sulfate যথেষ্ট।
==========
নেন আপনাদের ঘুমের সহজ ন্যাচারাল সমাধান :
Magnesium Glycinate:
Doctors Best কিনলে ৪টা করে ডেইলি।
Now টা কিনলে ৪টা করে ডেইলি।
রাতে ঘুমের আগে খেতে হয়। এটা পুস্টি। তাই চাইলে আজীব
এক ভাই Sheikh Ishmam Ahmed এই ব্রান্ডের ওমেগা ৩ ফিশ ওয়েলের কথা বললেন। পরে ঘাটাঘাটি করে দেখলাম ফাটাফাটি একটা প্রোডাক্ট। আপনারা জানেন আমি কোন এক ব্রান্ডে থাকিনা। চেইন্জ করি। এই ফিশ ওয়েলটা আমার কাছে এখন পর্যন্ত নাম্বার ওয়ান মনে হইছে।
1 Wild Caught Fish
2 Heavy Metal Tested
3 rTG ফর্মে আছে যার শোশনের জন্য বেস্ট
4 প্রতি একটা সফ্টজেলে ৭৫০ EPA
5 DHA প্রতি সফ্টজেলে ২৮৫
6 মাছের জেলাটিন দিয়ে তৈরি (হালাল)
আমি সবসময় বলি প্রতি সফ্টজেলে EPA DHA মিলে অন্তত ১০০০ হয়ে। নইলে পুরো বেনিফিট পাবেন না। আর সবসময় EPA হাই দেখে কিনবেন। এই EPA মুলত প্রদাহ কমায়। হার্টের জন্য উপকারী। আর DHA হলো চোখের ও ব্রেনের জন্য উপকারী।
যারা বাইরে আছেন। এমাজনে ও আইহার্বে পাবেন। ১৮০ পিস বোতলের দাম ৫০ ডলার। হ্যা দাম বেশি কিন্তু এটা একটা খেলেই হবে। অনগুলো সস্তা পাবেন ২-৩-৪টা করে খেতে হবে। কি লাভ। আর এই rTG ফর্মটা অনেকেই বানায়না।
1 Wild Caught Fish
2 Heavy Metal Tested
3 rTG ফর্মে আছে যার শোশনের জন্য বেস্ট
4 প্রতি একটা সফ্টজেলে ৭৫০ EPA
5 DHA প্রতি সফ্টজেলে ২৮৫
6 মাছের জেলাটিন দিয়ে তৈরি (হালাল)
আমি সবসময় বলি প্রতি সফ্টজেলে EPA DHA মিলে অন্তত ১০০০ হয়ে। নইলে পুরো বেনিফিট পাবেন না। আর সবসময় EPA হাই দেখে কিনবেন। এই EPA মুলত প্রদাহ কমায়। হার্টের জন্য উপকারী। আর DHA হলো চোখের ও ব্রেনের জন্য উপকারী।
যারা বাইরে আছেন। এমাজনে ও আইহার্বে পাবেন। ১৮০ পিস বোতলের দাম ৫০ ডলার। হ্যা দাম বেশি কিন্তু এটা একটা খেলেই হবে। অনগুলো সস্তা পাবেন ২-৩-৪টা করে খেতে হবে। কি লাভ। আর এই rTG ফর্মটা অনেকেই বানায়না।
ফলিক এসিড নয়, ফলিনিক এসিড নয়প্রেগনেন্সি পুরো ১০ মাস খাবেন মিথাইল ফোলেট - দৈনিক একটাযাদের সামর্থ আছে ২টা করে খাবেন।এইজন্য দিন শেষে বাইরের সাপ্লিমেন্ট সস্তাএই একই বাইরেরটা অর্ধেক দাম।Qfol ১০০০ টাই বাংলাদেশের বেস্ট মিথাইল ফোলেট আপাতত
যে কোন বয়সের হার্টের রোগীদের জন্য নাম্বার ওয়ান হার্বের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। Hawthorn Berry যাদের বুকে ব্যাথা Angina, যে কোন ধরনের অনিয়মিত হার্টবিট আছে, পুর্ব হার্টের সমস্যা, হার্ট ফেইল, পুর্ব হার্ট এট্যাক, যারা সফরে থাকেন ও হাঠাৎ কিছু হবার ভয় আছে তাদের জন্য Hawthorn Berrry ভালো। প্রেশার কম থাকলে বাড়ায়। বেশি থাকলে কমায়। আর্টারি শক্ত হওয়া ঠিক করে। হার্ট রিলেটেড শ্বাসকস্ট থাকলে এটা হেল্প করে।
এটা হার্টকে শক্তিশালি করে। ব্যায়াম করার শক্তি বাড়ায়। এটা রক্তনালীতে প্রসারিত করে। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে। নালীর ভেতর অক্সিডেশন হওয়া থেকে রক্ষা করে।
এটা দৈনিক দুইটা করে ২ বেলা খেতে হয়। সব বয়সের সবাই খেতে পারবে। হার্টের রোগীরা ইনশাআল্লাহ উপকার পাবেন। Now এর কয়েক রকম Hawthron Berry আছে। 300mg লেখার বোতলটা নিবেন। ছবি দিয়ে দিলাম।
যারা ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট দির্ঘদিন খেয়ে নিজের ক্ষতি করে ফেলেছেন। এখন এটাকে নরমালে আনতে চাচ্ছেন। তারা কি করবেন? ১ কানে ধরবেন। আর জীবনেও কোনদিনও দরকার না হলে শুধু ডাক্তার বলেছে এই অযুহাতে ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট ভুলেও কিনবেন না। আগে ভিটামিন ডি ১০০+ আনবেন রিপোর্টে। তারপর ক্যালসিয়াম টেস্ট করবেন যদি কম আসে তখন খাবেন। আমার বিশ্বাস আসবে না। আমার কোনদিনও আস নাই। ২ এই স্পেশালি ফরমুলেটেড ভিটামিন কে২ খাবেন। ১ মাস খেতে পারেন বা ২ মাস খেতে পারেন। তারপর আর লাগবে না। এই ফরমুলাটা Life Extension ব্রান্ড ছাড়া আর কোন ব্রান্ড বানায় না। তাই এটাই খেতে হবে। ডেইলি ১টা ক্যাপসুল খেলেই হবে ফ্যাটি খাবারের পর। এটা যাদের হার্টের রোগী বা হাড্ডি নরম। হাড় ক্ষয়। তারা বেশি উপকার পাবে। এটা ক্যালসিয়ামগুলো হাড্ডিতে পৌছে দিবে। এটার দাম আমার এখানে ৩৫০০টাকা। বাংলাদেশে কত নিবে জানা নেই। কোথায় পাবেন তাও জানিনা। তবে আরোগ্যতে নেই। চেক করেছিলাম। যারা ইম্পোর্ট করে পেইজে যোগাযোগ করবেন।
আপনাদের বারবার বলতেছি ক্যালসিয়াম লেখা দেশি বিদেশী কোন ট্যাবলেট খাবেন না খাবেন না খাবেন না। ক্যালসিয়াম খাবার থেকেই যথেস্ট। ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খেয়ে আর নিজের ক্ষতি কইরেন না।
