Monday, February 17, 2025

মূল বয়স কত শারীরিক বয়স কত

মূল বয়স কত শারীরিক বয়স কত ?
মাত্র ১ মিনিটে জানতে পারবেন।
কিভাবে জানবেন।
এক পায়ে সোজা হয়ে দাঁড়ান। অন্য পা-টি কোথাও হেলান বা ভর না দিয়ে উঁচু করে রাখুন (হ্যাঁ, ক্লাসে পড়া না পারলে শিক্ষকেরা যেভাবে এক পায়ে দাঁড় করিয়ে রাখতেন, ওভাবেই)।
চোখ খোলা রাখুন। আর দুই হাত রাখুন কোমড়ে।
এবার ঘড়ির দিকে তাকিয়ে খেয়াল করুন, কতক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন। ১ মিনিট বা ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেন কি?
কত সেকেন্ডে কত বয়স
৬০ সেকেন্ড বা এর বেশি এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারলে আপনার বয়স ১৮–৩৯ বছরের মধ্যে।
৪৫–৫০ সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকতে পারলে আপনার শরীরের বয়স ৪০–৪৯ বছর।
৪০ সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকতে পারলে আপনার বয়স ৫০–৫৯ বছর।
৩৫ সেকেন্ড এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পেরেছেন? তার মানে আপনার শরীরের বয়স ৬০–৬৯ বছর।
২০ সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকতে পারার মানে হলো আপনার বয়স ৭০–৭৯ বছরের মধ্যে।
অন্তত ১০ সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকতে পারলে আপনার শরীরের বয়স ৮০ বছরের বেশি।
১০ সেকেন্ডও এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে না পারলে আপনার শরীর একেবারেই আনফিট। আপনি ঠিকমতো হাঁটতেও সমর্থ নন। কারও সহায়তা ছাড়া হাঁটলে যেকোনো সময় ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যেতে পারেন।
সাধারণত বয়স ৪০ হয়ে গেলে মানুষ ভারসাম্য হারাতে থাকে। অর্থাৎ ১ মিনিট ১ পায়ে দাঁড়ানোর মতো ফিটনেস থাকে না। তবে আপনার লক্ষ্য থাকবে ৪০ বছরের পরেও ভারসাম্য ঠিক রাখা, ১ মিনিট এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা।
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত হাঁটা, শারীরিক পরিশ্রম করা, ঠিকমতো ঘুমানো, দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপনের ফলে আপনি ৫০ বছর বয়সেও শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবেন।

Sunday, February 16, 2025

চির তরুণ ও নিরোগ থাকার অব্যর্থ টিপস

চির তরুণ ও নিরোগ থাকার অব্যর্থ টিপস দিলেন দেবী শেঠী

এই সহজ পরামর্শগুলো বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক ডা. দেবী শেঠীর। রোগমুক্ত ও চিরতরুণ থাকার অব্যর্থ উপায় বলছেন তিনি।
১. খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে করতে কয়েক মাসের মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এর পর বাথরুমে যান।

২. বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরও এক গ্লাস পানি খান এবং তার পর খান হানি টি/ লেমন টি, গ্রীন টি বা হার্বস টি। চা কখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না এবং চিনি ইগনোর করুন।

৩. সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি খাবেন।

৪. পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি বা জলচিকিৎসা। মূলত এটি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা। আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে- ঘুম থেকে উঠে ধীরে ধীরে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে প্রায় ৩৬ ধরণের রোগ হয় না এবং হলেও সেরে যায়।

৫. অপর পক্ষে, দুধহীন এবং দুধ-চিনি-হীন হালকা গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি চায়নিজ হারবাল মেডিসিন । সেকালে এই চা দিয়ে হার্ট, ব্লাড প্রেসার (উচ্চ রক্তচাপ) ও পেটের নানা রকম রোগের চিকিৎসা করা হতো। আবার আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- চায়ে রয়েছে অ্যান্টিঅিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে নিশ্চিত অবদান রাখে। এ ছাড়াও অন্য বহুগুণ রয়েছে চায়ে। তবে যে চা-টা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে চায়ের গুণাগুণই অপেক্ষাকৃত ভালো।

৬. ভিটামিন সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ এর গুণাগুণ অসংখ্য। জানা গেছে, দিনে ১ হাজার মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে। তবে ট্যাবলেট খেলে কিছুই উপকার পাওয়া যায় না। প্রতিদিনই কমবেশী খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাজা ফলমূল। ভিটামিন সিও ক্যান্সার ঠেকাতে সাহায্য করে। আমলকি, সব ধরনের লেবু, টমেটো, কমলা, পেয়ারা, নানা রকর টক স্বাদের ফলে বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে।

৭. ধূমপানসহ সকল ধরণের নেশা জাতীয় অভ্যাস ত্যাগ করুণ। কারণ নেশা মানুষকে সকল দিক দিয়ে ধ্বংস করে দেয়।

৮. রেডমিট অর্থাৎ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের মুরগিও চলবে না। শুধু চর্বিহীন বাচ্চা মুরগির মাংস খাওয়া চলতে পারে।

