Thursday, January 9, 2025

নারীর জন্য

নারীর জন্য!

কিভাবে স্বামী কে আদর করবেন?
যৌন মিলনে সুখি হতে চাইলে সব দায়ভার কখনোই স্বামীর উপর ছেড়ে দিবেন না যদিও স্বভাবজাতভাবে স্বামী মুখ্যভূমিকা পালন করে থাকে আর স্ত্রীর ভূমিকা গৌন।কিন্তু স্ত্রী যখন স্বামীর আবেগকে বুঝবে, নিজেকে শুধুমাত্র নিজের স্বামীর কাছেই যৌন আবেদনময়ী করে উপস্থাপন করবে,স্বামীকে উত্তেজিত করে তুলবে,চুপচাপ বিছানার এককোণে পরে থাকবে না আশা করা যায় যৌনমিলন ভরপুর একসুখের সীমানায় নিয়ে যাবে।
কিছু টিপস স্ত্রীদের জন্য-
১) স্বামীর জন্য সাজুন,স্বামীকে ভালবাসুন,স্বামীর মেজাজকে বুঝতে চেষ্টা করুন।
২)স্বামীকে সারপ্রাইজ দিতে মাঝে মাঝে খোলামেলা পোশাক পড়ুন স্বামীর সামনে, অন্যের কাছে নিজেকে খুব গোপনীয় রাখার চেষ্টা করুন, স্বামীর সামনে নিজের সৌন্দর্য কে ফুটিয়ে তুলুন।
৩) লাজুকতা থাকবে,এটা নারীর সৌন্দর্য। তবে বিছানায় ঝেড়ে ফেলুন। উগ্রতা মাঝে কামনীয়, রোমান্টিক কথা, স্ত্রীর চিৎকার স্বামীকে পাগল করে দেয়, স্বামীর যৌন অক্ষমতা থেকে হিফাজত করে, সেক্স হরমোন রিলিজ করে, লিঙ্গকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দৃঢ়, মজবুত করে রাখে।
৪) স্বামীকে দিয়েই আদর শুরু করুন,তার বিশেষ বিশেষ জায়গায় বিদ্যুৎ চমকায় দিন, তাকে গরম করে ছেড়ে দিন, যখন আপনার পালা আসবে তখন স্বামীর উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয়ে যাবে যা দ্রুত বীর্যপাত কমিয়ে দিবে।
৫) স্বামীর যৌন পার্ফমেন্স কে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিন। স্পেশাল জিনিসটি নিজের প্রিয় জিনিস বানিয়ে নিন, আর স্বামীর কানে কানে সেটা জানিয়ে দিতে ভুলবেন না।
৬) স্বামীর পোশাক খুলতে সহায়তা করুন, প্রয়োজনে আপনি নিজে খুলে দিন, আর আপনার টা যেন আপনার স্বামী খুলে দেয়, তাকে যৌনতার শুরে অনুরোধ করুন।
৭)বডি মেসেজ এটা করতে ভূলবেন না, প্রচুর পরিমানে করুন, পরস্পরের সেক্সের আনন্দ বাড়িয়ে দিবে বহুগুন, স্বামীর সেনসেটিভ জায়গায় ভালোমত মেসেজ দিলে আশা করি দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যাটা আস্তে আস্তে কমে যাবে।
৮) হঠাৎ হঠাৎ স্বামীকে ঘুমের মধ্যে নিজে থেকে আদর করুন, উত্তেজিত করে, তার যৌনক্ষুধা বাড়িয়ে দিন।
৯) মাঝে মাঝে উঠতে বসতে হালকা যৌনালাপ করুন, মন মেজাজ ফুরফুরে থাকবে, সারাদিনের একঘেয়েমি দূর হয়ে যাবে, যৌনতা কে পরস্পরের মধ্যে মনখুলে ভালোবাসুন। নিজেদের মধ্যে গোপন রাখুন, মাঝে মাঝে সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করুন, যা শুধু আপনারা ছাড়া দুনিয়ার কেউই যেন না বুঝে।
১০) হঠাৎ হঠাৎ সেক্সুয়াল টেক্সট করুন, বলুন তাকে খুব মিস করছেন, কাছে পেতে খুব ইচ্ছে করছে।
১১)যদি কখন ও কনডম ব্যবহার করতে হয়, তখন আপনি আপনার স্বামীর লিঙ্গে প্যাকেটটি খুলে সুন্দর করে পড়িয়ে দিন।
১২) স্বামীর চরম পুলক অর্থাৎ বীর্যপাতের সময় বেশি আপন করে নিন, শক্ত করে জড়িয়ে ধরুন, হালকা হট কথা বলুন।
১৩) বিভিন্ন পজিশনে যৌনমিলন করতে ভুলবেন না। যেটাতে বেশি স্থায়িত্ব সেই পজিশনে বেশি করুন।
১৪) কখন ও মনমতো অর্গাজম বা আপনার বীর্যপাত না হলে মন খারাপ না করে দ্বিতীয়বার চেষ্টা করুন, প্রয়োজনে ডিম দুধ খেয়ে নিন। দ্বিতীয়বার করতে চাইলে ওযু করতে ভুলবেন না।
১৫) মনে রাখবেন স্ত্রী হলো স্বামীর শস্য ক্ষেত্র তাই খুব যত্ন করে আবাদ করান, ভালো ফল নিশ্চিত।