ক্যালসিয়ামের পোকা মাথা থেকে ফেলে ভিটামিন ডির পোকা মাথায় ড্রিল মেরে ঢুকান। বাংলাদেশের অর্ধেক রোগ নাই হয়ে যাবে। আর ঘ্যান ঘ্যান করবো না।
ভিটামিন ডি ১০০ + আনেন। খাবার থেকে ক্যালসিয়াম নেন। তারপর ক্যালসিয়াম টেস্ট করে দেখবেন যদি ঘাটতি থাকে তখন ক্যালসিয়াম ল্যাকটেট খাবেন। সমস্যা নেই।
সারা বাংলাদেশে ক্যালসিয়াম ঘাটতি কেনো জানেন? কারন কারও ডি ১০০+ নাই। ওই ৫-১০-১৫ রিপোর্ট দিয়ে যতই খাবার খান ক্যালসিয়াম ঘাটতি পুরন হবে না। আর ট্যাবলেট খেলে তো মহাবিপদ ডেকে আনলেন। এই সুত্রটা বুঝাতেই পারতেছিনা আপনাদের।
শুনেন হাড্ডির জন্য ক্যালসিয়াম খান না ? হাড্ডি ১২টা মিনারেল দিয়ে তৈরী। ক্যালসিয়াম একটা। বাকিগুলো কই? ১১টা ভ্যানিশ নাকি? আরেকটা কথা কে২ না খেলে হাড্ডি শক্ত জীবনেও হবে না। হাড় ক্ষয় ঠিক হবে না।
এই সুক্ষ প্রতারনাগুলো কবে আপনাদের মাথায় ঢুকবে আল্লাহই জানে। সব শেষ করে ঢুকায় কোন লাভ নাই।
==========
ফ্যাটি লিভারের বেস্ট সাপ্লিমেন্ট হচ্ছে Choline Bitartrate. Choline এক ধরনের বি ভিটামিন যা লিভারের চর্বি গলাতে সাহায্য করে। দৈনিক ৩ হাজার এমজি Choline খেতে হয় লিভারের চর্বি গলানোর পুর্ন উপকারিতা পাবার জন্য।
তবে একটা কথা ফ্যাটি লিভার কেনো হলো? ফল খেলে ফ্যাটি লিভার হবে। খেজুরও একটা ফল। মধুতেও ফ্রুকটোজ আছে। শর্করা খাবারে ফ্যাটি লিভার হয়। আপনি যদি আপনার খাবার ঠিক না করেন। সারাজীবন Choline খেয়ে কোন উপকার নেই।
তারপর রোজা রাখতে হবে। ফ্যাটি লিভারের চিকিসাই হচ্ছে রোজা। খাবার ঠিক করা। রোজা। আর Choline মিলে কয়েক মাসেই ফ্যাটি লিভার শেষ।
==========
Dr Mujibur Rahman Group, House Of Harmony
✨ California Gold Nutrition – D-Ribose Powder
শরীরের কোষের এনার্জি বাড়াতে ও ক্লান্তি কমাতে কার্যকর একটি প্রাকৃতিক সমাধান
D-Ribose কী?
D-Ribose হলো একটি প্রাকৃতিক শর্করা, যা আমাদের শরীরে ATP (Cellular Energy) তৈরি করতে সাহায্য করে। ATP কমে গেলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, হার্ট ও মাংসপেশির এনার্জি কমে যায়।
উপকারিতা:
✔️ কোষের এনার্জি (ATP) উৎপাদন বাড়ায়
✔️ দীর্ঘমেয়াদি ক্লান্তি ও দুর্বলতা কমাতে সহায়ক
✔️ হার্ট ও মাংসপেশির কার্যক্ষমতা উন্নত করে
✔️ ব্যায়ামের পর দ্রুত রিকভারি পেতে সাহায্য করে
✔️ মানসিক ও শারীরিক শক্তি ধরে রাখতে সহায়ক
🌿 পণ্যের বৈশিষ্ট্য:
🔹 Unflavored (কোনো কৃত্রিম স্বাদ নেই), Gluten, GMO ও Soy মুক্ত
🔹 Pure & High Quality Formula, প্রতিবার ৫ গ্রাম সার্ভিং
ব্যবহারবিধি:
প্রতিদিন ১ স্কুপ (৫ গ্রাম) পানি বা আপনার পছন্দের পানীয়ের সাথে মিশিয়ে নিন।
অর্ডার করতে, হেল্পলাইন: +8809639217090
WhatsApp: +8801623468819, +8801316757116, +8801604427818
ঠিকানা: ডাঃ মুজিবুর রহমান ক্যাসেল, ১৯৯/২, শান্তিবাগ, ঢাকা-১২১৭
৭৫০০ টাকা
==========
মায়েরা, ফলিক এসিড খাবেন না, ফলিনিক এসিড খাবেন না, এটা ভিটামিন বি৯ এর লো কোয়ালিটি ভার্সন, আপনার ও আগত বাচ্চার ক্ষতি হতে পারে
খাবেন বেস্ট কোয়ালিটি ভার্সন মিথাইল ফোলেট ১৫ এমজি ডেইলি একটা যথেস্ট
ভিটামিন বি৯ মিথাইল ফোলেট বাংলাদেশে বের করেছে ৪০০ মাইক্রোগ্রাম। আর আমেরিকাতে বের করেছে ১৫ এমজি। ১ মিলিগ্রাম সমান ১০০০ মাইক্রগ্রাম, ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ১৫ এমজিতে করতে ৩৭.৫ গুন খেতে হবে। এখন আমাকে বলেন আপনি বাংলাদেশের গুলো দৈনিক কয়টা খাবেন। এই যে দেশে এত এত লো ডোজে বানিয়েছে। আপনারা আদৌ সুস্থ হবেন? আদৌ রিয়েল উপকার পাবেন? নাকি টাকাই নস্ট করবেন?
আর যদি বলেন ১৫ এমজি অনেক হাই। তো আমেরিকা কোম্পানীগুলো ওপেনলি বের করলো কিভাবে। আমিতো ইজিলি কিনতে পারছি। এটা কোন ইমার্জেন্সিও সাপ্লিমেন্টও না।
==========
ঠিক একইভাবে বি কমপ্লেক্স কেনার সময়ও সবসময় খেয়াল করবেন Methylated বা Bioactive লেখা আছে কিনা। না লেখা থাকলে জাস্ট ফেলে দিবেন।
এখন পর্যন্ত এটা আমার দেখা আমেরিকার মার্টেকের নাম্বার ১ হাই কোয়ালিটি বি কমপ্লেক্স। আমার কাছে কোন ব্রান্ড ইম্পরটেন্ট না। ভেতরে কি আছে সেটা মেইন। আমি ঘন ঘনই ব্রান্ড চেইন্জ করি। যখন যেটা আরও উন্নত পাই তখন সেটাই নেই।
কারন আর যত বড় ব্রান্ডই হউক। কেউ বি কমপ্লেক্সে ভিটামিন বি১ Benfotiamine ব্যাবহার করে না। ১০০% সবাই Thiamine ব্যাবহার করে। অথচ Thiamine এর চেয়ে Benfotiamine আরও বেশি ভালো কাজ করে বি১ ঘাটতি পুরনে। বেস্ট থাকতে কেনো নরমালটা নিবো?