৯. প্রচুর পরিমাণে আধা-সেদ্ধ শাক-সবজি, তরিতরকারি এবং খুব অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি খাওয়া উচিত।
ভাজাভুজি খাবেন না। অতিরিক্ত তেল, চর্বি, ঘি, মাখন খাবেন না। মসলার বিভিন্ন ভেষজ গুণ আছে, তবুও রান্নায় খুব বেশি মসলা ব্যবহার করবেন না।

১০. সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন কাঁচা লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, টমেটো ইত্যাদি।

১১. বিধিনিষেধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খাবেন।

১২. ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের মাছ খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে তো খুবই ভালো। কেননা, এটা মহৌষধ। গাদা-গাদা মাছের কাটা খাওয়া ঠিক নয়। ওতে পাকস্থলিতে পাথর হতে পারে।

১৩. সূর্যমূখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টের ভেষজ ওষুধ। রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহার করলে হার্টের সুরক্ষা যেমন হয়, তেমনি হার্টের অসুখ থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে।

১৪. প্রতিদিন অল্প একটু টক দই খাওয়ার অভ্যাস করুন। টক দই উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে
সাহায্য করে ।

==================

সুস্থ থাকার ৩০টা নিয়ম, যা সবার(নন ডায়বেটিক) মানা উচিতঃ
১)সকাল ৭টার মধ্যে ঘুম থেকে ওঠা
২)রাত ১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া
৩)সকালে খাওয়ার আগে অন্তত ২-৩ কিলোমিটার হেটে নেয়া
৪)হাটা থেকে বাসায় ফিরে অন্তত ১ চা চামচ এপল সিডার ভিনেগার+লেবুর রস খালি পেটে খাওয়া।
৫)প্রতিবেলা খাবার কিছুক্ষন আগে সামান্য আদা ও যষ্টিমধু পানিতে মিশিয়ে খেয়ে নেয়া।
৬)সকালে ওঠার প্রথম তিন ঘন্টা যথাসম্ভব খালি পেটে থাকা এবং শুধু পানি পান করা
৭)সকালের নাশতায় যথেষ্ট প্রোটিন-২-৪টা ডিম/ ২-৩ পিস মাছ বা গোশত অথবা ১৩০-১৫০ গ্রাম ছোলা এবং ৫০ গ্রাম বাদাম রাখা
৮)বাসা থেকে সমস্ত প্যাকেটজাত-বোতলজাত ফ্যাক্টরি মেইড প্রসেসড ফুড বের করে দেয়া
৯)দিনে ১-২ গ্রাম ভিটামিন সি খাওয়া, সাথে ২০০ আইইউ ভিটামিন ই।
১০)কার্বোহাইড্রেট হিসেবে নিয়মিত নন রিফাইন্ড হোল গ্রেইন খাওয়া। বাদামী চাল, যবের ছাতু/যব, ছোলাবুট, ডাল, ভাতের মাড়, রোল্ড ওটস, মিষ্টি আলু, গাজর হচ্ছে ভাল কার্বোহাইড্রেট সোর্স।
১১)যাবতীয় রিফাইন্ড অয়েল বাদ দিয়ে প্রাকৃতিক ভোজ্য তেল সরিষা ব্যবহার করা।
১২)মাসে অন্তত ৩ দিনের দুটো ফাস্টিং সাইকেল মেইনটেইন করা। একটা ফাস্টিং সাইকেলে রোযা রাখা হবে পরপর তিনদিন, আরেকটায় প্রতিদিন অন্তত ১৮ ঘন্টা এবং সম্ভব হলে ২৪ ঘন্টা নিজেকে অভুক্ত রাখতে হবে। (শুধু পানি ও মিনারেলস চলতে পারে)
১৩)যাদের পক্ষে সম্ভব তাদের উচিত নিয়মিত ভিটামিন ডি-২০০০ আইইউ ও ভিটামিন কে-২ ৪৫ এমসিজি, ভিটামিন বি-১ ৩-৫ এমজি গ্রহন করা, দিনে একবার ২০ মিলিগ্রাম জিংক ব্যবহার করা।
১৪)সপ্তাহে অন্তত ২ দিন বডিওয়েট এক্সারসাইজ অথবা ওয়েট লিফটিং করা।
১৫)সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন HIIT এক্সারসাইজ করা ৩-৫ সেট, অথবা ১ ঘন্টার বেশি কার্ডিও করা।
১৬)রাত ৮টার পর ফোন ব্যবহার না করা
১৭)দিনের প্রথম ও শেষ খাবারের মধ্যে ১২ ঘন্টার বেশি গ্যাপ না রাখা
১৮)সমস্ত চিনিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা এবং মাসে ২ বারের বেশি চিনিজাতীয় খাবার গ্রহন না করা
১৯)মাথার কাছে মোবাইল ফোন রেখে ঘুমানো বন্ধ করা
২০)ধুমপান ও অন্যান্য নেশা ছেড়ে দেয়া, চা কফি সীমিত করে আনা
২১)অসৎ পথে অর্থ উপার্জন করা বন্ধ করা
২২)মিথ্যা বলা ছেড়ে দেয়া
২৩)পরনিন্দা ও হিংসা থেকে দূরে থাকা
২৪)কোন বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে চেষ্টা করা
২৫)শুধুমাতে ক্ষুধা লাগলেই খাওয়া, ক্ষুধা না লাগলে না খাওয়া এবং খাওয়ার পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা
২৬)বাসায় ওয়েট মেশিন, কিচেন স্কেল, মিজারমেন্ট টেপ ও বডি ফ্যাট ক্যালিপার্স রাখা। পাশাপাশি ডাম্বেল, স্কিপিং রোপ, ফার্ম গ্রিপ, রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড, টামি ট্রিমারের মত বেইসিক ব্যায়ামের কমদামী যন্ত্র রাখা।
২৭)টেফলন-এলুমিনিয়ামের তৈরি বাসনপত্র ব্যবহার না করা
২৮)প্লাস্টিক-পলিথিন ব্যবহার সীমিত করা
২৯)টুথব্রাশ-টুথপেস্টের বদলে এক্টিভেটেড কোকোনাট চারকোল-মিসওয়াক/বাশের ব্রাশ ব্যবহার করা
৩০)রাতে ঘুমানোর আগে নির্জনে অন্ধকারে প্রার্থনা করে আল্লাহকে সমস্ত কষ্টের কথা জানানো এবং নিজের ভুলগুলোর জন্য ক্ষমা চাওয়া, পাশাপাশি যা কিছু ভাল হয়েছে তার জন্য শুকরিয়া আদায় করা।
এই নিয়মগুলোর অন্তত ৫টা করে প্রতিমাসে মানতে শুরু করুন। জীবন বদলে যাবে ইনশা আল্লাহ।
শরীর-মনকে ভাগ্যের হাতে ছেড়ে না দিয়ে লাগামের কব্জা রাখুন নিজের হাতে, দেখবেন শরীর আপনার অনুগত হয়ে যাবে।