====

মেয়েরা ফিঙ্গারিং করলে কি সাস্থের কোন ক্ষতি হতে পারেঃ
ফিঙ্গারিং বা হস্তমৈথুন করার ফলে শরীরে যেসব ক্ষতি সাধিত হয়:
চলুন জেনে নেই।
১। হস্তমৈথুন করলে দ্রুত বীর্যপাতের অভ্যাস তৈরী হয়ে যায়, যা বিয়ের পর সন্তান জন্মদানে ও পরিপূর্ণ সুখলাভে বাধা সৃষ্টি করে।
২। হস্তমৈথুন করলে নিয়মিত মাথাব্যাথার সমস্যা হয়।
৩। হস্তমৈথুন করলে স্মৃতিশক্তি, মেধাশক্তি, বিবেকশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি লোপ পায়।
৪। হস্তমৈথুন করলে লিঙ্গ দুর্বল হয়ে যায় তথা একটা সময় সেক্স উত্তেজনা কমে যায়।
৫। হস্তমৈথুন করলে চরিত্র নষ্ট হয়ে যায়।
৬। হস্তমৈথুন ফলে যিনা বা সমকামিতার মতো কবীরা গুনাহ হয়।
৭। হস্তমৈথুন করলে একটা সময় স্বাস্থ নষ্ট হয়ে রোগাক্রান্ত আকার ধারণ করে।
৮। হস্তমৈথুন করতে থাকলে একটা সময় স্বামীর সাথে যৌনমিলনের আগ্রহ কমে যায়।
৯। হস্তমৈথুন করতে থাকলে বীর্যে ডিম্বাণুর পরিমাণ কমে গিয়ে একটা সময় বাচ্চা হয় না।
১০। হস্তমৈথুন করতে থাকলে নিজের মধ্যে সবসময় বাজে চিন্তা কাজ করে।
১১। যারা হস্তমৈথুন করে, তারা সহজে 'মা' ডাকটি শুনতে পায় না।
১২। হস্তমৈথুন করার ফলে স্বামীকে পূর্ণ সুখ দিতে অসামর্থ্য হওয়ায় স্বামী স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয়।
১৩। স্ত্রীর হস্তমৈথুনের ফলে পূর্ণ সুখ না পাওয়ায় অনেক স্বামী পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে পড়ে।
১৪। হস্তমৈথুন, ফিঙ্গারিং বা মাষ্টাবেশন করার ফলে মেয়েদের সতিচ্ছেদ হয়ে যায়, ফলে কুমারীত্ব নষ্ট হয় এবং বিয়ের পর স্বামীর সাথে সম্পর্ক টিকে না।
তাই, সকলের উচিত হস্তমৈথুন বা ফিঙ্গারিংকে 'না' বলা।
অবশ্যই স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। হাত দিয়ে অতিরিক্ত ফিঙ্গারিং করলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিবে।
প্রথম কথা হলো এই কাজটি সব ধর্মেই নিষেধ করা হয়েছে। তাছাড়া এটি অপচয়। আর অপচয় করা প্রায় সব ধর্মেই নিষিদ্ধ। ইসলাম ধর্মে অপচয়কারিকে শয়তানের ভাই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বীর্য আল্লাহর একটি নিয়ামত, আর ফিঙ্গারিং-এর মাধ্যমে এই নিয়ামতের অপচয় হয়ে থাকে। অতিরিক্ত ফিঙ্গারিং-এ যোনীপথে ঘা এর সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি রক্তক্ষরন ও হতে পারে। বিশেষ করে যোনীতে বিভিন্ন বস্তু প্রবেশের কারণে জীবানু সংক্রমন ঘটতে পারে। এমনকি প্রস্রাবে জালাপোড়া সহ জীবানু সংক্রমনের কারণে সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হতে পারে। নিয়মিত ও অতিরিক্ত ফিঙ্গারিং করায় যৌনশক্তি কমে যাওয়া ও শারিরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া অভ্যাসে পরিনত হওয়া বা দীর্ঘদিন এই অভ্যাসের ফলে যৌন আকাঙ্খা কমে যেতে পারে। তাছাড়া বিবাহিত জীবনে যৌন অনীহার সৃষ্টি হতে পারে যা দাম্পত্বেও প্রভাব ফেলে।
তাই এমন গর্হিত পদ্ধতিটি এড়িয়ে চলাই বিবেকের দাবী। এবং ধর্মীয় বিষয়গুলিতে মনযোগী হলে এই অভ্যাসটা সহজেই ত্যাগ করা যায়। তাছাড়া অশ্লিল কল্পনা ও অশ্লিল ছবি বা ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকা। শালীনতা বজায় ও বিপরীত লিঙ্গের সহিত রসালাপ ত্যাগ করা। নিয়মিত ব্যায়াম করা। অবসর সময়ে ধর্মীয় বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। সর্বোপরি নিজেকে আত্মনিয়ন্ত্রনে রাখতে পারলেই এই অভ্যাস ত্যাগ বা তা থেকে বিরত থাকা সম্ভব।
⭕ সব মহিলাদের কাছে এটা পৌঁছান যাতে করে তারা ফিঙ্গারিং বা হস্তমৈথুন করার ফলে শরীরে যেসব ক্ষতি সাধিত হয় তা জানতে পারে।