এটার সিরাপও পাওয়া যায়। আমার বাচ্চাকে এইটার সিরাপটা খেতে দেই যার ভেতর অর্গানিক স্টেভিয়া দেওয়া। মিস্টি হওয়াতে ও খুব মজা করে খায়। দৈনিক ২ মিলি করে। এটা মার্কেটে নতুন আসছে। তাই এমাজন ছাড়া আপাতত আর কোথাও পাবেন না।
==========
প্রোবায়টিকস যেমন ছেলেদেরও হয় তেমন মেয়েদেরও হয়
যদিও এটা যে কেউই খেতে পারবে। সব বয়স। সবসময়। আজীবনই খেতে পারেব। ইচ্ছা। মেয়েদেরগুলোতে তাদের Vaginal health, Hormone health, Mental Health এসব নিয়ে একটু আলাদা ফরমুলেশন করা থাকে।
আর হ্যা স্বাভাবিকভাবে প্রোবায়টিকস ফ্রীজে বা ঠান্ডা স্থানে রাখতে হয়। তবে মর্ডান টেকনলজি Lyophilization বের হইছে যেটাতে ফ্রীজে রাখতে হয় না। রেগুলার ঠান্ডা স্থানে রাখলেই হয়।
তাই ইদানিং অনেক প্রোবায়টিকস এ লেখা থাকে No Refrigeration Needed
এই উইমেন প্রোবায়টিকস এ আবার Cranberry এড করা যাতে UTI না হয় বা হলেও ভালো করতে সাহায্য করে। ৪০ জাতের গুড ব্যাক্টেরিয়া।
যে কোন মাল্টিভিটামিন কেনার সময় গায়ে অবশ্যই “Methylated “ অথবা “Highly Bioavailable” এইটা লেখা ছাড়া কখনও কিনবেন না, তাহলে আপনি ১০০% প্রতারিত হবেন, যত বড় ব্র্যান্ড বা যত লাখ টাকার প্রোডাক্ট হউক
এই লেখা না থাকলে জাস্ট ফেলে দিবেন।
“Clean Ingredients Only”
এই কথাটা পছন্দ হইছে জনগন সচেতন হলে কোম্পানীগুলো এমনেই সচেতন হবে
তাই তো আমার এই পর্ব ভিত্তিক পোস্টগুলো এটা বাংলাদেশে পাওয়া যায় না
অনলাইনে আই হার্ব ও এমাজনে পাবেন। দৈনিক ২-৪টা খেতে পারবেন।
একটা অভিগ্গতা বলি? বাইরের যত বড় বেশি জনপ্রিয় ব্রান্ড হয় ওটা তত বেশি দুই নাম্বার হয়। জনপ্রিয়তাই সবসময় সঠিকের মাপকাঠি হয় না।
I dont care about any brand
All I see is clean and bioactive ingredients
আরও ব্যাপার সেপার আছে।
চুল পড়া বন্ধের জন্য এটা ডেইলি একটা করে খেতে হবে।
চুল পড়া বন্ধের জন্য খেতে হয় বায়োটিন ১০ এমজি
সাথে Hyaluronic Acid চুলের রুক্ষতা কাটাবে
❌ভিটামিন ই নয়❌
শরীরের পুস্টি ঠিক না করে যতই বাহ্যিক চিকিৎসা করেন
ফলাফল শুন্য
টাকাই পানিতে
এটা আবার নারিকেল তেল এড করা
ঘ্রানটা সেই
এক প্যাকেটেই ৩৬৫ দিন মানে সারা বছর চলে যাবে
==========
নারীরা যারা সুন্দরী হতে চান
বয়স ধরে রাখতে চান
Dont Miss This !!!!
১০ বছর থেকে ১০০ বছর (সারাজীবন) পর্যন্ত মেয়েদের প্রাকৃতিক সুন্দরী থাকতে পুস্টির গুরুত্ব অপরীসিম। কসমেটিকস বা ট্রিটমেন্ট হচ্ছে বাহ্যিক যা টেমপোরারী। টাকাই নস্ট হয়। কাজের বেলার শুন্য। আজ সমস্ত মেয়েদের ভেতর থেকে প্রাকৃতিক সুন্দরী থাকার বয়স ধরে রাখার সাপ্লিমেন্ট পরিচয় করা দিচ্ছি।
Micro Ingredients আসলেই যা বের করতেছে। পুরোই মার্কেট কাপাচ্ছে। ওদের ফরমুলা দেখলে নিজেরই মাথা নস্ট লাগে। এই প্রোডাক্টটার ভেতর ১২ রকম জরুরী উপাদান দেওয়া যা মেয়েদের ভেতর থেকে সুন্দরী করবে। চুলে চেহারায় স্কিনে সব জায়গায় গ্লেজ দিবে। ৫০ বছরেও ২৫ বছর তরুনী লাগবে। এগুলো সবাই কম বেশ চিনেন। তবে ১২টা একটা ক্যাপসুলে এই প্রথম বের হইছে। প্রোডাক্টটার বয়স মাত্র ৫ মাস। সামনে এটা মানুষ চিনলে দাম ডাবল হয়ে যেতে পারে। কি কি আছে এক ভেতর?
Astaxanthin, Collagen Peptides, Hyaluronic Acid, Biotin, Magnesium Glycinate, Methyl Folate, Pyridoxal 5 Phosphate, NAD, Resveratol, CoQ10, Glutathione, Grape Seed Extract
এটা খাওয়ার নিয়ম দৈনিক ৩টা ক্যাপসুল একসাথে সকালে। ৩টা ক্যাপসুল একসাথে রাতে। খাবারের পর। ১ বোতল ১ মাস যাবে। এটা নতুন প্রোডাক্ট তাই আই হার্বে পাওয়া যাবে না। একমাত্র USA Amazone পাবেন। এটা ভাইরাল হবার আগেই সংগ্রহ করে রাখুন। যারা এটা চিনবে হুমড়ি খেয়ে কিনবে। ১০ থেকে ১০০ বছর সব মেয়েরা খেতে পারবে। অযথা ডাক্তার ও ভুয়া প্রোডাক্টে টাকা নস্ট কইরেন না।
যারা আমেরিকা থাকেন বা যাদের আত্মীয় আমেরিকা থাকেন তাদের ঘরে এই প্রোডাক্ট না থাকা আসলেই বোকামি।
স্যার Coenzyme Q10 কথা সবসময় বলেন হার্টের রোগীদের। বাংলাদেশের ছবি একটা দিলাম। বাইরের একটা ছবি দিলাম।
হার্টের যে কোন রোগীরা একটা ২০০ এমজি দৈনিক খেতে পারবেন। যতদিন ইচ্ছে। তবে Statin ড্রাগ বন্ধ না করলে এটা কোন উপকারে আসবে না। ৪০ এর পর থেকে সবারই খাওয়া উচিত কারন বয়সের সাথে সাথে এটা শরীরে কমতে থাকে।
এটা হার্টে শক্তি তৈরী করে। কোষের ডেমেজ থাকলে রিপেয়ার করে।
==========
যাদের Gastritis বা আলসার আছে তারা Zinc Carnosine খেতে হবে ৩ মাস। একদম পুরো ভালো হয় যাবে।
আমার আগে Gastritis ছিলো। পেট জ্বলতো। এটা খেয়ে সব ভালো হয়ে গেছে।
Micro Ingredients তো কথাই নাই। আরও ১০ রকম প্রাকৃতিক হার্বস যোগ করেছে যাতে পুর্ন বেনিফিট মেলে।
এটা দৈনিক ২টা একসাথে সকালে খালি পেটে খেতে হবে। এবং ৩০ মিনিট সময় দিতে হবে এটা কাজ করতে।
তবে একটা কথা মনে রাখবেন যতই সাপ্লিমেন্ট গিলেন। যদি সয়াবিন তেল, ভেজিটেবল ওয়েল, সানফ্লাওয়ার, রাইস ব্রান ইত্যাদি বাজে তেল বাদ না দেন। ভাজা পোড়া বাদ না দেন। তাহলে কোন উপকার নেই।
==========
ভাইয়া, এইটা প্রতিদিন সকালে, খাবার সাথে ১টা করে খাচ্ছি, আপনি বলেছেন ২৪ মিগ্রা ১টা করে খেতে, কয়টা খেল ভাল হবে?
