Sunday, July 6, 2025

আপনার মেয়েকে/বোনকে অবশ্যই শেখাবেন

 আপনার মেয়েকে/বোনকে অবশ্যই শেখাবেন:

🥀💝
১- মাটি থেকে কখনও কোনো কিছু উঠাতে গেলে অবশ্যই বুকের উপর এক হাত দিয়ে তারপর উঠাতে যাবে।
সতর ঢাকার সতর্কতা স্বরুপ এটা করা উচিত।
২- পুরুষ মানুষের সামনে কখনও পায়ের উপর পা তুলে বসবে না, দুই পা'কে মিলিয়ে বা খুব কাছাকাছি রেখে বসবে।
৩- সিঁড়িতে উপরের দিকে উঠার সময় যদি পেছনে কোনো পুরুষ মানুষ থাকে, তাহলে এক কোনায় গিয়ে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়াবে, পুরুষ লোকটি চলে গেলে তারপর উঠবে।
৪- লিপ্টে ওঠার সময় যদি অপরিচিত পুরুষ মানুষ থাকে এবং মাত্র একজনই থাকে, তাহলে তার সাথে ওঠবে না, অপেক্ষা করবে, সেই অপরিচিত লোকটি বের হলে তারপর উঠবে।
৫- সবসময় মুচকি হাসার অভ্যাস করবে, উঁচু আওয়াজে অট্টহাসি হাসবে না।
৬- তোমার চাচাতো ভাই, খালাতো ভাই বা ফুফাতো ভাইদের সাথে মুসাফাহা করবে না, যদিও তোমার কাছে তাদের ছোট মনে হয়।
৭- কোনো প্রয়োজনে পুরুষ মানুষের সাথে কথা বলতে হলে, অবশ্যই শারীরিকভাবে যথেষ্ট পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলবে।
৮- নিকটাত্মীয় হলেও কাজকর্মে বা কথা বার্তায় অবশ্যই একটা সীমারেখা বজায় রাখবে। নিজের ভাবগাম্ভীর্য এমনভাবে বজায় রাখবে, যেন তোমার প্রতি তার ভিতরে খারাপ কল্পনা তৈরি না হয়।
৯- রাস্তাঘাটে নিজ বান্ধবীদের সাথে হাসি ঠাট্টা করবে না, রাস্তার শিষ্টাচার বজায় রাখবে।
১০- তারা যেন বেপর্দা না করে এবং বেপর্দা করে যেন বাহির না হয় ! যেমন- চুল খোলা রাখা অতিরিক্ত ফিটিং কাপড় পড়া ইত্যাদি ইত্যাদি।
* মহান আল্লাহ সকল আপুদের কে সংশোধন হবার তাওফিক দান করুন!
আমীন🥀💝
🌟🌟 ভালো লাগলে শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ দিন ধন্যবাদ 😊

Antibiotic-এর বিকল্প

আপনি শরীরকে যদি সুস্থ ও ফিট রাখতে চান, তাহলে এইটুকু প্যারা নিতেই হবে-

Antibiotic-এর বিকল্প হতে পারে কাঁচা হলুদ, দেশি আদা,  দেশি রসুন ও কালোজিরা! প্রতিদিন তিন কাপ গরম  পানিতে দেশি কাঁচা হলুদ রস, দেশি আদা রস আর সঙ্গে একটু রসুন ও একচিমটি কালোজিরা দিয়ে পাঁচ মিনিট পানিটা ফুটিয়ে নেওয়ার পর হালকা কুসুম ঠাণ্ডা হলে তার সঙ্গে মধু ও কাগজি লেবুর রস মিশিয়ে নিয়মিত পান করুন।

সম্ভব হলে এগুলোর সঙ্গে তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ সবগুলো হাফ চা-চামচ পাউডার করে গরম পানিতে ফুটিয়ে খেতে পারেন। কেউ এগুলো আস্ত দিতে চাইলে সেটাও অল্প পরিমাণে দিয়ে খেতে পারেন। 

এভাবে সকাল-বিকাল খাবেন। এন্ট্রিবায়োটিকের চাইতে দ্রুতগতিতে কাজ করবে (ইনশাআল্লাহ)। একনাগাড়ে খাবেন না, মাঝে মাঝে বিরতি দিয়ে খাবেন।