====

পুরুষাঙ্গ দৈর্ঘ্যের সমীক্ষায় বিশ্বসেরা যে দেশ!
সম্প্রতি পুরুষাঙ্গ নিয়ে এক সমীক্ষা প্রকাশ করেছে ‘ওভারসাইজ’ নামে একটি সংস্থা। ওই সমীক্ষায় দেওয়া তথ্যে সবচেয় দীর্ঘ পুরুষাঙ্গের প্রথম পাঁচ দেশের তালিকায় লড়াই করছে আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলো। এর পরেই রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
সবচেয়ে দীর্ঘ পুরুষাঙ্গ সুদান ও কঙ্গোর পুরুষদের। এই দুই দেশের পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৭.১ ইঞ্চি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইকুয়েডর। ইকুয়েডরে পুরুষাঙ্গের গড় সাইজ ৭ ইঞ্চি। এরপর রয়েছে ঘানা, কলোম্বিয়া, লেবানন, ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া অবস্থান।
পুরুষাঙ্গের মানচিত্রে জার্মানি, ইংল্যান্ড ও আমেরিকার স্থানও খুবই লজ্জাজনক। জার্মানিতে পুরুষাঙ্গের গড় সাইজ ৫.৭ ইঞ্চি। ইংল্যান্ড ও আমেরিকায় পুরুষাঙ্গ-এর গড় সাইজ ৫.৬ ইঞ্চি।
পুরুষাঙ্গের এ ছবিতে এশিয়ার দেশগুলোর অবস্থান একদমই ভালো নয়। ভারতের আগে রয়েছে স্পেন, রাশিয়া ও চিন। চিনে পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৫.৩ ইঞ্চি। সেখানে ভারতে পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১। তবে, ভারতীয় পুরুষরা একটু আত্মপ্রসাদ লাভ করতেই পারেন এটি ভেবে, তাদের পেছনেই রয়েছে জাপানের মতো দেশ। আরো পেছনে রয়েছে আয়ারল্যান্ড, ইতালি, গ্রিস, দক্ষিণ কোরিয়া। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, এশিয়ার মধ্যে ফ্রি-সেক্সের জন্য খ্যাত যে দেশ, সেই থাইল্যান্ড পুরুষাঙ্গের এ মানচিত্রে সবার পেছনে। সেখানে নৈশ-নেশায় কোটি কোটি পর্যটক ফি বছর ব্যাঙ্কক, পাটায়া যান। কিন্তু, তারা কি জানেন, থাইল্যান্ডে পুরুষাঙ্গের গড় সাইজ মাত্র ৩.৭ ইঞ্চি! তবে এ সমীক্ষায় বাংলাদেশের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এবার আসুন আপনার পেনিসের প্রসঙ্গে :-
আপনার লিঙ্গ ছোট হয়ে যায় নি, এটা আপনার মনের ভুল। লিঙ্গ প্রাকৃতিক ভাবে ছোট বা বড় হয়ে যেতে পারে না। নিয়মিত দুধ, ডিম, মধু খেয়ে যান আপনার উত্তেজনা ঠিক হয়ে যাবে। তখন দেখবেন আপনার লিঙ্গ আপনার কাছে ঠিকই মনে হচ্ছে। আর হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে আজই পরিত্যাগ করার উদ্যোগ নিন। আশা করি এ বিষয়ে আর কোনো হীনমন্যতায় ভুগবেন না। ধন্যবাদ