==========
কিডনী ভালো আছে কি না। ঠিক ভাবে কাজ করছে কিনা তার বেস্ট পরিক্ষা হচ্ছে EGFR.. সেরাম ক্রিয়েটিনিন না।
EGFR মানে হচ্ছে আপনার কিডনী কত পার্সেন্ট কাজ করছে। যদি রিপোর্ট আসে ১০০ তাইলে ১০০% কাজ করে। যদি রিপোর্ট আসে ১৫ তাইলে ১৫% কাজ করতেছে। সবাই ক্রিটেনিন নিয়ে পরে থাকে অথচ ক্রিয়েটিনিন যখন আসলেই বাড়ে ততদিনে কিডনী অনেক খানি ডেমেজ হয়ে গেছে।
EGFR আর Creatinine হচ্ছে Insulin আর সুগার টেস্ট মত। ইনসুলিন বাড়ার ১০-১২ বছর পরে সুগার বাড়ে।
EGFR কমার অনেক বছর পরে ক্রিয়েটিনিন বাড়ে। তাই সবসময় EGFR চেক করবেন। তাইলে বুঝবেন কিডনী কতটুক সচল আছে। আপনি কি ডেমেজের অপেক্ষায় থাকবেন?
যারা ঘন ঘন ব্যাথার বড়ি খান তারা রিস্কে আছেন। যারা ঘন ঘন এন্টিবায়টিক খান তারা রিস্কে আছেন। যারা প্রেশারের মেডিসিন খান তারা রিস্কে আছেন। যারা পেশাব আটকান বেশি সময় তারা রিস্কে আছেন।
EGFR (Estimated Glomerular Filtration Rate)
==========
আল্লাহ আমাদের শরীরে কোন কিছুই অপ্রয়োজনিয় দেয় নাই। সব কিছুরই কাজ আছে। তেমন হলো গল ব্লাডার বা পিত্তথলী। আমাদের ডাক্তাররা ঠাস করে পিত্তথলী ফেলে দেন। কি হয় ফেলে দিলে?
ফ্যাট হজম হবে না। কোস্টকাঠিন্য। ডায়রিয়া। গ্যাস। পেট ফাপা। পেট ব্যাথা। হলুদ স্কিন বা চোখ। হাইপোথাইরয়ড। ডান শোলডার চাইট হয় থাকা ইত্যাদি।
যারা ফেলেই দিছেন তারা কি করবেন? urso 300 আজীবন খেতে হবে ফ্যাটি খাবারের সাথে একটা করে। যখনই খাবেন এটা এড করতে হবে। এটাই ফেলে দেওয়ার শাস্তি। আশা করি উপকার পাবেন।
যাদের পিত্তথলী ছোট পাথর আছে তারাও এটা ১টা করে ৩ বেলা খেয়ে দেখতে পারেন। ছোট হলে আশা করি গলে যাবে। খুব বেশি বড় হলে হয়তো কাজ করবে না।
(> ভাই জান, এখনো অপসারণ করিনি।কিন্তু পাথর দূর করার উপায় ঠিক মত আমি পাচ্ছি না।আপনি জেনে থাকলে বলে দিলে উপকৃত হতাম।
> এটা একটা করে ৩ বেলা খান। দেখেন উপকার হয় কি না)
(> কিডনিতে পাথর না হওয়ার জন্য কি খাওয়া যেতে পারে স্যার। ৪ মাস আগে অপারেশন করে পাথর অপসারণ করা হয়েছে
> ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট বাদ দিন)
==========
বায়োটিন লাড্ডু
আমরা সবাই চাই আমাদের চুল ঘন কালো হোক, ত্বক উজ্জ্বল থাকুক এবং নখগুলো হোক মজবুত। কিন্তু বর্তমানের ব্যস্ত জীবনযাত্রা, দূষণ এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে আমাদের শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না। এর ফলে চুল পড়া, ত্বক নিষ্প্রভ হয়ে যাওয়া এবং নখ ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো ঘরে ঘরে দেখা যায়। এই সমস্যাগুলোর পেছনে একটি বড় কারণ হলো শরীরে নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিনের অভাব, যার মধ্যে অন্যতম হলো ‘বায়োটিন’।
সহজ কথায়, বায়োটিন হলো ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স পরিবারের একটি অংশ, যাকে ভিটামিন বি৭ (Vitamin B7) বা ভিটামিন এইচ (Vitamin H)-ও বলা হয়। আমাদের শরীর খাবার থেকে যে শক্তি পায়, সেই প্রক্রিয়ায় বায়োটিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তবে এর সবচেয়ে বড় গুণ হলো, এটি আমাদের চুল, ত্বক এবং নখের স্বাস্থ্যের প্রধান কারিগর। শরীরে পর্যাপ্ত বায়োটিন থাকলে চুলের গোড়া মজবুত হয়, চুল দ্রুত লম্বা হয় এবং ত্বকের ভেতরের উজ্জ্বলতা বজায় থাকে। কিন্তু মুশকিল হলো, আমাদের শরীর বায়োটিন জমিয়ে রাখতে পারে না, তাই প্রতিদিনের খাবারের মাধ্যমেই এর চাহিদা পূরণ করতে হয়।
বাজারে বায়োটিনের অনেক ট্যাবলেট বা সাপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়। কিন্তু আমরা অনেকেই ওষুধের বদলে প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ থাকতে পছন্দ করি। ঠিক এই ভাবনা থেকেই ‘বায়োটিন লাড্ডু’র জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এটি কোনো ওষুধ নয়, বরং এটি হলো বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান দিয়ে তৈরি এক ধরণের সুস্বাদু মিষ্টি, যা আপনার মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা পূরণ করার পাশাপাশি শরীরের বায়োটিনের অভাবও দূর করবে। এটি স্বাস্থ্য এবং স্বাদের এক দারুণ সমন্বয়।
বায়োটিন লাড্ডুর মূল রহস্য লুকিয়ে আছে এর উপকরণগুলোর মধ্যে। এটি মূলত বিভিন্ন ধরণের বাদাম এবং বীজ দিয়ে তৈরি করা হয়, যা প্রাকৃতিকভাবেই বায়োটিনের খনি। সাধারণত এই লাড্ডুতে যা যা থাকে:
১. বিভিন্ন ধরণের বাদাম (Nuts): বিশেষ করে আমন্ড (কাঠবাদাম) এবং আখরোট। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে বায়োটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ভিটামিন ই থাকে, যা ত্বক ও চুলের জন্য অপরিহার্য।
২. বিভিন্ন ধরণের বীজ (Seeds): সূর্যমুখীর বীজ, কুমড়োর বীজ এবং তিসির বীজ (Flax seeds) এই লাড্ডুর প্রধান আকর্ষণ। এই বীজগুলো আকারে ছোট হলেও পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং বায়োটিনের চমৎকার উৎস।
৩. মিষ্টির বিকল্প: এই লাড্ডুকে স্বাস্থ্যকর রাখতে সাধারণত চিনি ব্যবহার করা হয় না। মিষ্টির জন্য ব্যবহার করা হয় নরম খেজুর বা খাঁটি গুড়। খেজুর শুধু মিষ্টিই করে না, এটি আয়রনেরও ভালো উৎস।
৪. বাইন্ডিং এজেন্ট: সব উপকরণকে একসাথে ধরে রাখতে এবং পুষ্টিগুণ বাড়াতে সামান্য পরিমাণে খাঁটি গাওয়া ঘি ব্যবহার করা হয়।
প্রতিদিন একটি করে বায়োটিন লাড্ডু আপনার স্বাস্থ্যের রুটিনে যোগ করলে আপনি নানাবিধ উপকার পেতে পারেন:
এটি চুলের গোড়া মজবুত করে, যার ফলে অতিরিক্ত চুল পড়া কমে যায়।
এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, যার ফলে ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল বা গ্লোয়িং দেখায়।
শক্তিশালী নখ: যাদের নখ সহজেই ভেঙে যায় বা ফেটে যায়, তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী।
বাদাম, বীজ এবং খেজুর থাকার কারণে এই লাড্ডু তাৎক্ষণিক শক্তি যোগায়। বিকেলের নাস্তায় এটি একটি দারুণ স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে।
খুব সহজেই বাড়িতে এই লাড্ডু বানানো সম্ভব। সমপরিমাণে আমন্ড, আখরোট, কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ ও সামান্য তিসি শুকনো কড়াইয়ে হালকা ভেজে নিন (ড্রাই রোস্ট)। ঠান্ডা হলে মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিন। এবার বীজ ফেলে দেওয়া নরম খেজুর মিক্সিতে পেস্ট করে নিন। একটি পাত্রে বাদাম-বীজের গুঁড়ো, খেজুরের পেস্ট এবং সামান্য গরম ঘি একসাথে ভালো করে মেখে ছোট ছোট লাড্ডুর আকার দিন। ব্যস, তৈরি আপনার স্বাস্থ্যকর বায়োটিন লাড্ডু!