Friday, February 14, 2025

একত্রে বসে (দলগত) খাওয়ার কিছু আদব-লেহাজ

একত্রে বসে (দলগত) খাওয়ার কিছু আদব-লেহাজ:
যে পাত্র থেকে সবাই খাবার নিচ্ছে (খিচুড়ি বা মুড়ি মাখা), তার উপর ঝুঁকে খাবার নেওয়া যাবে না, মুখ থাকবে মুখের জায়গায়। হাতে খাবার নিয়ে হাতটাকে মুখের কাছে নিতে হবে।
হাতে থেকে যাওয়া অতিরিক্ত খাবার যা একেবারে মুখে ঢুকানো যায়নি, তা ঝাড়া মেরে প্লেটে ফেলে দেওয়া যাবে না, হাতে ধরে রাখতে হবে। তারপর মুখের খাবার শেষ হলে বাকিটুকু মুখে দিতে হবে।
হাতে নেওয়া সমস্ত খাবার মুখে দিয়েছেন, এখন হাত কোথায় রাখবেন? অনেকে মুখে খাবার খাচ্ছেন আর খালি হাতটা সম্মিলিত খাবারের পাত্রে রেখে দিচ্ছেন, এটা করা যাবে না। হাত নিজের কাছে রাখতে হবে।
কিছুক্ষণ পরপর সকলের অনুমতি না নিয়ে নিজের ইচ্ছেতেই ভালো করে মেশানোর অজুহাতে খাবার ওলট-পালট করা যাবে না।
সকলের অনুমতি না নিয়ে নিজের পছন্দমতো এডিশনাল ফুড (মুড়ি মাখার ক্ষেত্রে বুন্দিয়া বা পুদিনাপাতা, খিচুড়ির ক্ষেত্রে লাউয়ের ঝোল) ফট করে পাত্রে ঢেলে দেওয়া যাবে না।
আপনি যেদিক দিয়ে খাচ্ছেন, সেদিকে যা আছে তাই খাবেন, আরেকজনের দিক থেকে বারবার পিয়াজু বা মাংসের টুকরো নিবেন না।
সবাই যে আইটেম খাচ্ছে, সেটাই খেতে হবে। সবাই যখন করলাভাজি খাচ্ছে, তখন আপনি "করলা ভাজি খাই না" বলে তড়িঘড়ি করে রোস্টের বড় পিসটা নিয়ে নেবেন- এটা ঠিক হবে না। অপেক্ষা করুন; করলাভাজি দিয়ে সবার খাওয়া শেষ হোক।
হোস্ট বা সাহিদার একজনকে খাবার সার্ভ করছে, তাঁকে সিরিয়ালি তা করতে দিন। মাঝখান থেকে সিরিয়াল ব্রেক করে আপনার দিকে ডাকবেন না তাঁকে।
নিজের খাবারের দিকে তাকিয়ে থাকুন, অন্যদের পাতের দিকে ঘনঘন তাকাবেন না।
যে হাতে খাবার খাচ্ছেন, ওই হাতে চামচ, প্লেট, গ্লাস ইত্যাদি ধরবেন না।
খাওয়ার সময় ঢেঁকুর তুলবেন না, কোঁৎকোঁৎ শব্দ করবেন না।
হুট করে নিজের পাতের খাবার আরেকজনের দিকে ঠেলে দিবেন না। আপনি সিদ্ধ ডিম না খেয়ে একটা মাংসের পিস বেশি খাবেন বা জিলিপি না খেয়ে আলুর চপ খাবেন, বাড়তি তাই বলে জিলাপি বা সেদ্ধ ডিম পাশেরজনের পাতে দিয়ে দেবেন না; আপনার মতো সেইম চিন্তা তারও থাকতে পারে।
যতটুকু খেতে পারবেন, ততটুকুই পাতে নিবেন। খাবারের দখল নেওয়ার অপচেষ্টা চালাবেন না। মুখে অল্প করে খাবার নেবেন, খাবার মুখে ঢোকানোর পর দুই গাল যাতে দৃষ্টিকটুভাবে ফুলে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
খাবারের শেষে দই বা ডাল আছে কিনা জিজ্ঞেস করবেন না! সেটা নাই ধরে খাওয়া চালাতে থাকবেন।
হোস্ট আপনার সামনে টিস্যু রাখবে, কিন্তু তাই বলে সেটা অযথা অপচয় করবেন না। পর্যাপ্ত পানি দিয়ে হাত ধুয়ে তারপর রুমাল বা টিস্যু দিয়ে ভেজা হাতটা মুছবেন।
নির্দিষ্ট কোনো খাবার বেশি ভালো লেগেছে- এটা বলবেন না, হোস্ট সবগুলো আইটেমই যথেষ্ট মমতা সহকারে রান্না করেছেন- এটা মাথায় রাখবেন।
খাবার মুখে নিয়ে চপ চপ করবেন না, খাইতে খাইতে নাকে পেডা আসলে সেটা আস্তে করে মুছে নিবেন; উখ্খু উখ্খু শব্দ করে সেটাকে পেটে ঢুকানোর চেষ্টা করবেন না। মুখে কাকড় বা কাটা পড়লে মুখের খাবারটুকু বের করে সকলের সামনে ফেলে দিবেন না, সকলের আড়ালে কোথাও ফেলুন।
কোনো একটা আইটেম নেওয়ার জন্য যদি আপনি প্রথমে উদ্যোগ নেন, তাহলে চেষ্টা করবেন আশেপাশে দু-একজনকে আগে দিয়ে পরে নিজে নিতে। নিজে বড় পিসটা নিয়ে পাশেরজনের দিকে বাটি ঠেলে দিবেন না। নেওয়ার সময় চামচ দিয়ে সবগুলো পিস ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না, চোখের অনুমানে আগে সিলেক্ট করে তারপর সেটা চামচে তুলবেন।
দূরে থাকা কোনো খাবার নেওয়ার জন্য বাটি নিজের দিকে দেওয়ার জন্য আরেকজনকে বলবেন না, সেটা উনার জন্য পরিশ্রমের। আপনার প্লেট বাটির কাছে এগিয়ে নিয়ে তারপর প্লেটে নিজে নেন বা কাউকে দিতে বলুন।
নিজে ডিমের কুসুম না খেয়ে রেখে দিয়ে পাশেরজনকে কুসুমের পুষ্টিগুণ বুঝাতে যাবেন না।
সালাদের বাটি থেকে বেছে বেছে শুধু টমেটো নেবেন না। টমেটো, শসা, মূলা আনুপাতিক হারে নিবেন।
শুধুমাত্র আপনাকে একা কাঁচামরিচ বা লবণ এনে দেওয়ার জন্য কাউকে অনুরোধ করবেন না।
হোস্ট পোলাওয়ের বাটি আনার সঙ্গে সঙ্গেই জিজ্ঞেস করবেন না- সাদা ভাত আছে কিনা?
মজলিশে যিনি সবচেয়ে আস্তে খান, তার সঙ্গে তালমিলিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন, এতে করে সবাই সমানভাবে খাওয়ার অংশ পাবে।
সকলের সঙ্গে একত্রে খাওয়া শেষ করুন।
গলা পর্যন্ত খেয়ে হোস্টের মুখে "কিছুই তো খাইলেন না" শোনার জন্য "বেশি খায়ালছি" বলে ঢং করবেন না। আপনি যে বেশি খায়ালছেন- এটা সবাই বুঝে যাবে!