প্রতি সপ্তাহের তিনদিন সকালে চারটা নিমপাতা ও তিনটি লবঙ্গ এবং দুটি গোলমরিচ চিবিয়ে খেতে পারেন। এবং নিশ্চিত করুন প্রতি মাসে ৫০০ গ্রাম গাওয়া ঘি, অরিজিনাল আদা শুঠ চূর্ণ ৫০ ||, পিপুল ৫০|| এই দুইটি চূর্ণ করে ঘি'র মধ্যে মিশিয়ে নিন। ভাতের সঙ্গে দুই চামচ পরিমাণ দু'বেলা সেবন করুন। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, সঙ্গে শরীর থাকবে সুস্থ।

রান্নায় সৈন্ধব লবণ ব্যবহার করুন। যাবতীয় নেশা, অতিরিক্ত আহার, তেলে ভাজা খাবার, ফাস্টফুড, জান্কফুড, বেশি রাত জাগা, অতিরিক্ত শুক্রক্ষরণ (মৈথুন) এসব থেকে বেঁচে থাকুন।পরিশ্রমের কাজ করুন এবং যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করুন।

Friday, July 4, 2025

রুকইয়াহ পদ্ধতি (ঝুটা দিয়ে চিকিৎসা)

 🔺মেহমানের খেয়ে রাখা খাবার বা গ্লাস/প্লেট ধুয়ে রাখার আগে কিছু করনীয়: 

কদিন পর পরই বাসায় এ ও আসে, দাওয়াত দিলে মেহমান আসে, প্রতিবেশিরা আসে, আত্মীয়রা আসে। 

এসে আমাদের অনেক কিছুর প্রতিই তারা ইম্প্রেস হয়, তাদের ভাল লাগে, প্রশংসা করে। কেউ আমাদের  বাচ্চাদের সুন্দর স্বাস্থ্য দেখে অবাক হয়, বাচ্চাদের খাওয়া অবস্থায় দেখে প্রশংসা করে, কিংবা আমাদের সুন্দর চুল, স্কিন, রূপ এসব দেখে অবাক হয়, প্রশংসা করে সাথে নিজের নষ্ট হয়ে যাওয়া চুল/রূপ নিয়ে আফসোস করে। আবার অনেকে রান্নার প্রশংসা করে, ফার্নিচারের প্রশংসা করে। অনেকে এসব প্রশংসার আড়ালে নিজের কষ্ট লুকিয়ে রাখে, মা শা আল্লাহ বলে না, বারাকাল্লাহ বলে না।

যার ফলে বদ নজর লেগে যায়, নষ্ট হতে থাকে চুল, রূপ, স্বাস্থ্য, বাচ্চাদের খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি।

এরপর শুরু হয় পেরেশানি, মন খারাপ। দিনের পর দিন অবনতি। হবেই না কেন, বদনজর সত্য এবং বদনজর মৃত্যু পর্যন্ত নিয়ে যায়।

আমরা অনেকেই ধরতে পারি না এসব যে বদনজরের কারণে হতে পারে। ডক্টরের পিছু দৌড়াই, মেডিসিনের স্তুপ করি। তাও কোনো সুরাহা মেলেনা। অনেকে একটা পর্যায়ে বুঝতে পারি যে বদনজর লেগেছে, আবার অনেকে কখনওই বুঝতে পারি না। এভাবে সময়ের সাথে সমস্যাগুলো ভালমতো শেকড় মজবুদ করে গেড়ে বসে। তখন সমাধান করতেও লেগে যায় অনেকটুকু সময়। 

বদনজর থেকে পরিত্রাণের উপায় হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব রুকইয়াহ করা। আর সবচেয়ে সহজ রুকইয়াহ হচ্ছে যার নজর লেগেছে বলে মনে হয় তার ওজুর পানি, কিংবা ঝুটা খাবার, কিংবা শরীরের কোনো স্পর্শ, ঘাম বা কাপড় ইত্যাদি। এসবের কোনো একটাও যদি পাওয়া যাওয়া তবে তা দিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মুছে দিলে, বা খাওয়ালে ইন শা আল্লাহ নজর কেটে যাবে। আর যদি এসবের কোনোটিই না পাওয়া যায় তবে বদনজরের আয়াত ও দুয়া দিয়ে টানা নিজে নিজেই রুকইয়াহ করে যেতে হবে, যা সময়সাপেক্ষ ও কষ্টকর।