বায়োটিন লাড্ডু নিঃসন্দেহে আমাদের চুল ও ত্বকের যত্নে এক দারুণ সংযোজন। তবে মনে রাখবেন, এটি কোনো জাদুর কাঠি নয়। ভালো ফল পাওয়ার জন্য এই লাড্ডু খাওয়ার পাশাপাশি সুষম খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত জল পান করা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিদিন একটি করে এই সুস্বাদু লাড্ডু খেয়ে দেখুন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হয়তো আপনি নিজের মধ্যে এক ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন।
নিলুফার ইয়াসমিন দিপা, ফুড এন্ড নিউট্রিশন
==========
পিত্তথলি পরবর্তী দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়ার মূল দিক
সংজ্ঞা/প্রক্রিয়া: পিত্তথলি ছাড়া, পিত্ত যকৃত থেকে সরাসরি ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবাহিত হয়, যা রেচক হিসেবে কাজ করে, অন্ত্রে জ্বালাপোড়া করে এবং ঘন ঘন, আলগা বা জলযুক্ত মল সৃষ্টি করে।
লক্ষণ: এই অবস্থা প্রায়শই পোস্ট-কোলেসিস্টেক্টমি সিনড্রোমের অংশ, যার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, ফোলাভাব, চর্বিযুক্ত/তৈলাক্ত মল (স্টিটোরিয়া) এবং বদহজম অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
কারণ (ড. বার্গের দৃষ্টিভঙ্গি): মৌলিক সমস্যা হল পিত্তের জন্য একটি সংরক্ষণকারী অঙ্গের অভাব, যার ফলে পিত্ত অন্ত্রে প্রবেশ করে, যা খারাপ খাদ্যাভ্যাস বা সাধারণভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কম জিঙ্কের কারণে আরও খারাপ হতে পারে।
সময়কাল: যদিও কেউ কেউ এটি অল্প সময়ের জন্য অনুভব করেন, অনেকের জন্য, এটি মাস বা বছর স্থায়ী দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হয়ে ওঠে।
ড. বার্গের প্রস্তাবিত খাদ্যতালিকা/জীবনধারা পদ্ধতি
পরিশোধিত পিত্ত লবণ গ্রহণ করুন: চর্বি হজমে সহায়তা করতে এবং অন্ত্রের উপর বোঝা কমাতে।
কম কার্বোহাইড্রেট, পরিমিত ফ্যাট/প্রোটিন: অতিরিক্ত পিত্ত নিঃসরণ ঘটায় এমন উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
ফাইবার বৃদ্ধি করুন: অতিরিক্ত পিত্তকে বাঁধতে সাহায্য করার জন্য ফাইবার অন্তর্ভুক্ত করুন।
সহায়ক Supplement: পিত্ত উৎপাদন নিয়ন্ত্রণের জন্য লিভারকে সমর্থনকারী পুষ্টি (যেমন, মিল্ক থিসল, ড্যান্ডেলিয়ন গ্রিনস, আর্টিচোক) গ্রহণের কথা বিবেচনা করুন।
অনেক পণ্যই শুধুমাত্র মিল্ক থিসল বা আর্টিচোক; কিন্তু পিত্ত লবণের কাজ (Ox Bile/TUDCA) করার মতো ফর্মুলা সব সাপ্লিমেন্টে থাকে না। যদি আপনার বিশেষত পিত্ত-ফ্লো বা ফ্যাট হজমে সহায়তা দরকার হয়, তাহলে TUDCA বা Ox Bile-যুক্ত ফর্মুলা (যেমন Clean Nutraceuticals ডিটক্স ক্যাপসুল) আপনার জন্য বেশি উপযোগী।
জিঙ্ক ঘাটতি পুরণে কোন জিঙ্ক (যেমন Zinc Picolinate, Zinc Gluconate , Zinc Oxide) খাওয়া ভাল যা কিনা শরীর ভাল মত শোষণ করিতে পারে?