ওয়েট লস

ওয়েট লস থেমে গেছে।

মনের দুঃখে আজকাল বনে চলে যেতে ইচ্ছা করে??
বনে গিয়ে লাভ নাই। আপনার করনীয় হচ্ছে ৩টা।
১)ডায়েটে কার্বোহাইড্রেটের পরিমান কমিয়ে আনা, ধরেন আগে ২৫% খাচ্ছিলেন, এখন ১০% খান
২)এতেও কাজ না হলে, ফাস্টিং আওয়ার বাড়িয়ে নেয়া, আগে ১৮ ঘন্টা ছিল, এখন ২০-২৪ ঘন্টায় চলে যান
৩)এক্সারসাইজের পরিমান বাড়ানো
এই তিনটাতেও যদি কাজ না হয়, তাহলে করনীয় হচ্ছে প্রফেশনালের কাছে দৌড়ানো। খুব সম্ভবত আপনার কোন হরমোনাল ইমব্যালেন্স আছে।
মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রধান হরমোনাল ইমব্যালেন্স হচ্ছে এস্ট্রোজেন ডমিন্যান্স ও হাইপোথাইরয়েডিজম, এরপরেই আসে হাইপারইনসুলিমিয়া, পুরুষদের ক্ষেত্রে হাইপারইনসুলিনেমিয়া ও ক্রনিক স্ট্রেস।
হাইপোথাইরয়েডদের ওয়েট লসের জন্য আগে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ শুরু করতে হবে এবং ধীরে ধীরে ওষুধের বদলে ডায়েটের মাধ্যমে ওজনকে স্বাভাবিকে আনতে হবে। ইনসুলিনের ক্ষেত্রেও একই কথা।
এস্ট্রোজেন ডমিন্যান্স থাকলে ডায়েট থেকে বিদায় করতে হবে সমস্ত প্রসেসড ফুড ও আনন্যাচারাল ফ্যাট।
আমাদের ব্রেইন কিন্তু অত্যন্ত চালাক। সে সবসময় প্যাটার্ন খোজে আর ঐ প্যাটার্নে থিতু হতে চায়। প্র্যাকটিক্যালি, আপনি একই ডায়েটে, তা যত ভালই হোক না কেন, ৩ মাসের বেশি ওয়েট লস করতে পারবেন না। ব্রেইন মেটাবলিজমকে ঐ ডায়েট ও এক্সারসাইজের সাথে এডজাস্ট করে ফেলবে।
একারনে ১০ সপ্তাহ হওয়ার আগেই ডায়েট ও এক্সারসাইজের কম্পোজিশন ও প্যাটার্ন বদলে দিন। তাহলে আর সহজে ওয়েট লস আটকে যাবে না ইনশা আল্লাহ


Wednesday, February 12, 2025

বিটরুট ফল/ পাতা / বিটকফি

বিটরুট ফল/ পাতা / বিটকফি কেন খাবেন??

✅✅একবার শিখে রাখুন আজীবন কাছে লাগবে 👇👇😎
বিটরুট পাউডার এর উপকারিতা কি ❓❓❓
নিচে এই প্রশ্নের উত্তর সুন্দর ভাবে দেয়া হলো ...
রক্তের ঘাটতি পূরণে বিটরুট✅
প্রতিদিন ১ গ্লাস বিটরুট জুস আপনাকে বহু রোগ থেকে মুক্ত রাখবে...
০১. হার্ট সুস্থ রাখে
০২. উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে
০৩. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করে
০৪. গ্যাস্ট্রিক থেকে সারা জীবনের জন্য মুক্তি পাবেন।
০৫. ত্বক ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
০৬. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
০৭. চোখের সুরক্ষা বাড়াতে সহায়তার পাশাপাশি অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
০৮. ক্যান্সার প্রতিরোধ সহায়ক।
০৯.ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণ করে