====
মেসেজে অনেক পুরুষই আমাকে পর্ণ আসক্তির কথা বলে থাকেন।
তারা এই অভ্যাসটা পরিবর্তন করতে চান।
পর্ণ আসক্তি বন্ধ করার অনেকগুলো উপায় আছে।
পর্নোগ্রাফি দেখা আপনাকে পর্ণে আসক্ত করে না।
পর্ণ আসক্তি ঘটে যখন আপনার পর্নোগ্রাফি দেখার ফলে আপনার দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। যদিও এটি মানসিক রোগ নির্ণয়ের প্রক্রিয়ায় অফিসিয়ালি স্বীকৃত নয় কিন্তু মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা একমত যে পর্ণ আসক্তি বাস্তবে বিদ্যমান।
পর্ণে আসক্তি নিম্নলিখিত লক্ষণ দ্বারা চিহ্নিত করা যেতে পারে:
- আপনি যখন অন্যান্য কাজ করছেন তখনো আপনি পর্ণ সম্পর্কে চিন্তা করেন।
- আপনি পর্ন দেখার জন্য ক্রমগত বেশী সময় ব্যয় করেন এবং তারপরেও সময়টুকু যথেষ্ট বলে মনে হয় না। এমনকি আপনি অস্বাভাবিক সময়ে পর্ণ দেখেন, যেমন : কর্মস্থলে থাকাকালীন সময়ে।
- আপনি আপনার কাছের লোকদের কাছ থেকে পর্ণ দেখার বিষয়টি লুকিয়ে রাখেন কারণ আপনি মনে করেন যে তারা এটি সাপোর্ট করবে না।
- পর্ণ না দেখা পর্যন্ত আপনি অসন্তুষ্ট থাকেন।
- আপনি নিজের যৌনসম্পর্কে বা সঙ্গীর সাথে পর্ণের সংমিশ্রণ না থাকলে অসন্তুষ্ট থাকেন।
- কেবল রেগুলার পর্ন দেখা চালিয়ে গেলেই আপনার আর হচ্ছেনা বরং একই পরিমাণ যৌন সুখ পেতে আপনাকে আরও এক্সট্রিম পর্ন দেখতে হবে।
- আপনি পর্ন দেখা বন্ধ করতে চান, হয়তো আপনি চেষ্টাও করেছেন, কিন্তু পারবেন না।
নিজে থেকে পর্ণ দেখা বন্ধ করতে, নিম্নের কাজ গুলো করতে পারেন:
- আপনার সমস্ত ডিভাইস থেকে পর্নোগ্রাফি এবং পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইটগুলি ডিলেট করে দিন এবং ব্লক করুন৷ পর্নোগ্রাফির কোন হার্ড কপি থাকলে সেগুলো ফেলে দিন।
- ব্যস্ত থাকলে পর্ণের ফলে নিঃসৃত ডোপামিন হিট যে আপনি মিস করছেন সে বিষয়ে চিন্তা আসেনা। এমন একটি স্বাস্থ্য পরিকল্পনা করতে পারেন যাতে করে পর্ণ দেখার চিন্তা আসতে শুরু করলেই আপনি পরিকল্পনা মাফিক কাজ শুরু করতে পারেন। ব্যায়াম করা থেকে শুরু করে গান শোনা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিয়াকলাপ ডোপামিন নিঃসরণকে ত্বরান্বিত করে। আপনার যখন পর্ন দেখতে ইচ্ছা করবে তখন তার পরিবর্তে আপনি কী করবেন তার একটি সুন্দর পরিকল্পনা তৈরি করুন।
- যদি এমন কোন জিনিস থাকে যা আপনার পর্ন দেখার ইচ্ছাকে জাগ্রত করে তাহলে সেগুলো এড়িয়ে চলুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি সবসময় সন্ধ্যায় পর্ন দেখতে কম্পিউটারে বসেন তাহলে লগ ইন করবেন না।
- যখন আপনার পর্ন দেখতে ইচ্ছা করবে তখন মনে মনে ভাবুন কিভাবে পর্ণ আপনার জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই আসক্তি থেকে আপনার কি কি ক্ষতি হয় অথবা কী ক্ষতি করছে? আপনাকে কিসের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, আপনি কীভাবে মোকাবেলা করছেন এবং আসক্তির বাইরে জীবন থেকে আপনি কী চান সে সম্পর্কে লিখে লিখে ভেবে দেখতে পারেন।