জিঙ্ক ঘাটতি পূরণের ক্ষেত্রে সব জিঙ্ক এক রকম নয়। পার্থক্যটা মূলত শরীর কতটা ভালোভাবে শোষণ করতে পারে তার উপর নির্ভর করে। নি
১) Zinc Picolinate — ⭐ সবচেয়ে ভালো পছন্দ
এটি জিঙ্কের সাথে picolinic acid যুক্ত থাকে, যা শরীরে জিঙ্ক পরিবহনে সাহায্য করে।
কেন ভালো
শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি
অন্ত্রে কম জ্বালা করে
দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতি পূরণে কার্যকর
কাদের জন্য উপযুক্ত
দীর্ঘদিনের জিঙ্ক ঘাটতি
হজম দুর্বল
পিত্তথলি অপসারণের পর হজম সমস্যা আছে এমন ব্যক্তি
২) Zinc Gluconate — ভালো ও নিরাপদ
এটি তুলনামূলকভাবে মৃদু ফর্ম।
কেন ভালো
শোষণ মোটামুটি ভালো
পাকস্থলীতে কম সমস্যা করে
স্বল্প থেকে মাঝারি ঘাটতিতে উপযোগী
সীমাবদ্ধতা
Picolinate এর চেয়ে শোষণ কিছুটা কম
নিয়মিত ব্যবহারযোগ্য, তবে গভীর ঘাটতিতে দ্বিতীয় পছন্দ।আপনার বর্ণিত অবস্থার জন্য এটি প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত।
৩) Zinc Oxide — ❌ এড়িয়ে চলাই ভালো
এটি সবচেয়ে সস্তা ও কম শোষিত ফর্ম।
সমস্যা
শোষণ খুব কম
অধিকাংশই মলের সাথে বের হয়ে যায়
প্রকৃত ঘাটতি পূরণে কার্যকর নয়
সাধারণত মাল্টিভিটামিনে থাকে, কিন্তু থেরাপিউটিক কাজে উপযোগী না।
কখন খাবেন:
খালি পেটে শোষণ ভালো হয়
কিন্তু গ্যাস্ট্রিক হলে হালকা খাবারের পর
আয়রন বা ক্যালসিয়ামের সাথে একসাথে খাবেন না
বাংলাদেশে জিঙ্ক (Zinc) ঘাটতি পূরণে বিশেষভাবে শোষণ ভালো এমন “Zinc Picolinate” ফর্মের নিচের সাপ্লিমেন্টগুলো ভালো অপশন হিসেবে পাওয়া যায়:
ভালো Zinc Picolinate সাপ্লিমেন্ট
NOW Foods Zinc Picolinate 50 mg
উচ্চ শোষণযোগ্য Zinc Picolinate ফর্ম।
USA-মেড এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ব্র্যান্ড।
বাংলাদেশে অনলাইন/ডেলিভারি মাধ্যমে পাওয়া যায় (Daraz/Rokomari/BeHealthyBD)।
Nutricost Zinc Picolinate 50 mg
বড় প্যাক (240 ক্যাপসুল) দেওয়া হয়, তাই দীর্ঘমেয়াদি সাপ্লিমেন্টেশনের জন্য সুবিধা।
শরীর ভালোভাবে শোষণ করতে পারে বলে অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীর রিভিউ পাওয়া যায়।
Swanson Zinc Picolinate 22 mg
অল্টারনেটিভ অপশন যেখানে প্রতি ক্যাপসুলে 22 mg Zinc থাকে।
USA-ব্র্যান্ড, তুলনামূলকভাবে কম ডোজ হলেও bioavailable।
Osavi Zinc Picolinate 50 mg
পিকোলিনেট ফর্মে 50 mg Zinc, ইউরোপিয়ান মানের ফর্মুলা।
বাংলাদেশে সরাসরি ইমপোর্টেড আকারে পাওয়া যায়।
Zinc Picolinate শরীরে সবচেয়ে বেশি শোষিত Zinc ফর্মগুলোর মধ্যে একটি, তাই ঘাটতি পূরণে কার্যকর।
ডোজ সাধারণত ২০-৫০ mg/day পর্যন্ত নেওয়া হয়; তবে নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিক্রম।
অন্যান্য খনিজ (যেমন ক্যালসিয়াম, আয়রন) সঙ্গে একসাথে নেওয়ার পরিমাণ কমিয়ে নিলে শোষণে প্রভাব পড়ে, তাই আলাদা সময়ে নেওয়া ভাল।
==========
ক্রিয়েটিন বোধহয় সবচেয়ে বেশি পরিক্ষিত আর গুরুত্বপূর্ণ এক সাপ্লিমেন্ট! এটা শুধু শরিরের এনার্জি বাড়ায় না, ব্রেইনের শক্তিও বাড়ায়।
এমেজিং এক সাপ্লিমেন্ট!
কখন খাবেন-✔ সবচেয়ে ব্যবহারিক সময় 👉 ব্যায়ামের পরে কারণ: পেশি তখন পুষ্টি শোষণে বেশি প্রস্তুত, ইনসুলিন সেনসিটিভিটি ভালো থাকে বিকল্প ব্যায়ামের আগে (শক্তি ফোকাস চাইলে) Rest day-এ যেকোনো সময় ডোজ (বাস্তব গাইড)- সাধারণ নিয়ম 👉 3–5 গ্রাম (3 g = প্রায় ½ – ¾ চা চামুচ প্রায়) লোডিং ফেজ দরকার নেই। নিয়মিত ছোট ডোজই যথেষ্ট। কীভাবে খাবেন- পানি / জুস / প্রোটিন শেকের সাথে গরম পানিতে সহজে গলে প্রতিদিন একই সময় নিলে অভ্যাস স্থির হয়
==========
অশ্বগন্ধা আমরা অনেকেই চিনি। এটা বিশ্বের নাম্বার ওয়ান এডাপটোজেন ও আল্লাহর দেওয়া প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্ট যা আপনার স্ট্রেসকে দুর করে।
এটা আপনাদের সাথে শেয়ার করার উদ্দেশ্য হলো। আমরা সবাই কম বেশি টেনশন অস্থিরতার মেডিসিন খাই। মেডিসিন হচ্ছে ক্যামিক্যাল যা আর্টিফিশিয়াল ভাবে ল্যাবে তৈরী করা একটা সিনথেটিক ড্রাগ। আর সাপ্লিমেন্ট হচ্ছে আল্লাহর দেওয়া প্রাকৃতিক সমাধান যা প্রকৃতিতেই পাওয়া যায়। মেডিসিনের অনেক ক্ষতি আছে। দীর্ঘদিন মেডিসিন ব্যাবহারে ব্রেনের, লিভারের ও কিডনীর ক্ষতি হয়। কারন ওগুলো শরীর চিনেনা।
যদি দুশ্চিন্তা অস্থিরতার যদি প্রাকৃতিক সমাধান থাকে আমি কেনো মেডিসিন খাবো। অশ্বগন্ধা এটার বেস্ট সলিউশন। বাজারে অনেক রকম অশ্বগন্ধা আছে। কিন্তু এটা লেটেস্ট ভার্সন করেছে। যাদের ডীপ স্ট্রেস তাদের জন্য অশ্বগন্ধার মুল উপাদানটা এক্সট্রাক্ট করা হয়েছে। যাতে ৭-৩৫ গুন কার্যকারী হয়।
Renxit, Frenxit, Melixol, Amilin, Tryptin, সহ যত এন্টি ডিপ্রেসেন্ট মেডিসিন আছে এগুলো খেয়ে নিজের ব্রেনের ক্ষতি না করে প্রাকৃতিক অশ্বগন্দ্ধা খান। উপকারটা নিজেই টের পাবেন।
আমার লাইফেও স্ট্রেস আছে। আমি দৈনিক একটা করে খাই। সারাদিন স্ট্রেস মুক্ত থাকি। বা স্ট্রেসের সময় খেলে একদম ফ্রেশ লাগে। চাইলে একটা করে ২ বেলাও খেতে পারেন। একটা দিয়ে শুরু করে দেখতে পারেন।