👉বিটরুট জুস খাওয়ার নিয়ম:
১. পানির সাথে মিশিয়ে :-
১ চা চামচ বিটরুট পাউডার ১ গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন খালি পেটে পান করতে পারেন।
২. শেকের সাথে :-
১ চা চামচ বিটরুট পাউডার ১ কাপ দুধ, কলা বা অন্য যে কোন ফলের সাথে মধু মিশিয়ে ব্লেন্ড করে শিশুদের খেতে দিতে পারেন।
৩. যে কোন সালাদের সাথে বা কাঁচা পেঁয়ারার মতো করে খেতে পারেন।
✅✅যে ভাবেই খাবেন অনেক বেশি উপকার পাবেন।


যেভাবে গাজর খেলে দ্রুত কমবে ওজন।

যেভাবে গাজর খেলে দ্রুত কমবে ওজন।

আপনার শরীরের ওজন কমাতে প্রতিদিন গাজর খান। কারণ গাজর শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। আপনার ত্বক ও চুলের পাশাপাশি এ সবজি চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো উপকারী। কিন্তু গাজর কীভাবে খেলে দ্রুত শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরবে তা হয়তো আপনি জানেন না। কিছু নিয়ম অনুসরণ করে আপনার শরীরের ওজন দ্রুত কমাতে পারেন।
প্রতিদিন দুই টুকরো গাজর সিদ্ধ খান। শুধু শুধু খেতে সমস্যা হলে অল্প লবণ আর গোলমরিচ দিয়ে গাজর সিদ্ধ খেতে পারেন। এতে আপনার দ্রুত ওজন কমবে। আর যারা নিয়মিত সালাদ খান, তারা সালাদের একটি উপকরণ হিসেবে গাজর রাখুন। কারণ গাজর কাঁচা খেলে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া অবশ্যই জরুরি। এ ছাড়া গাজর দিয়ে সবজিও বানিয়ে খেতে পারেন। গাজরের তরকারি তৈরি করলে তার সঙ্গে কিছুটা বিট মিশিয়ে নিন। এ খাবার অত্যন্ত পুষ্টিকর। এতে ক্যালরি কম। সেই সঙ্গে সহজে ওজন কমায়। আর পেট ভরিয়ে রাখে অনেকক্ষণ।
এ ছাড়া দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিন নিয়মিত এক কাপ গাজরের রস খেতে পারেন। স্বাদ বাড়াতে সামান্য লবণ আর গোলমরিচ মিশিয়ে নিতে পারেন গাজরের রসের মধ্যে। গাজর, আদা, পাতিলেবুর রস আর সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো একসঙ্গে মিশিয়ে একটি ডিটক্স ড্রিঙ্ক তৈরি করেও খেতে পারেন আপনি। এতে দ্রুত মেদ ঝরবে।
শুধু গাজর দিয়েও তৈরি করে নিতে পারেন পুষ্টিকর ও সুস্বাদু সালাদ। এর জন্য গাজরের সঙ্গে সামান্য অলিভ অয়েল, পার্সলে পাতা, অল্প সাদা তিল, সামান্য বিট লবণ এবং গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যকর সালাদ তৈরি হবে।
আর অনেকেই ওজন কমানোর জন্য স্যুপ খান। সেখানে মেন্যুতে রাখতে পারেন গাজরের স্যুপ, যা শরীর হালকা রাখেবে। এতে শরীর পুষ্টি পাবে, ওজনও কমবে। গাজরের স্যুপ তৈরি করার জন্য গাজর ছাড়াও পেঁয়াজ, রসুন, সবজি, অলিভ অয়েল, জিরা-হলুদ গুঁড়ো, লবণ-গোলমরিচ দিতে পারেন।


