খাওয়া-দাওয়া একটু এদিক সেদিক হলেই অ্যাসিডিটি হচ্ছে? তবে দই আর মধু একসাথে খেয়ে দেখুন।
দইয়ে রয়েছে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিক। এই প্রোবায়োটিক পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। অপরদিকে মধুতে রয়েছে প্রিবায়োটিক এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণাগুণ। তাই দইয়ে মধু মিশিয়ে গ্রহণ করলে এই দুইটি উপাদান একত্রে পরিপাকতন্ত্রকে সুরক্ষা দেয়, হজমে সমস্যার সমাধান করে, পরিপাকতন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা নির্মূল হয় সহজেই।
================
**হাইপারেমিক গ্যাস্ট্রোপ্যাথি (Hyperemic Gastropathy) কী?**
হাইপারেমিক গ্যাস্ট্রোপ্যাথি হলো পাকস্থলীর আস্তরণ (মিউকোসা) ফুলে যাওয়া এবং রক্তনালী প্রসারিত হওয়ার একটি অবস্থা। এটি সাধারণত পাকস্থলীর মিউকোসায় রক্তপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে হয়, যা প্রদাহজনিত হতে পারে বা হতে পারে না। অনেক সময় এটি গ্যাস্ট্রাইটিসের প্রাথমিক ধাপে দেখা যায়।
---
---
### **লক্ষণসমূহ**
---
### **চিকিৎসা ও প্রতিরোধ**
- **প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI):** ওমিপ্রাজল, এসোমিপ্রাজল, ল্যান্সোপ্রাজল ইত্যাদি পাকস্থলীর অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে।
- **এইচ-২ ব্লকার:** রানিটিডিন বা ফ্যামোটিডিন অ্যাসিড নিঃসরণ কমায়।
- **অ্যান্টাসিড:** এসিড নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করে।
- **সুক্রালফেট:** পাকস্থলীর আস্তরণ রক্ষা করতে সাহায্য করে।
- অতিরিক্ত ঝাল ও মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
- নিয়মিত ও পরিমাণমতো খাবার খান, দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকবেন না।
- ধূমপান ও অ্যালকোহল সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন।
- পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।
- স্ট্রেস কমাতে মেডিটেশন বা যোগব্যায়াম করুন।
- **আদা চা:** হজমে সাহায্য করতে পারে এবং পাকস্থলীর প্রদাহ কমাতে সহায়ক।
- **মধু:** গরম পানির সাথে মধু পাকস্থলীর আস্তরণ রক্ষা করতে পারে।
- **পেঁপে বা কলা:** পাকস্থলীর এসিড কমাতে সাহায্য করতে পারে।
- **সাউথ ইন্ডিয়ান ফুড (যেমন ইডলি, দই-ভাত):** হালকা ও সহজে হজমযোগ্য খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
**
সতর্কতা:**
যদি উপসর্গ দীর্ঘদিন চলতে থাকে বা বমিতে রক্ত আসে, তবে দ্রুত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
===========
ধরুন আপনার আলসার হয়েছে
তাহলে আপনার খাদ্যাভ্যাসটা কিরকম হবে?
শাক কখনোই খেতে পারবেন না অন্তত যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার ভিতরে ঘা টা শুকাচ্ছে
এটলিস্ট ৩ বছর
মরিচ ভর্তা
বিরিয়ানি
ঘি তে রান্না করা তরকারি
বাদাম বাটা দিয়ে রান্না করা তরকারি
বড় চিংড়ি মাছ
মেয়োনিজ
চিজ
দুধ
দুধে তৈরি খাবার সব বন্ধ থাকবে
ডিফ ফ্রাই করা খাবার আপনার জন্য হারাম।
তাহলে কি কি খেতে পারবেন?