===
নতুন বিবাহিতরা কন*ডম ব্যবহার করা ভালো হবে নাকি পিল খাওয়ানো ভালো হবে?
বিবাহর পর পরই বাচ্ছা না নিলে।
অবশ্যই কন*ডম ব্যবহার করা ভালো। কারণ পিলের বিভিন্ন সাইড ইফেক্ট থাকে এর ফলে শরীরে বিভিন্ন হরমোনাল সমস্যা ও তৈরি হয়।
যদি আগে থেকে শারীরিক মি-লন করবেন এমন ঠিক করে থাকেন তাহলে আগে থেকেই কনডম পড়ে নেবেন। আসলে ভারতে বিভিন্ন দম্পতিরা নিজেদের মধ্যে হঠাৎ করেই শারীরিক মি-লন করে ফেলে তাই তারা কন*ডম পড়ার সুযোগ পায় না তাই খানিকটা বাধ্য হয়েই মহিলাদের পি-ল খেতে হয়।

====
মেয়েদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ন কথা:-
১. যথাসম্ভব veet এড়িয়ে চলুন। veet ব্যবহারের কারনে যৌনাঙ্গ কালো হয়ে যায়।
২.পিরিয়ড চলাকালিন সময় দিনে ২ বার গোসল করবেন।
৩. প্রতি ৩ মাস অন্তর অন্তর ব্রা,পেন্টির সেট চেঞ্জ করবেন। তা না হলে গরম পানি দিয়ে ফুটিয়ে ধুয়ে ঔ গুলো ব্যবহার করবেন তাহলে ৬-৭ মাস ব্যবহার করা যায়।
৪.সময়মতো প্যাড চেঞ্জ করবেন।৪-৫ ঘন্টা এর বেশি রাখবেন না। এতে আপনার প্যাড লিক হয়ে যাবে তার সহনশীল ক্ষমতা থাকবে না। যার কারনে আপনার ব্লাড আবার আপনার শরীরে প্রবেশ করবে যার ফলে জরায়ুতে সমস্যা হয়।
৫. সবসময় মানসিক স্টেট ঠিক রাখবেন।
৬. গোপনাজ্ঞে সাবান ব্যবহার করবেন না কখনো। কারন, সাবানে থাকে প্রচুর ক্ষার, আর সেই ক্ষার আপনার যৌনাঙ্গে প্রবেশের পর আপনার ক্যান্সার হতে পারে।
৭. বয়সের সাথে সাথে স্তন বড় না হলে বা স্তনে পানি অথবা পুজঁ ইত্যাদি দেখা দিলে গাইনি ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ করুন।
নারীদের সকল সমস্যা নিয়ে-জানতে হবে , মানতে হবে এবং সুস্থ থাকতে হবে।

