কথাটা লিখে রাখেন: Faham Abdus Salam
কোনো মেয়েকে যদি আপনি কোটা সিস্টেমের সুবিধা দেন -
সে ঐ পজিশনে গিয়ে কোটা কমানো না, বাড়ানোর রাজনীতি করবে।
এবং
কোটা সিস্টেমের বেনিফিশিয়ারি মেয়েটা জীবনে এক সেকেন্ডের জন্য কোটা সিস্টেম তথা রাষ্ট্র/সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞ হবে না। সে প্যাশেনটলি এই সমাজকে ঘৃণা করবে।
এবং
সে মনে করবে যে এই কোটা সিস্টেম তাকে যে জায়গা দিয়েছে - এর মাধ্যমে 'সমাজ' গত এক হাজার বছরের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছে। তাকে কোনো উপকার করে নাই।
আয়েম সিরিয়াস!
কোটা সিস্টেমের সুবিধাপ্রাপ্ত একটা মেয়ে কোনোদিন - এন্ড আই রিপীট - কোনোদিন বলবে না যে - আমি জনাব R এর প্রতি কৃতজ্ঞ। উনি আমার উপকার করেছেন। কিন্তু এই মেয়েটিকে জনাব Y কোনো অপকার করলে সেটা বলবে হাজার বছরের পুরুষতন্ত্রের সমস্যা।
(ইন ফ্যাক্ট - শামাকে আমি প্রায়ই বলি যে আমি জীবনে কোনোদিন কোনো বাংলাদেশী শিক্ষিত মেয়ের মুখে শুনি নাই যে আমি অমুক পুরুষের প্রতি কৃতজ্ঞ (আত্মীয় ও প্রেমিক বাদে – সে যেই হোক) - কারণ উনি আমাকে এই হেল্প করেছিলেন। নেভার)
এর বিপরীতে যেই মেয়েটা পদে পদে ফাইট করে উপরে উঠেছে, হাজার হাজার ছেলের গালি খেয়েছে - এই কম্পিটেন্ট মেয়েটার সম্মানবোধ ও কৃতজ্ঞতাবোধ কোটা সিস্টেমের চেয়ে আলাদা হবে। সে বোঝে প্রতিষ্ঠান কীভাবে চলে এন্ড মোস্ট ইম্পরট্যান্টলি - সে ছাগলামি ও গুরুত্বপূর্ণ - এই দুইটার পার্থক্য করতে জানে।
কোটা সিস্টেম থেকে সরকারে যাওয়া একটা উপদেষ্টা সরকারে গিয়ে অগাস্টের ৮ তারিখ প্রথম যেই সমস্যা দেখবে - সেটা হোলো সচিবালয়ে এতো কম মেয়ে কেন কিংবা ইউনুস সাহেব কেন ট্রান্স-জেন্ডারদের সাথে দেখা করছেন না কিংবা পুরা সচিবালয়ে কেন কোনো ramp নাই ফিজিকালি চ্যালেঞ্জডদের জন্যে।
যেই মেয়েটা কোটা সিস্টেমের মাধ্যমে পার্লামেন্টে যাবে - সে সবচেয়ে প্যাশেনেটলি - পার্লামেন্ট ও তার কলিগদের ঘৃণা করবে।
মানুষ যা অর্জন করে না - কিন্তু অর্জনের অভিনয় করে - সেই পাওয়ার জন্য সে কোনোদিন বিন্দুমাত্র কৃতজ্ঞ হয় না - রেজেন্টমেন্ট তৈরী করে।
কোনোদিন যদি দেশে গৃহযুদ্ধ ও এনার্কি লাগে - যে আপনার বাড়িতে ঢুকে প্যাশেনেটলি এবং উইথ গ্রেট ঔচিত্যবোধ আপনাকে খুন করবে - সেই লোকটা সম্ভবত সেই - যাকে আপনি অন্তত এতোটা উপকার করেছিলেন যে আপনার প্রতি তার কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত।
(লেখাটা পুরুষ কোটা সিস্টেমের জন্যেও একইভাবে প্রযোজ্য)
No comments:
Post a Comment