সবজি সিদ্ধ লবণ কম দিয়ে।
দই চিড়া
একটু ফেনা ভাত করে আলু ভর্তা কোন মরিচ ব্যবহার করতে পারবেন না যেমন শকনা মরিচ এই টাইপসের কোন কিছু না।
হ্যাঁ এক টুকরা কাঁচা মরিচ দিতে পারেন গোটা
কাঁচা সরিষার তেল দেয়া যাবে না।
সাবুদানা খেজুর দিয়ে রান্না করে খেতে পারবেন দুধ ছাড়া।
দই ডেইলি দুই কাপ মত খেতে পারবেন।
এছাড়া ভুট্টা সিদ্ধ খেতে পারবেন
ব্রকলি খেতে পারবেন ফুলকপি খেতে পারবেন পাতাকপিতে আবার পেট ব্যথা করবে।
মোট কথা আপনার খাবার খুব লিমিটেড হয়ে যাবে একটু লবণ কম দিয়ে
এভাবে করে আপনার ভিতরে সুস্থতাটা আনতে হবে।
দুই তিন বছর পরে আপনি আবারও গরুর মাংস শাক খেতে পারবেন।
নিজেকে কন্ট্রোল করা শিখতে হবে।
ব্যথা উঠলে ব্যথার ওষুধ খাব এই ক্ষেত্রে দেখা যায় যে রোগীর ব্যথা এত বেশি হয় একদম কলিজায় লাগে।
আগে খেয়ে ফেলি পরেরটা পরে দেখব এই ভাবে পারবেন না
গরুর মাংস না খেলে মানুষ মারা যায় না।
হ্যাঁ কচি ভেড়ার মাংস আপনি বিয়ে মেরিনেট করে রান্না করে খেতে পারবেন।
শিং মাছের ঝোল পাতলা করে মাছের ঝোল মাগুর মাছের ঝোল এগুলাই চলবে
আপনার রান্না করা মাঝেও ধনেপাতা ইউজ করতে পারবেন না।
শুটকিও আপনার জন্য হারাম।
মুরগি একদম পাতলা করে বাচ্চা মুরগি বেশি করে সিদ্ধ করে যাতে মাংস খুলে খুলে আসে আপনি চুমুক দিয়ে দিয়ে খেতে পারেন পাতলা জাও ভাত দিয়ে।
আপনার জন্য সুখবর হচ্ছে আপনি আবার প্যাকেটজাত ও সিরিয়াল গুলো খেতে পারবেন।
তবে আবার একই সাথে দুঃসংবাদ হচ্ছে এগুলোর সাথে দুধ মিশিয়ে খেতে পারবেন না।
আপনাকে হালকা গরম পানিতে এগুলো নরম করে চুমুক দিয়ে খেয়ে ফেলতে হবে।
জীবন একটাই।সব সময় অসুস্থ চলার থেকে জীবনটাকে উপভোগ করা শিখুন।
যেসব আত্মীয়-স্বজন আপনাকে জোর করে গরুর মাংস খাওয়ায় তাদেরকেও জীবন থেকে বাদ দিয়ে দিন।
গরুর মাংস যেদিকে থাকবে আপনি সেদিকে হাঁটবেনও না।
হালিম খাওয়া যাবেনা মসুরের ডাল খাওয়া যাবেনা।
মুগ ডাল খেতে পারবেন।
মাসকালাই ডাল খেতে পারবেন না।
বার্লি খেতে পারবেন।
জীবনের চটকদার মজাদার ভুনা মসলাদার গরুর মাংস খেতে খেতে জীবনটাকে ফিকে করে ফেলেন
আরেকদল আছে গরম গরম চা চুলার থেকে নামাই মাত্র খেয়ে ফেলে।
এটাও আলসারের আরেকটা বড় কারণ।চা একটু মিডিয়াম ঠান্ডা করে খান। দুধ চা তো একেবারেই না।
আপনি ভালো থাকলেই আমরা ভালো থাকি।
নিচের টলটলে পানি দেখে মনে হচ্ছে না এর চেয়ে না খেয়ে থাকা অনেক ভালো।
আমার একটুও মনে হয় না আমি কখনো আলসারের রোগী ছিলাম না বাবার গ্যাস্ট্রাইটিস এর কোন সমস্যা নাই
কিন্তু আমি তেল মসলাদার খাবার অনেকাংশে এড়িয়ে চলি
এবং আমি গ্যাসের ওষুধ খেয়ে দাওয়াতে যাই না।
আমি দুধ চা খাই না
আমার ফিটনেসে আমার এই লোভ সংবরণ করা দুটি চোখ অনেকাংশেই যোদ্ধার মত কাজ করে।
ভালো থাকুন।
লবণ কম খেতে বলেছি কেন জানেন?
যেকোনো ধরনের ইনফ্লামেশন বা বডিতে কোন রক্তক্ষরণ হতে থাকলে বা কোন ঘা থাকলে সেটা শুকাতে
লবণ বাধা দেয়। লবন শরীরে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে।
তাই একটু লবণ কমিয়ে রাখলে আপনার তেমন কিছু যাবে আসবে না বেঁচে থাকার জন্য সুস্থ হয়ে যান।
হসপিটালের বেডে কাটানো দিনগুলোতে আপনার কাছে মনে হবে যে সুস্থতা আল্লাহর কাছে পাওয়ার সবচেয়ে বড় নেয়ামত। তখন মনে হবে যে লবণ ছাড়া কেন আমাকে মনে হয় একটু সিদ্ধ করে দিলেই আমি সে খাবারটা খেতে পারব।
তাই পরে আফসোস না করে শুরু থেকেই নিজেকে সংবরণ করুন।
==========
যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে না!
আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে না। এই সমস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে। অনেকেরই এ সব খাবার খাওয়ার পরে পেট ব্যথা বা বুকে ব্যথা কিংবা বদ হজম হয়।
অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ওষুধ না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের যেকোন একটি নিয়ম মানলেই চলবে।
২. এক গ্লাস পানি একটি হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ পানিতে দিয়ে দিন। পানি অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর নামিয়ে আনুন। পানি ঠাণ্ডা হলে হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক দৌঁড়ে পালাবে। অথবা,



No comments:
Post a Comment