====

আর্ট অফ সেক্স : কি করে এনজয় করবেন ?
সেক্স এডুকেশনের অজ্ঞতার কারণে সেক্সকে দেশি লোকজন ভাবে দুটো কাজের জন্যে - হয় জন্ম দিতে, নয় সেক্স মানে একজনের ইন্টিমেট পার্ট আরেকজনের শরীরে প্রবেশ করতে ।
শিক্ষার গোড়াতেই ফেল বেশির ভাগ শিক্ষার্থী । কারণ, দুটোই ভুল । সেক্স কেবল জন্ম দেয়ার জন্যে নয় । সেক্স মানে কেবল পিনার্ট্রেশন নয় ।
সেক্স এর অর্ধেক মাইন্ড, বাকি অর্ধেক বডি । সেক্স হলো মাইন্ড-বডি গেম । পিনারট্রেশন হলো গেম শেষ । পিনার্ট্রেশান খেলা নয় । এটি হলো বল নিয়ে গোলপোস্টের আসে পাশে খেলা ।
খেলার মাঠে পুরো খেলাটাই আসল খেলা । খেলার উত্তেজনা হলো মধ্যমাঠ থেকে ম্যারাডোনার সেই ইংল্যান্ডকে দেয়া ৮৬' র বিখ্যাত গোলের মতো, আট জনকে কাটিয়ে গোল দেয়ার নান্দনিক সৌন্দর্য্য । গোলটা একটি ফলাফল মাত্র. । খেলার মূল আর্ট মাঠ জুড়ে তার বল নিয়ে নৃত্য ।
সেক্সের তেমনি আসল পার্ট হলো ফোরপ্লে । সেক্সের আসল আর্ট এই ফোরপ্লে ।
Foreplay মানে হলো : “any sexual activity that happens before sexual intercourse.”
অন্যভাবে বললে ব্যায়ামের আগে ওয়ার্ম আপ ।
যে যত ফোরপ্লে উপভোগ করতে জানে, সে তত সেক্সটি উপভোগ করতে জানে ।
ফোরপ্লে উপভোগের শুরুতে দুটো বেসিক শর্তের প্রয়োজন ।
প্রথম : এটির জন্যে দরকার শুদ্ধ একটি মন । কুসংস্কার মুক্ত একটি মন এবং দুটো সুন্দর মনের মানুষ । যারা মন চিন্তা এবং রুচিতে আধুনিক মুক্ত, নন জাজমেন্টাল এবং আমুদে ।
দ্বিতীয় : দরকার পরষ্পরের প্রতি আকর্ষণ, ভালোবাসা, মমত্ববোধ, পরস্পর শ্রদ্ধা এবং যখন এটি উপভোগ করবে, দুজনের পূর্ণ সম্মতি ।
দুটো বেসিক শর্ত পূরণ হলে খেলায় মাঠে নামতে পারেন ।
কিন্তু কি করে ফোরপ্লে খেলাটিকে জমাবেন !
১. ফোরপ্লে এঞ্জয় করবেন ধীরে ধীরে, সময় নিয়ে । তাড়াহুড়ো পুরো খেলাটাই নষ্ট করে দেয় । নো রাস, কোনো শর্টকাট রাস্তা নয়, দরকার হলে এক্সট্রা টাইম খেলবেন । বেশি চাইলে ট্রাইবেকারে যাবেন ।
২. একে অপরের মুড স্টিমুলেট করতে হেলপ করতে হবে । মুড শেয়ারিং, ফ্যান্টাসি শেয়ারিং, কিংকি টক, এমনকি ডার্টি ওয়ার্ড এ ক্ষেত্রে মুড টার্ন অন করে । ফ্যান্টাসির ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে - এটি দিয়ে পার্টনারকে বিচার করা যাবে না । কারণ, ফ্যান্টাসি শুধু ফ্যান্টাসি, এটি যতক্ষণ ফ্যান্টাসি ।
