সুস্থ যৌ"ন জীবন নিশ্চিত করতে খাবার ও জীবনযাপনের কিছু নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। নিচে এ বিষয়ে কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো যা আপনার দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগতে পারে:
সকাল:
দুপুর:
বিকাল:
রাত:
শুধু রাতের খাবার গ্রহণ করুন।
১. স"হবা"স করার জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
২. নিজের ও স্ত্রীর সাথে খোলামেলা আলোচনা করুন।
৩. হস্তমৈথু"ন, প"র্নো দেখা বা অন্যান্য খারাপ অভ্যাস থেকে বিরত থাকুন।
৪. সঠিক পজিশন খুঁজে বের করুন এবং দুর্বল পজিশন এড়িয়ে চলুন।
৫. ধৈর্য ধরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিন।
যৌ"ন সমস্যায় ভুগলে আগে থেকেই চিকি"ৎসা করান।
সমস্যা গুরুতর হলে শুধুমাত্র খাবার খেয়ে সমাধান নাও হতে পারে।
নিজের জন্য এবং পরিবারের জন্য দায়িত্বশীল থাকুন।
স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন।
ডা. তপন দেব
আয়ুর্বে"দিক ও হারবা"ল চিকি"ৎসক
মোবাইল: 01821870170
===============
কি খেলে পুরুষালী হরমোন টেস্টোস্টেরন বাড়বে??
সহজ উত্তরে চলে যাই।
কোন ফুড আমাদের টেস্টোস্টেরন প্রডাকশনকে ট্রিগার করে না যতক্ষন না তাতে এই জিনিসগুলি থাকে। কি কি??
২)ম্যাগনেসিয়াম
৩)বোরন
৪)ভিটামিন ডি
৫)ভিটামিন এ
৬)ভিটামিন ই
৭)কোলেস্টেরল
৮)সিট্রুলিন ও আর্জিনিন
৯)ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিডস
১০)ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
এই নিউট্রিয়েন্টগুলি পেতে আমরা কি কি খেতে পারি??
গুগল ঘাটলে এক হাজার রকম জিনিস পাওয়া যাবে। কিন্তু ব্যালেন্সড মিল বুঝতে হলে নিউট্রিশন কিভাবে কাজ করে সেটার একাডেমিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং দরকার আছে। তাই, যার তার কাছ থেকে পরামর্শ না নেয়ার অনুরোধ থাকবে।
এবার বলি কিভাবে আমরা এই সাইনার্জি অর্জন করতে পারি।
১)কাঠালঃ কাঠাল চরম নিউট্রিয়েন্ট ডেন্স একটা ফুড। ভিটামিন এ, বি, সি, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম পাচটাই আছে কাঠালে।
২)ব্রাউন রাইসঃ সাদা ভাতের বদলে ব্রাউন রাইস খাবেন, জিংক, বোরন আর ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি কিছুটা হলেও পুরন হবে।
৩)তরমুজঃ তরমুজ আরেকটা চরম নিউট্রিয়েন্ট ডেন্স ফুড। সিট্রুলিনের ভান্ডার, সাথে আছে ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক। তবে পরিমানে অল্প।
৩)কাঠবাদামঃ বোরন পাবেন এতে, পাবেন ওমেগা থ্রি ফ্যাটস। ভিটামিন এ, সি ও ই।
৪)খেজুরঃখেজুরে অল্প অল্প করে সবই আছে, কোলেস্টেরল আর সিট্রুলিন, আর্জিনিন বাদে।
৫)গরুর গোশতঃ গরুর গোশতে আছে ওপরের সব নিউট্রিয়েন্টস। তাই, এটা হচ্ছে আলটিমেট টেস্টোস্টেরন বুস্টার।
এখন আসল কথা বলি।
এতগুলো নিউট্রিয়েন্ট কোনটা কি পরিমানে আপনার দরকার এইটা পারসন টু পারসন খুবই ভ্যারি করে। তাই, কারো যদি অবস্থা বেশি খারাপ হয় তাহলে অবশ্যই ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট বা কোন দক্ষ ডায়েটিশিয়ানের সাথে কথা বলুন।
কোন ফুডের সাথে কোন ফুড খাচ্ছেন এটারও ব্যাপার আছে।
মেটাবলিজম ঠিক না থাকলে টেস্টোস্টেরন বুস্টিং ফুড খাবেন এক নিয়তে, শরীর সেটাকে কাজে লাগাবে অন্য ভাবে, হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুবই বেশি। এজন্য সবচে জরুরী হল আগে মেটাবলিজম স্বাভাবিক করা।
আর টেস্টোস্টেরন বুস্ট করতে, সয়াবিনের বদলে সরিষার তেল, সাদা চালের বদলে বাদামী চাল খাওয়ার অভ্যাস করুন, সুগার ও সিগারেট ত্যাগ করুন।
শারীরিক পরিশ্রম করুন, রাতে ভাল করে ঘুমান। এগুলো ছাড়া কিন্তু ভাই তরমুজ খেয়ে লাল হয়ে বা কাঠাল খেয়ে হলুদ হয়ে বেশিদুর আগাতে পারবেন না।
প্লাস, যাদের ডায়বেটিস/হার্ট ডিজিজ/হাই ব্লাড প্রেসার বা বাড়তি ওজনের সমস্যা আছে, তারা রাতারাতি আসল পুরুষ হতে গিয়ে এসব বেশি খাওয়ার চেষ্টা করবেন না।
আগে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ম্যানেজ করতে হবে এবং বডি ফ্যাট কমাতে হবে। তাই, নিজে নিজে যা মন চায় খাবেন না।
ওপরের খাবারগুলো তারাই খাবেন, যাদের শরীরে সয়। আপনার শরীর বহু ডাক্তারি জানে, নগদে বহু টেস্ট বিনা পয়সায় করে দেয়। শরীরের কথা শুনুন।

No comments:
Post a Comment