ফ্যাটি লিভার

ফ্যাটি লিভার ঠেকাতে যেসব খাবার বন্ধ করতে হবেঃ

১)চিনি। চিনি ফ্যাটি লিভারের প্রধানতম কারন, বাসায় চিনি রাখা বন্ধ করে দিন, চিনিজাতীয় খাবার বাইরে থেকে আনা বা ঘরে তৈরি করা থামান। সবার ওজন কমবে, ফ্যাটি লিভারও কমবে।
২)সফট ড্রিংক্স ও সুইটেন্ড এনার্জি ড্রিংক্স+ফ্রুট জ্যুসঃ সম্ভবত বাংলাদেশে মদের কাজটা সফট ড্রিংক্সই সেরে দিচ্ছে। বিএসএমএমইউতে হওয়া গবেষনা অনুযায়ী দেশের প্রতি তিনজনে একজন ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। নিঃসন্দেহে এর পেছনে প্রধানতম ভুমিকা সফট ড্রিংক্সের। হেলদি মনে করে অনেকেই বাচ্চাদের গাদা গাদা সুগার দেয়া ফ্রুট জ্যুস খাওয়ান, এনার্জি ড্রিংক্স খান তরুণদের অনেকেই। দিজ অল আর হিডেন কন্ট্রিবিউটরস বিহাইন্ড ফ্যাটি লিভার।
৩)সয়াবিন-সানফ্লাওয়ার রিফাইন্ড অয়েলঃ এগুলোতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের পরিমান ওমেগা-৬ এর তুলনায় অত্যন্ত কম, (সানফ্লাওয়ারে শুন্যের কাছাকাছি)। ওমেগা-৬ টক্সিসিটি আমাদের সব ধরনের ইনফ্ল্যামাটরি ডিজিজের রিস্ক ফ্যাক্টর বাড়ায়।
৪)আটা-ময়দাঃ আটা ময়দার গ্লুটেন এবং অপিওয়েড ইফেক্ট আমাদের ইনফ্ল্যামেশান বাড়ায় ও প্রসেসড ফুডে এডিক্ট করে। আটার রুটি অনেকেই হেলদি বলেন, বাস্তবে, জেনেটিক্যালি মডিফাইড আটা আমাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার সৃষ্টি করে।
৫)চকোলেট-আইসক্রিমঃ এগুলো সুগার ফ্যাক্টরি বেইসিক্যালি। সেদিন এক রোগী আমূলের ডার্ক চকোলেটের ইনগ্রেডিয়েন্টস লিস্ট পাঠালেন। আমি দেখলাম, হাফ পাউন্ড চকোলেটের মধ্যে ৪৩ গ্রাম সুগার!!! আইসক্রিমের কথা আর নাই বলি।
৬)ফ্রাইড চিকেন ও অন্যান্য প্রসেসড চিকেন আইটেমঃ মুরগীর গোশত-ট্রান্স ফ্যাট-মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট-গ্লুটেনের এক ভয়াবহ কম্বিনেশান হচ্ছে ফ্রাইড চিকেন। বিশেষভাবে কম বয়সীদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের হার বাড়ায় এর বিশেষ ভুমিকা আছে।
৭)পিৎজা, পাস্তা ও বার্গারঃ পিৎজা, পাস্তা ও বার্গার প্রত্যেকটার কেমিক্যাল কম্পোজিশন এক কথায় ভয়াবহ। চিনি, জিএমও ট্রান্স ফ্যাট-গ্লুটেন, এমএসজি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, এক্সট্রা সোডিয়াম সবকিছু আছে এগুলোয়।
খেয়াল করেন, এই প্রতিটা খাবারই জড়িত আপনার স্ন্যাকিংয়ের সাথে।
স্ন্যাকিং কমান, আপনার লিভারকে সুস্থ রাখুন।


খাটি অলিভ অয়েল

খাটি অলিভ অয়েল কিভাবে চিনবেন এটা অনেকের জন্যই চিন্তার বিষয়। পৃথিবীতে হেলদি লাইফস্টাইল লিড করেন যারা তাদের অধিকাংশই কোন না কোন ভাবে অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন। এই জন্য অলিভ অয়েল ভেজালও হয় খুবই বেশি। পৃথিবীতে গ্রসারি স্টোরগুলোতে যত অলিভ অয়েল পাওয়া যায়, ধারনা করা হয় তার ষাট শতাংশেরও বেশি হচ্ছে নকল অলিভ অয়েল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অল্প কিছু অলিভ অয়েলের সাথে সানফ্লাওয়ার অয়েল, আলমন্ড/পিনাট অয়েল যোগ করে এসব নকল অলিভ অয়েল বানানো হয়।