৩. পরষ্পরের সেন্সুয়েল পার্টগুলো সম্পর্কে অবহিত থাকা বা জেনে নেওয়া, যে অংশগুলোর স্পর্শে কথার সাথে বরফও গলবে ! দু পক্ষের সেনসুয়েল টাচ হলো - খেলার মাঠে মধ্যমাঠ থেকে বল নিয়ে ডি বক্সে ঢুকেও গোল না দিতে পেরে একটু পর দেখে নিজের গোল বক্সেই বিপক্ষের পাল্টা হাজির । উত্তেজনার পিঠে উত্তেজনা । এটাকেই বলে গেম । আসল প্লে ।
৪. মনে রাখবেন সেক্স মানে স্পর্শ, দুটো ইন্টিমেট প্রাইভেট পার্টের বেলুন, আর লিপসের বেলুন । প্যাশনেট কিস হলো ফোর প্লে এর টনিক । আদরটি মন থেকেই করবেন, চোখের ভাষায় থাকবে লাভ এন্ড কেয়ারিং লুক । পার্টনারকে সুযোগ দেবেন তার মতো করে আদর করার । এ সময় পরস্পর শরীরের অনেকগুলো ইন্দ্রিয়কে ব্যবহার করবেন । শরীরের গন্ধ নেবেন, স্পর্শ নেবেন, জিভের স্বাদ নেবেন । সেক্স মানে শরীরের ইন্দ্রিয়গুলোর সুখ তিলে তিলে চুষে নেয়া ।
৫. ফিল করতে থাকুন নিজের শরীরে কনফিডেন্ট, প্লেজার, কমফোর্ট অ্যান্ড সেন্সুয়াল । পার্টনারকেও হেল্প করুন তিনিও যেনো সেটি অনুভব করছেন তার সব ইন্দ্রিয় দিয়ে ।
৬. আগে থেকে দুজনের পোশাক ঠিক করে নেবেন, কোন পোশাকে পরস্পর পরস্পরকে আকর্ষনীয় এবং হট লাগে । যার যার পছন্দটা তার ফোকাস পয়েন্ট এবং কানেকটিং ট্রিগার ।
৭. হুট করেই পার্টনারের কাপড় ধরে টানাটানি করবেন না । এমনকি উত্তেজনায় নিজেকেও দিগম্বরের দরকার নেই সঙ্গে সঙ্গে । নিজের কাছে যা সেন্সুয়াল ফোকাস পয়েন্ট, তাকে ধীরে ধীরে পার্টনারের শরীর থেকে খুলবেন, আপনার পোশাকটিকেও একই ভাবে পার্টনারের পছন্দের উপর ছেড়ে দেবেন, তিনি খুলবেন আপনারটি । নিজেরা নিজেদের গিট্টু ধরে টানাটানি করবেন না । এমন করবেন তো খেলায় ফাউল করার মতো ফাউল করে বসবেন । তখন ফ্রি কিক খাবেন অফনেন্টের !
৮. পুরোপুরি উদোম হওয়ার চেয়ে আধো উদোম চোখের কাছে সুড়সুড়ি । ইন্টিমেট পার্টের কাছাকাছি লেপ্টে থাকা কাপড়ের স্পর্শও তখন বারুদে বারুদে স্ফুলিঙ্গের মতো মনে হয় । জানতে হবে এই আর্ট - কখন পুরো খুলতে হয়, আর কখন পুরো তুলতে হয় !
৯. উপরের আটটি স্টেপকে পরষ্পরের মুডের উপর বেইজ করে যতবেশি নারিশ করা যায়, এক্সটেন্ড করা যায়। এই স্টেজে আগুনে খানিক ঘি ঢেলে দিতে ইন্টিমেট মুহূর্তে পরষ্পরের পূর্ব সম্মতিতে ডার্টি ওয়ার্ড গেইম প্লে এনজয় করতে পারলে ভালো । সেন্সুয়াল আগুন ফুলকি দিয়ে উঠবে শরীরে !
১০. যখন বুঝবেন যে দুজনেই মিলিত হওয়ার জন্য উদগ্রীব এবং উত্তেজনার চরমে পৌঁছেছেন , তখন দুজন চলে যাবেন আসল খেলায় ।
গেইম শেষ । এটাই ফোরপ্লে । এর পর গোল।