আমার চাওয়া একটাই। প্রকৃতি অর্গানিকে ফেরত যাওয়া। কেমিক্যালকে নো বলা।
By Arfan Hossain
মাইগ্রেনের জন্য বেস্ট সাপ্লিমেন্ট হচ্ছে ভিটামিন বি২ রিবোফ্লাভিন। এটা দৈনিক ১টা করে ২ বেলা খেতে হবে। আর মাইক্রোর নারিকেল তেল দিয়ে বানানোর কারনে ঘ্রানটা আরও সুন্দর হয়। মাইক্রো কোম্পানীটা আসলে সাপ্লিমেন্টও এত মজাদার চলকেটের মত ইনজয় করে খাওয়া যায় সেই একটা পরিবর্তন এনে দিয়েছে।
মাইগ্রেনের আরেকটা কারন হতে পারে সোডিয়ামের ঘাটতি। তাই সবসময় পানি পানের সময় হিমালয়ান পিংক সল্ট এড করে খাবেন। লবন খেলে প্রেশার বাড়েনা। প্রেশার বাড়ায় ইনসুলিন। ইনসুলিনটা ৩ এ আনুন। যতই লবন খান জীবনেও প্রেশার বাড়বে না।
রিবোফ্লেভিন বি২ এর ঘাটতি হলে জিহ্বা ঘা হয়ে লাল হয়ে ব্যাথা করবে। ঠোট ফাটবে। পায়ের গোড়ালি ফাটবে। মুখের কোনায় ফাটবে ঘা হবে। নাকের কোনায় তেলতেলা হবে। চোখে সমস্যা হবে। দুরের দৃস্টি কমে যাবে। এনাল ফিশার হতে পারে।
By Arfan Hossain
==========
ফ্যাটি লিভারের জন্য বেস্ট সাপ্লিমেন্ট by Arfan Hossain
Choline হচ্ছে এক ধরনের ওয়াটার সলিউবল বি ভিটামিন। কলিনের কাজ লিভারের ফ্যাট গলানো। এটা দৈনিক ৫টা করে একসাথে ২ বেলা খেতে হবে।
তবে এখানে একটা কথা। ফ্যাটি লিভার কেনো হলো? এটা আগে ঠিক না করে শুধু এটা খেয়ে কোন লাভ নেই। শুধু মাইনাস করলেই হবে? প্লাসটা আগে আটকাতে হবে। কি কি খাবারে ফ্যাটি লিভার হয়।
এক নাম্বার। সব রকমের ফল। ফলের চিনিকে বলে ফ্রুকটোজ। এই ফ্রুকটোজের চিনি যেটা ব্যাবহার হয়না সেটা লিভারে যেয়ে জমে চর্বি হয়ে। খেজুর, মধু, চিনি, গুড় সহ সব রকম ফলে ফ্রুকটোজ আছে।
দ্বিতীয়তঃ অব্যাবহৃত শর্করা। যেমন ভাত, রুটি, ফল, দুধ, চিনি, চিড়া, মুড়ি, ডাল, ছোলা ইত্যাদি যত শর্করা আছে সেগুলো যদি জমে সেটা থেকেও ফ্যাটি লিভার হবে।
তাই মা বোনেরা এভারেজে সবাই ওজন ৫০ এ নিয়ে আসুন। ফ্যাটি লিভার চলে যাবে। Choline মেইনলি সাপোর্ট দিবে। এটাই সব না।
আর্থ্রাইটিস বা যে কোন ধরণের জয়েন্ট পেইনের জন্য কি কি পুস্টি লাগবে?
By Arfan Hossain
1. D3 10000 k2 200
2. Niacinamide
3. Glucosamine Chondroitin
ভিটামিন সি কখনই Ascorbic Acid লেখা দেখে কিনবেন না। ভিটামিন সি ও Ascorbic Acid এক জিনিষ নয়। এটা একটা ধোঁকা । নকল জিনিষ বাজারে দিয়ে ধোঁকাবাজি। আপনার ভিটামিন সি তে যদি Ascorbic Acid লেখা থাকে জাস্ট ফেলে দিবেন।
আমি খাই Triquetra ব্রান্ডের USDA Organic ফল থেকে বানানো ভিটামিন সি। এটা শরীরে সত্যিকারের উপকার দিবে। আপনারা ঐসব সিভিট খেয়ে প্রতারিত হইয়েন না।
এটা ৯০টা ক্যাপসুল থাকে। দৈনিক ২টা খেতে পারেন। দাম হলেও ভালো জিনিষটা খান। অল্পতেই উপকার হবে।
এটার একটা সিরাপ ভারসন আছে যা যে কোন বয়সের বাচ্চারা যারা ক্যাপসুল খেতে পারে না। তারা ২.৫ মিলি করে ২ বেলা খেতে পারবে। Written By Arfan Hossain
বাংলাদেশের ৯০% মা- বোনদের রক্ত শুন্যতা আছে। তাদের হিমোগ্লোবিন কম। তাই তাদের সমাধানের জন্য খেতে হবে:
১. Micro Ingredients Blood Booster ডেইলি একটা করে
২. Triquetra Methyl Folate 15mg ডেইলি একটা
৩. Triquetra B12 5mg ডেইলি একটা
তিনটা একসাথে মিলে রক্ত বাড়াবে। শুধু আয়রন খেলেই রক্ত বাড়েনা। আর বাংলাদেশে হাই কোয়ালিটি আইরন যা Iron Glycinate নামে পরিচিত, সেটা নেই। তাই বাইরেরটা খেতে হবে।
Written by Arfan Hossain
ইরেকটাইল ডিসফাংশন(ED) বা যৌন অক্ষমতা নিয়ে কিছু কথা। Written By Arfan Hossain
১. দৈনিক মাসের পর মাস, বছরের পর বছর হাজার হাজার পুরুষ হস্তমৈথুনে তার পুরুষাঙ্গকে শেষ করে দিছে। এটা একটা খুব সেনসিটিভ চিকন একটা নালি। এটার উপর এত অত্যাচার করলে এটা জিন্দা থাকবে? তাই হস্তমৈথুনকে চিরতরে না বলুল। এরা বৈবাহিক জীবনেও অভিষাপ নিয়ে দিন কাটায়।
২. পর্নগ্রাফি বা অশ্লীল নাচ-গান দেখায় অভস্ত হওয়া: আমাদের ব্রেন দির্ঘদিন পর্ন বা বাজে ছবি দেখেতে দেখতে ব্রেনে ওভাবে সেট হয়ে যায়। তখন ঘরের বউ, ওদের মত সেজে না আসলে আপনার উত্তেজনা আসবে না। আপনি আপনার ব্রেনকে কলুশিত করে ফেলেছেন। সর্ব অবস্থায় পর্নগ্রাফিকে না বলুন।
৩. বউয়ের সাথে সুসম্পর্ক, সুন্দর বোঝাপড়া: এটা খুবই দরকার। বউদের সবসময় উচিত স্বামীকে সাপোর্ট করা। উত্তেজিত হতে সাহায্য করা। অনেক বউরা আছে এই গুলোর কিছুই করে না । তাহলে হবে না। কথা দিয়ে বা সুন্দর আন্ডারস্ট্যান্ডিং দিয়ে স্বামীকে উত্তেজিত করতে হবে।
৪. স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা: কোন রকম টেনশন থাকলে ঠিক মতো erection হবে না। দয়া করে কোনরকম স্ট্রেস নিয়ে বউয়ের কাছে যাবেন না। সব দিকে ধরা খাবেন। মন ফুরফুরে হলে সবদিকে জয়ী হবেন।
৫. ব্যয়ামের ঘাটতি: দৈনিক ব্যায়াম করতে হবে। বিশেষ করে কিগেল ব্যায়াম। সব ধরনের ওয়েট লিফ্টিং ব্যায়াম করতে হবে।
৬. ফাস্টিং ইনসুলিন লেভেল ৩-৪ এ আনতে হবে। ইনসুলিন বেশি থাকলে যৌন জীবন সব দিকে আঘাত প্রাপ্ত হবে।
৭. ভিটামিন ডি রিপোর্ট ১০০-১৫০ ভেতর থাকতে হবে।
৮. Deal এর Zinc Selenium with Copper, 50 mg দৈনিক একটা
৯. Micro Ingredients এর L Arginine + L Citruline দৈনিক ৪ করে খেতে হবে