সন্দেহজনক অলিভ অয়েল ব্র্যান্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত কিছু ব্র্যান্ড হচ্ছেঃ
Mezzetta
Safeway
Filippo Berio
Primadonna
Carapelli
Pompeian
Pietro Coricelli
Mazola
Sasso
Bertolli
Star
Whole Foods
Antica Badia
এইগুলি কেনা থেকে পুরোপুরি বিরত থাকবেন।
তুর্কীর Oleamea, Sizma, Zeytin, Novavera, Hic
বা ইতালির Vignolli, Olitalia অথবা চিলি, তিউনিসিয়া, অস্ট্রেলিয়ার অধিকাংশ ব্র্যান্ড মানের দিক থেকে নিখুত অলিভ অয়েল বানিয়ে থাকে।
অলিভ অয়েল কেনার সময় দেখবেন বোতল প্লাস্টিকের কি না। প্লাস্টিকের বোতল হলে আগেই বুঝবেন যে ঐ কোম্পানি ফ্রড, ওদের অলিভ অয়েল কেনা যাবে না। একই সাথে, স্বচ্ছ বোতলে যে অলিভ অয়েল দেয়া হয় সেগুলিও অপেক্ষাকৃত কম কেনাই ভাল। অলিভ অয়েল অবশ্যই কাচের অস্বচ্ছ বোতলে রাখা উচিত এবং সে কোম্পানির তেলই আপনি কিনবেন যারা অস্বচ্ছ বোতলে তেল দেয়।
অলিভ অয়েল চেনার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল, আপনাকে অলিভ অয়েল মুখে নিয়ে আস্তে আস্তে চেটে দেখতে হবে। যদি দেখেন যে কিছুটা ঘাসের মত স্বাদ বা একেবারেই কাচা ফলের মত স্বাদ, গলার মধ্যে গেলে হালকা ঝাল ঝাল লাগে, মনে হয় গলা চুলকাচ্ছে এবং কাশি আসতে পারে, তবেই বুঝতে হবে এটা আসল, সবুজ যয়তুন পিষে বানানো এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল।
অলিভ অয়েলের মধ্যে যেটা যয়তুন ওঠার মৌসুমের একেবারে শুরুর দিকে যয়তুন কাচা থাকতে থাকতে পিষে বের করা হয়, ওটাই সবচেয়ে ভাল, কিন্তু দামটাও একটু বেশি থাকে।
বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন ব্র্যান্ডের মধ্যে আমি সিজমা এবং ভিগনোলিকে বেশি প্রেফার করবো, এরমধ্যে সিজমা দামেও সস্তা।
ভুল ব্র্যান্ডের নিম্নমানের অলিভ অয়েল কিনে প্রতারিত হবেন না।


Tuesday, February 11, 2025

সুস্থ যৌ"ন জীবন

সুস্থ যৌ"ন জীবন নিশ্চিত করতে খাবার ও জীবনযাপনের কিছু নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। নিচে এ বিষয়ে কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো যা আপনার দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগতে পারে:
💡 সুস্থ যৌ"ন জীবনের জন্য প্রাকৃতিক খাবার ও অভ্যাস:
সকাল:
🥚 ১টি সিদ্ধ ডিম
🥛 ১ গ্লাস দুধ
🍯 ১ চামচ মধু
🍴 ৮-১০টি খেজুর
দুপুর:
🍇 ১০-১২টি কিসমিস
🍌 ১টি পাকা কলা
বিকাল:
🍯 ১ চামচ মধু
🥜 ১০-১২টি বাদাম (চীনা বাদাম/কাঠ বাদাম/কাজু বাদাম)
🥚 সম্ভব হলে ১টি ডিম
রাত:
শুধু রাতের খাবার গ্রহণ করুন।
🥘 সম্ভব হলে ১ মুঠো সিদ্ধ বা ভেজা ছোলা খান।
📝 গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
১. স"হবা"স করার জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
২. নিজের ও স্ত্রীর সাথে খোলামেলা আলোচনা করুন।
৩. হস্তমৈথু"ন, প"র্নো দেখা বা অন্যান্য খারাপ অভ্যাস থেকে বিরত থাকুন।
৪. সঠিক পজিশন খুঁজে বের করুন এবং দুর্বল পজিশন এড়িয়ে চলুন।
৫. ধৈর্য ধরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিন।
⚠️ কিছু সতর্কতা:
যৌ"ন সমস্যায় ভুগলে আগে থেকেই চিকি"ৎসা করান।
সমস্যা গুরুতর হলে শুধুমাত্র খাবার খেয়ে সমাধান নাও হতে পারে।
📌 মনে রাখুন:
নিজের জন্য এবং পরিবারের জন্য দায়িত্বশীল থাকুন।
স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন।
💖 সুস্থ জীবন কামনায়,
ডা. তপন দেব
আয়ুর্বে"দিক ও হারবা"ল চিকি"ৎসক
মোবাইল: 01821870170