তো সবচেয়ে সহজ হচ্ছে ব্যক্তির ঝুটা দিয়ে ট্রিটমেন্ট করা। আর এই ঝুটা পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ব্যক্তির খেয়ে রাখা গ্লাস, চামচ বা প্লেট। 

যখনই ঘরে মেহমান আসবে, মেহমানের খেয়ে রাখা গ্লাস, চামচ, প্লেট, হাত-মুখ মুছে ফেলে রাখা টিস্যু বা টাওয়াল এসব আলাদা করে রাখবেন। ধুয়ে ফেলার জন্য বেসিনে রাখবেন না। মেহমান চলে গেলে সেসব ঝুটা ধুয়ে পানি নিয়ে তা খাওয়া গেলে একটু করে খেয়ে নিবেন, বাচ্চাদেরও খাওয়াবেন, কিংবা গায়ে মাখিয়ে নিবেন, বাচ্চাদেরও মাখিয়ে দিবেন, ঘর বাড়িতেও ছিটিয়ে দিবেন। এতে করে ইন শা আল্লাহ নজর লাগলে তা সহজেই কেটে যাবে। 

~সংগৃহীত

আমাদের জীবনে প্রায়ই ঘটে যাওয়া একটি বাস্তব সমস্যা — বদনজর বা হাসাদ (নজরের ক্ষতি) সম্পর্কিত। ইসলামে বদনজর একটি স্বীকৃত বাস্তবতা এবং এটি থেকে বাঁচার জন্য নির্দিষ্ট রুকইয়াহ বা করণীয় রয়েছে। আপনি যে পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেছেন — মেহমানের খাওয়া বাকি খাবার বা ব্যবহৃত জিনিস দিয়ে রুকইয়াহ করা — এটি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত একটি প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতি। নিচে বিস্তারিতভাবে তা আলোচনা করা হলো:


🕌 রেফারেন্সসহ প্রমাণিত রুকইয়াহ পদ্ধতি (ঝুটা দিয়ে চিকিৎসা) – সহিহ হাদিস

ঝুটা দিয়ে রুকইয়াহ করার ভিত্তি সহিহ হাদিসে পাওয়া যায়:

📖 সুনান আবু দাউদ (হাদিস: ৩৮৯৫):

আমর ইবনু শু'আইব হতে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন:
"রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যদি কেউ কাউকে বদনজর দেয়, তাহলে সে যেন (ওজু করে) পানি দিয়ে নিজেকে ধোয়, এবং সেই পানি আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে ঢেলে দেয়া হোক।"

📘 শরহ: বদনজর লাগার পর চোখ দেওয়ার ব্যক্তিকে ওজু করতে বলা হয় এবং সেই পানি আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে ঢেলে দিলে, আল্লাহর ইচ্ছায় তা শিফা দেয়।


ব্যাখ্যা ও বাস্তব প্রয়োগ:

এই হাদিসে “ওজুর পানি” ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। আধুনিক ইসলামি রুকইয়াহ চিকিৎসকরা এটিকে ব্যাখ্যা করেন:

  • চোখ লাগানোর সম্ভাব্য ব্যক্তির স্পর্শযুক্ত পানি, যেমন:

    • তার খাওয়া বা পান করা খাবারের অবশিষ্ট অংশ (ঝুটা),

    • ব্যবহৃত গ্লাস, চামচ, থালা থেকে পানি ধুয়ে নেয়া,

    • তার হাত-মুখ মোছা টিস্যু বা তোয়ালে,

    • এমনকি ঘামযুক্ত কাপড় থেকেও পানি নেয়া।

এই পানি দিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে ঢেলে দেয়া, কিছুটা পান করানো অথবা ধুয়ে ব্যবহার করা হলে ইন শা আল্লাহ বদনজর কেটে যায়


🌿 আরো রুকইয়াহ পদ্ধতি (বদনজর নিরাময়ের জন্য):