====

কিভাবে পুরুষদের হরমোন টেস্টোস্টেরন বাড়ানো যায়?
অনেকেই আছেন যাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল কম। একটু চেষ্টা করলেই লেভেল বাড়ানো সম্ভব ইন শা আল্লাহ্। আসুন কিছু সিম্পল স্টেপ জানার চেষ্টা করি,
১. ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করা৷ অর্থাৎ একটা দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা যেমনঃ ১৪-১৬ ঘন্টা৷ শরীরকে একটু রেস্ট দেয়া। এটা খুব কার্যকরি টেস্টোস্টেরন বাড়ানোর জন্য৷ হাদিসে যারা বিয়ে করতে পারছেন না তাদের রোজা রাখতে বলা হয়েছে যা নিজের চাহিদাকে স্তিমিত করে। এটা কিন্তু রোজা রাখাবস্থায় চাহিদা কন্ট্রোলে রাখে এর মানে এই না রোজা রাখার কারণে আপনার টেস্টোস্টেরন কমে যাচ্ছে বরং টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়বে যা আপনার জন্য ভালো।
২. হাই ফ্যাট লো কার্ব ডায়েট করা। টেস্টোস্টেরন এক প্রকার কোলেস্টেরল। তাই এটা বাড়ানোর জন্য আপনাকে চর্বিযুক্ত খাবার খেতে হবে। এই চর্বিকে ভয় পেয়ে পেয়ে আর শর্করা নির্ভর খাবার খেয়ে খেয়ে আমরা নিজেদের অনেক কিছুই উলটপালট করে ফেলেছি৷ আমাদের বুঝতে হবে আমরা তৈরিই প্রোটিন এবং ফ্যাট দ্বারা৷ তাই টেস্টোস্টেরন বাড়ানোর জন্য ভাল চর্বিযুক্ত খাবার খেতে হবে যেমনঃ ঘি, মাখন, বাদাম, নারকেল, সামুদ্রিক মাছ, গরুর মাংস ইত্যাদি। সাথে শর্করা জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে। ভাত, রুটি একদম বন্ধ করে দিতে পারলেই ভালো। তাজা শাক-সবজি ভালো পরিমাণে খেতে হবে, ভাত, রুটির খিদে না থাকে।
৩. HIIT EXERCISE ও Weight Lifting Exercise করা ৷ আপনি যদি আপনার টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়াতে চান হিট করতে হবে এবং ভারী ওজন তোলার ব্যায়ামগুলো করতে হবে। হাঁটা, জগিং করা এসবে টেস্টোস্টেরন বাড়বে না৷ বডিকে লোড দিতে হবে তবেই সে এই হরমোন তৈরি করবে। পুরুষ হতে হলে কাজও পুরুষালি হওয়া চাই!
৪. ভিটামিন, মিনারেলস পরিমাণ মত নেয়া। বিশেষ করে ভিটামিন ডি। প্রতিদিন সূর্যের আলো ২৫-৩০ মিনিট গায়ে লাগানো দরকার। যারা সূর্যের আলো লাগাতে পারেন না তাদের সাপ্লিমেন্ট আকারে খেতে হবে। আপনার টেস্টোস্টেরন কম হলে ভিটামিন ডি খুব প্রয়োজন আপনার।
৫. স্ট্রেস তথা দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকা। মানসিক অস্থিরতা আমাদের শেষ করে দেয়। সবসময় অস্থির থাকা, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকা হরমোন সবগুলো উলটপালট করে দেয়৷ জীবনে চড়াই উতরাই থাকবে। হতাশা, দুঃখ থাকবে। এগুলোকে প্রোডাক্টিভ কাজে পরিণত করতে হবে। মন বিমর্ষ রেখে নিজেকে অথর্বতে পরিণত করা পুরুষালি কাজ না।
আশা করি এই সিম্পল স্টেপগুলো ফলো করলে টেস্টোস্টেরন লেভেল বুস্ট হবে ইন শা আল্লাহ্। দেরি না করে সময় থাকতে শুরু করুন।

====

লিঙ্গ ঠিকমতো উথান হয় না হলেও কিছুক্ষন পর নরম হয়ে যায় :
১) সেক্স হরমোন সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান,( ডিম আর দুধের মিশ্রন সাথে তিন রকম বাদাম, কিস মিস, মধু,খেজুর, গরুর গোশত, বেদানা,তরমুজ ইত্যাদি)
২)যৌন ব্যয়াম( কেইগেল এক্সারসাইজ ইড়াপিঙ্গলা নাড়ির ব্যয়াম করুন। সকালে ১০ মিনিট রাতে ১০ মিনিট করে।

====






No comments:

Post a Comment

সাপ্লিমেন্ট

  আমি আমেরিকা থাকি তাই আমেরিকারটা জানি। অন ্য দেশের গুলো জানিনা। Doctors Best (Overall Best) Triquetra (Any B Vitamins and B Complex) Now ( ...