১০. দৈনিক ৬টা শ্বাসের ব্যায়াম করা।
১১. দৈনিক ৬টা করে কুসুম সহ ডিম খাওয়া। কুসুমটা কাঁচা বা নরম থাকবে।
Presented by Herbs Palace
==========
যে কোন হার্টের রোগীদের বা বুকে ব্যাথা বা হার্টকে শক্তিশালি করার বেস্ট পুস্টি বা সাপ্লিমেন্টগুলো কি কি? Written By Arfan Hossain
১. স্কয়ারের Tocosoft বা Doctors Best Tocotrienol ডেইলি ২টা
২. ভিটামিন বি৩ নিয়াসিন ১০০০ এমজি দৈনিক একটা
৩. Viva Naturals বা Sports Research Omega3 Fish Oil ডেইলি একটা অথবা স্কয়ারের Trumega ডেইলি ২টা
৪. Micro Ingredients CoQ10 400mg ডেইলি একটা অথবা স্কয়ারের ResQ 200mg ডেইলি একটা
৫. বাংলাদেশের Urokit বা Citra K ডেইলি ৪টা
৬. Qunol Magnesium Glycinate 420mg ডেইলি ২টা রাতে
৭. Micro D3 10000 + K2 200mcg. ডেইলি একটা (মেন্টেইন ডোজ এটা)
৮. খাবার থেকে ভিটামিন সি
৯. Triquetra B Complex ডেইলি ২টা
১০. L Carnitine, L Arginine, L Citruline 1000mg ডেইলি ২টা
তবে প্রথম শর্ত আপনার ফাস্টিং ইনসুলিন ৩ এ আনতে পরিপুর্ন বেনিফিট পেতে। ইসুলিন ঠিক না করে হার্টের উন্নতি হবে না।
অনেকেই বাংলাদেশের প্রোডাক্টে ভরসা পান না তাদের বিদেশিটা লিখে দিলাম। যাদের আবার অর্থনৈতিক অসংগতি তাদের জন্য দেশিটাও লিখে দিলাম। আপনাদের ইচ্ছে। আপনারা ভালো থাকেন। দিন শেষে এটাই আমার চাওয়া।
সবসময় মনে রাখবেন। আমাদের কোন মেডিসিনের অভাবে রোগ হয় না যে কথায় কথায় বা সারাজীবন মেডিসিন খেতে হবে। আমার রোগ হয় পুস্টি বা নিউট্রিশনের অভাবে। আদম থেকে কেয়ামত পর্যন্ত পুস্টিই ছিলো। পুস্টিই থাকবে। আসুন রোগের মুলে যাই। উপরি উপরি মিথ্যা চিকিৎসা আর কত?
Quercetin কি?
দেখি Arfan Hossain ভাই কি বলে -
Quercetin হচ্ছে প্রাকৃতিক এন্টি হিসটামিন। মানে এন্টি এলার্জি। যারা করোনা টিকা দিয়ে এখন এটার বিষক্রিয়ার এলার্জিতে ভুগছেন তারা এটা খেয়ে উপকার পাবেন। তবে সবার আগে আপনার ভিটামিন ডি লেভেল ১০০-১৫০ ভেতর আনতে হবে। এছাড়া যে কোন এলার্জিতেও এটা খাওয়া যায়। এটা যে কোন বয়সের নারী, পুরুষ, বাচ্চা সবাই খেতে পারবে। দৈনিক একটা করে দুইবেলা।
এর উপকারিতা কি?
সাইনাসের সমস্যা, ফসফুসে মিউকাস জমা, স্কিন রেশ, চুলকানি, এজমা, এলার্জি, হাচি, নাক দিয়ে পানি পরা, চোখ দিয়ে পানি পরা, লাল চোখ, এসব সমস্যা নিরাময় করে।
বেনফোটামিন কি?
চলুন জেনে নেই Arfan Hossain ভাইয়ের থেকে -
বেনফোটামিন হচ্ছে ভিটামিন বি১। বি১ দুই রকমের আছে। একটা থাইয়ামিন আরেকটা বেনফোটামিন। বেনফোটামিন হচ্ছে ফ্যাট সলিউবল যা শরীরে আরও ভালো শোষন ও আরও উন্নত কাজ করে। বাংলাদেশে যত বি১ আছে সব লো কোয়ালিটি থাইয়ামিন।
বেনফোটামিন বি১ এর কাজ কি?
প্রত্যেক ডায়বেটিক রোগী তাদের এই বেনফোটামিন খাওয়া মাস্ট। ডায়বেটিস থেকে হওয়া শরীরের সমস্ত ক্ষতিগুলো কমায়।
বি১ মুলত যে কোন নার্ভ ডেমেজ রিকোভার করতে উপকারী। এটা নিউরোলজিকাল বা ব্রেনের সমস্যাও উপকারি। হাত পা শিরশির অবশ হওয়া জালাপুড়া করা এগুলো ভালো করে। বি১ শক্তি তৈরীতে জরুরী। প্যানিক এট্যাক রোগীদেরও হেল্প করবে।
মাইক্রো ইনগ্রেডিয়েন্ট এর বেনফোটামিন আমার পছন্দের তালিকায় কারন যেহেতু এটা ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন তাই তেল এড করা থাকলে বেশি শোশন ও বেশি উপকার পাবে। বাজার আর কোন ব্রান্ডে তেল এড করা নেই। সেগুলো কাজ করবেনা। আর এটা নারিকেল তেল এড করা। খুবই সু্স্বাদু চকলেটি একটা ঘ্রান। আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। এটা দৈনিক ২টা করে ২ বেলা খেতে হয়।
এক প্যাকেটে আছে ২৪০ সফ্টজেল। আপনার ঘরের বাবা মা শশুর শাশুড়ি বা ঘরে যারাই ডায়বেটিক রোগী আছেন। তাদের জন্য অবশ্যই কিনবেন বেনফোটামিন।
L Arginine কি?
চলুন জেনে নেই Arfan Hossain ভাইয়ের থেকে -
যারা দীর্ঘদিন জে কে ফলো করেন তারা জানেন আমাদের জাহাংগির কবির স্যার L Arginine কথা সবসময় বলেন। তিনি নিজেও খান। অনেক ফলোয়ারাও খায়। কিন্তু এখনও অনেকেই এটার সাথে পরিচিত নয়। L Arginine কোন মেডিসিন নয়। এটি একটি খাদ্যের পরিপুরক সাপ্লিমেন্ট। এটি এক ধরনের এমাইনো এসিড। এটা শরীরে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরিতে সাহায্য করে।
এটার উপকারিতা কি?
পুরুষদের যাদের ইরেক্টাইল ডিসফাংশন আছে তাদের জন্য জরুরী। এটা পেনিসের নালীতে রক্ত পৌছাতে সাহায্য করবে। এটা আর্টারিকে রিল্যাক্স করে ফলো প্রেশার নিয়ন্ত্রনে থাকে। হার্টের জন্য উপকারী। এটা মুলত রক্ত চলাচল বাড়ায়। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় শক্তি উৎপন্ন হয়। যারা ব্যায়াম করেন তাদেরও এনার্জি বুস্টের জন্য এটা হেল্প করবে।
দৈনিক ৩গ্রাম করে এটা খেতে হয়। প্রতি ট্যাবলেটে ৮০০ এমজি থাকে। দৈনিক ৪টা ট্যাবলেট খেতে পারেন। একসাথেও খেতে পারেন। আবার ভাগ করেও খেতে পারেন। এটার সাথে L Citrline এড করা আছে যা হার্টের শক্তি বাড়ায়। প্রতি প্যাকেটে পাচ্ছেন ২৪০টি ট্যাবলেট যা দুই মাস চলে যাবে।
আমাদের ভাইয়েরা, আর দেরি কেনো? আজই লুফে নিন ও শক্তিশালী হউন। আমি নিজেও এটা খাই।
====================
==========
==========