১. কোরআনের আয়াত দ্বারা রুকইয়াহ:

  • সূরা ফালাক ও সূরা নাস (৩ বার করে)

  • আয়াতুল কুরসি (সূরা বাকারা: ২৫৫)

  • সূরা বাকারা (সম্পূর্ণ পড়লে শয়তান ও বদনজর থেকে ঘর রক্ষা পায়)

  • সূরা কালাম – আয়াত ৫১–৫২:
    "যখন তারা তোমাকে দেখে, তারা প্রায় তোমাকে চোখের দৃষ্টিতে ধ্বংস করে ফেলবে, এবং তারা বলে, সে তো পাগল। অথচ এটি তো দুনিয়ার জন্য উপদেশ।"

২. নবিজি ﷺ-এর শেখানো দু’আ:

🕋 بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ، اللَّهُ يَشْفِيكَ، بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ

উচ্চারণ:
Bismillahi arqeek, min kulli shay’in yu’dheek, min sharri kulli nafsin aw ‘aynin hasid, Allahu yashfeek, bismillahi arqeek.

✅ বাংলা উচ্চারণ:

বিসমিল্লাহি আরকীক, মিন কুল্লি শাই’ইন ইউ’যীক, মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আইনিন হাসিদ, আল্লাহু ইয়াশফীক, বিসমিল্লাহি আরকীক।

বাংলা অর্থ:
"আল্লাহর নামে আমি তোমার উপর রুকইয়াহ করি, তোমাকে কষ্ট দেয় এমন সবকিছুর বিরুদ্ধে, হিংসুক আত্মা বা নজরের বিপরীতে, আল্লাহ তোমাকে শেফা দান করুন।"

(📚 সহিহ মুসলিম, হাদিস: 2186)


🧕 প্রতিরোধমূলক করণীয়:

  1. প্রশংসা পেলে সঙ্গে সঙ্গে “মা শা আল্লাহ”, “বারাকাল্লাহ” বলা শিখানো।

  2. বাচ্চাদের এবং নিজের উপর প্রতিদিন সকালে ও রাতে ৩ বার করে সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস পড়ে ফুঁ দিয়ে মুছে দেওয়া।

  3. ঘর থেকে অহংকার, দম্ভ ও অহেতুক শো-অফ কমানো।

  4. ফজরের পরে ও রাতে ঘুমানোর আগে নিয়মিত আয়াতুল কুরসি পড়া।

  5. সামাজিক মাধ্যমে অতিরিক্ত ব্যক্তিগত জীবন প্রদর্শন পরিহার।


📌 সংক্ষেপে ঝুটা বা ব্যবহৃত জিনিস দিয়ে রুকইয়াহ করার উপায়:

  • মেহমান চলে যাওয়ার পরে:

    • ব্যবহৃত গ্লাস/প্লেট ধুয়ে পানি সংগ্রহ করুন।

    • ঐ পানি:

      • আক্রান্ত ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের খেতে দিন (সামান্য পরিমাণে),

      • গায়ে মাখান বা গোসল করান,

      • ঘরের চারদিকে ছিটিয়ে দিন।

উল্লেখ্য: এটি কেবল “ধারণা” ভিত্তিক হতে হবে না, বরং যদি সন্দেহ হয় নজর লেগে থাকতে পারে, তখনই ব্যবহার করা যায়। ক্ষতি নেই, বরং শিফার নিয়তে আল্লাহর রহমত আশা করা হয়।


📚 উপসংহার:

বদনজর একটি সত্য। এবং রাসূল ﷺ ও সাহাবীদের যুগে এর চিকিৎসা ছিল রুকইয়াহ, যা আজও কার্যকর। আপনি উল্লেখিত "ঝুটা" বা ব্যবহার্য জিনিস দিয়ে রুকইয়াহ করা — এটি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত এবং তা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতির একটি।


>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

🕋 ১. আল্লাহর কাছে রক্ষা চাওয়ার দোয়া (সূরা ফালাক ও নাস)

📖 সূরা ফালাক (১১৩) ও সূরা নাস (১১৪)
৩ বার করে সকালে ও রাতে পড়া – বদনজর, জাদু, শয়তান থেকে রক্ষার জন্য অত্যন্ত কার্যকর