===============

কি খেলে পুরুষালী হরমোন টেস্টোস্টেরন বাড়বে??
সহজ উত্তরে চলে যাই।
কোন ফুড আমাদের টেস্টোস্টেরন প্রডাকশনকে ট্রিগার করে না যতক্ষন না তাতে এই জিনিসগুলি থাকে। কি কি??
১)জিংক
২)ম্যাগনেসিয়াম
৩)বোরন
৪)ভিটামিন ডি
৫)ভিটামিন এ
৬)ভিটামিন ই
৭)কোলেস্টেরল
৮)সিট্রুলিন ও আর্জিনিন
৯)ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডস
১০)ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
এই নিউট্রিয়েন্টগুলি পেতে আমরা কি কি খেতে পারি??
গুগল ঘাটলে এক হাজার রকম জিনিস পাওয়া যাবে। কিন্তু ব্যালেন্সড মিল বুঝতে হলে নিউট্রিশন কিভাবে কাজ করে সেটার একাডেমিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং দরকার আছে। তাই, যার তার কাছ থেকে পরামর্শ না নেয়ার অনুরোধ থাকবে।
এবার বলি কিভাবে আমরা এই সাইনার্জি অর্জন করতে পারি।
১)কাঠালঃ কাঠাল চরম নিউট্রিয়েন্ট ডেন্স একটা ফুড। ভিটামিন এ, বি, সি, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম পাচটাই আছে কাঠালে।
২)ব্রাউন রাইসঃ সাদা ভাতের বদলে ব্রাউন রাইস খাবেন, জিংক, বোরন আর ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি কিছুটা হলেও পুরন হবে।
৩)তরমুজঃ তরমুজ আরেকটা চরম নিউট্রিয়েন্ট ডেন্স ফুড। সিট্রুলিনের ভান্ডার, সাথে আছে ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক। তবে পরিমানে অল্প।
৩)কাঠবাদামঃ বোরন পাবেন এতে, পাবেন ওমেগা থ্রি ফ্যাটস। ভিটামিন এ, সি ও ই।
৪)খেজুরঃখেজুরে অল্প অল্প করে সবই আছে, কোলেস্টেরল আর সিট্রুলিন, আর্জিনিন বাদে।
৫)গরুর গোশতঃ গরুর গোশতে আছে ওপরের সব নিউট্রিয়েন্টস। তাই, এটা হচ্ছে আলটিমেট টেস্টোস্টেরন বুস্টার।
এখন আসল কথা বলি।
এতগুলো নিউট্রিয়েন্ট কোনটা কি পরিমানে আপনার দরকার এইটা পারসন টু পারসন খুবই ভ্যারি করে। তাই, কারো যদি অবস্থা বেশি খারাপ হয় তাহলে অবশ্যই ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট বা কোন দক্ষ ডায়েটিশিয়ানের সাথে কথা বলুন।
কোন ফুডের সাথে কোন ফুড খাচ্ছেন এটারও ব্যাপার আছে।
মেটাবলিজম ঠিক না থাকলে টেস্টোস্টেরন বুস্টিং ফুড খাবেন এক নিয়তে, শরীর সেটাকে কাজে লাগাবে অন্য ভাবে, হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুবই বেশি। এজন্য সবচে জরুরী হল আগে মেটাবলিজম স্বাভাবিক করা।
আর টেস্টোস্টেরন বুস্ট করতে, সয়াবিনের বদলে সরিষার তেল, সাদা চালের বদলে বাদামী চাল খাওয়ার অভ্যাস করুন, সুগার ও সিগারেট ত্যাগ করুন।
শারীরিক পরিশ্রম করুন, রাতে ভাল করে ঘুমান। এগুলো ছাড়া কিন্তু ভাই তরমুজ খেয়ে লাল হয়ে বা কাঠাল খেয়ে হলুদ হয়ে বেশিদুর আগাতে পারবেন না।
প্লাস, যাদের ডায়বেটিস/হার্ট ডিজিজ/হাই ব্লাড প্রেসার বা বাড়তি ওজনের সমস্যা আছে, তারা রাতারাতি আসল পুরুষ হতে গিয়ে এসব বেশি খাওয়ার চেষ্টা করবেন না।
আগে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ম্যানেজ করতে হবে এবং বডি ফ্যাট কমাতে হবে। তাই, নিজে নিজে যা মন চায় খাবেন না।
ওপরের খাবারগুলো তারাই খাবেন, যাদের শরীরে সয়। আপনার শরীর বহু ডাক্তারি জানে, নগদে বহু টেস্ট বিনা পয়সায় করে দেয়। শরীরের কথা শুনুন।
যদি দেখেন শরীরে সইছে না, যোগাযোগ করুন জাননেওয়ালাদের সাথে। আর যতক্ষন শরীরে সয়, জাস্ট এনজয় দিজ ফুডস এন্ড বুস্ট ইয়োর টেস্টোস্টেরন।


সাপ্লিমেন্ট

  আমি আমেরিকা থাকি তাই আমেরিকারটা জানি। অন ্য দেশের গুলো জানিনা। Doctors Best (Overall Best) Triquetra (Any B Vitamins and B Complex) Now ( ...