🕋 ২. বাচ্চাদের নজর থেকে বাঁচাতে রাসূল ﷺ-এর দোয়া

📖 সহিহ বুখারি (হাদিস: ৩৩৭১) অনুযায়ী, নবিজি ﷺ হাসান ও হুসাইন (রা.) এর ওপর এই দোয়া পড়তেন:

اللَّهُمَّ إِنِّي أُعِيذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নী উঈযুকুমা বি-কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি, মিন কুল্লি শাইত্বানিন ওয়া হাম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লাম্মাহ।

📘 বাংলা অর্থ:
“হে আল্লাহ! আমি তোমাদেরকে রক্ষা চাই আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীর মাধ্যমে, সব শয়তান, বিষধর প্রাণী এবং বদনজর থেকে।”


🕋 ৩. সকাল-বিকেলের দোয়া (নজর ও ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য)

📖 তিরমিযি (৩৫৮৮)

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

বাংলা উচ্চারণ:
আউযু বি-কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।

📘 বাংলা অর্থ:
“আমি আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ বাণীর মাধ্যমে আশ্রয় চাই, তাঁর সৃষ্ট সমস্ত কিছুর অনিষ্ট থেকে।”

➡️ ৩ বার সকাল ও ৩ বার সন্ধ্যায় পড়া বদনজর, বিছা-বিষাক্ত প্রাণী, অদৃশ্য ক্ষতি থেকে হেফাজতের জন্য হাদিসে প্রমাণিত।


🕋 ৪. আয়াতুল কুরসির মাধ্যমে রুকইয়াহ

📖 সূরা বাকারা – আয়াত ২৫৫ (আয়াতুল কুরসি)
প্রতিদিন ফজরের পরে এবং ঘুমানোর আগে পড়লে ঘর-বাড়ি, সন্তান, শরীর – সবকিছু নিরাপদ থাকে।

📘 বাংলা অনুবাদ (সংক্ষেপ):
আল্লাহ — তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সর্বধারক। তাঁকে তন্দ্রা কিংবা নিদ্রা স্পর্শ করে না… ইত্যাদি।


🕋 ৫. কথা শুনে নজর পড়লে রুকইয়ার দোয়া

যখন কেউ প্রশংসা করে, তখন হিংসা বা বদনজরের আশঙ্কা হলে এই দোয়া বলা উত্তম:

مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

বাংলা উচ্চারণ:
মা শা’আল্লাহ, লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

📘 বাংলা অর্থ:
“যা আল্লাহ ইচ্ছা করেছেন। আল্লাহ ছাড়া কোনো ক্ষমতা নেই।”

➡️ কেউ প্রশংসা করলে তাকে এই দোয়াটি বলার শিক্ষা দিন। তাতে বদনজর লাগা থেকে বাঁচা যায়।


🕋 ৬. আত্মবিশ্বাস ও সুরক্ষা পেতে নবিজি ﷺ-এর আরেকটি রুকইয়া দোয়া

📖 (মুসনাদ আহমাদ, আবু দাউদ)

بِسْمِ اللَّهِ تُرْقَى، مِنْ كُلِّ دَاءٍ يُؤْذِيكَ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ، اللَّهُ يَشْفِيكَ، بِسْمِ اللَّهِ تُرْقَى

বাংলা উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহি তুরকা, মিন কুল্লি দা’ইয়িন ইউ’যীক, ওয়া মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আইনিন হাসিদ, আল্লাহু ইয়াশফীক, বিসমিল্লাহি তুরকা।

📘 বাংলা অর্থ:
“আল্লাহর নামে তোমার উপর রুকইয়াহ করা হলো, সব ব্যথা-কষ্ট ও হিংসুক দৃষ্টির অনিষ্ট থেকে, আল্লাহ যেন তোমাকে শেফা দেন। আল্লাহর নামে তোমার চিকিৎসা করা হলো।”


সাপ্লিমেন্ট

  আমি আমেরিকা থাকি তাই আমেরিকারটা জানি। অন ্য দেশের গুলো জানিনা। Doctors Best (Overall Best) Triquetra (Any B Vitamins and B Complex) Now ( ...